Friday, 28 July 2023
DIPLÔME D'UNIVERSITÉ DROIT DE L'ASILE
https://cfp.u-paris2.fr/fr/formations/offre-de-formation/diplome-duniversite-droit-de-lasile-accueil-et-protection-des
DIPLÔME D'UNIVERSITÉ DROIT DE L'ASILE - ACCUEIL ET PROTECTION DES ÉTRANGERS PERSÉCUTÉS
আমার এই রাষ্ট্র, এই পুলিশের কোনো দরকারই নাই।
যে রাষ্ট্রে আপনি সারাদিন চিল্লান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আপনি স্বাধীনতা অর্জন করছেন। সেই রাষ্ট্রে পুলিশ জনগনের ব্যাক্তিগত ফোন চেক করে, বাক্তিগত ছবি দেখে কোনো এলিগেশন ছাড়া র্যান্ডমলি সেই রাষ্ট্র ব্যাক্তি হিসেবে আমার অস্তিত্বের জন্য হুমকি। এই হাসিনা অথরিটি প্রতিটি ব্যাক্তি মানুষকে হত্যা করেছে। জনগনের সিভিল রাইটসই যেখানে নাই সেখানে আপনি কি বালের যুদ্ধের কথা বলেন আর দেশের কথা বলেন। যেইখানে আমার ফোনে পুলিশ হাত দিয়েছে সেখানেই আমার সব অর্জন শেষ। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সাথে আমাদের ব্যাক্তি সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে। সভ্য মানুষের অন্যতম রাইটস ব্যাক্তির প্রাইভেসি। সেই রাইটসই যেখানে লঙ্ঘন হচ্ছে সেখানে আমার এই রাষ্ট্র, এই পুলিশের কোনো দরকারই নাই। আমি এদের হাত থেকে বাচার জন্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী চাই। এই পুলিশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যা করা দরকার আমার তাই করতে হবে। লাগলে আমি আবার কলোনি হইতে চাই। যুদ্ধ করে পারলে আবার আমরা কখনো এদের বিরুদ্ধে নিজের রাষ্ট্র বানাব।
Wednesday, 26 July 2023
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী সেই দিনগুলো
৯০ দর্শকের শৈশব :
"রাজা" (বেলুন)ক*ন*ড*ম আর "হিরো" (বেলুন) ক*ন*ড*ম ছিলো বেশি প্রচলিত, সেগুলোকে আমরা বেলুন হিসেবেই চিনতাম, তখনকার দিনে এত রঙ বেরঙের বেলুন ছিল না, চায়ের দোকান থেকেও কিনতাম। প্রায় কোল বালিশ সাইযের বানিয়ে ফেলতাম ফুলিয়ে। বড়রা এগুলা পঁচা জিনিস,বাজে তেল দিয়ে বানায় এই সেই নানা কথা বলতো। কিন্তু এই ক*ন*ড*ম*কে বেলুন বানিয়ে খেলার কারণেই চায়ের দোকানীরা বিক্রি করতো খেলনা হিসাবে।
তখনকার সময়ে প্রতিটি বাড়িতে টিভি ছিল না, ১০-১২ বাড়ি পর- পর দেখা গেছে একজনের বাড়িতে টিভি আছে, আমরা সেই বাড়ির সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্ব পাতিয়ে নিতাম, কোন কারণে ঝগড়া হলেও বৃহস্পতিবারের দিন মিটমাট করে নিতাম, কারণ শুক্রবারটা ছিলো একটা ঈদের দিনের মতোন।
শুক্রবার কি সিনেমা হবে আর কে নায়ক নায়িকা থাকবে সেটা জানার জন্যই সকাল 10 টা অথবা দুপুর 12 টায় সূচিপত্র দেখার জন্য টিভি অন করে বসে থাকতাম, যতক্ষণ না চ্যানেল খুলতো ততক্ষণ টিভির মধ্যে শুধু নুড়ি পাথরের কত ঝিলমিল ঝিলমিল করতো, কি যে বিরক্ত লাগতো তারপরও ধৈর্য ধরে বসে থাকতাম।
সিনেমা হতো দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল পর্যন্ত, আলিফ লায়লা রাত 9 টায়, তারপরে ছায়া ছন্দ, বাবারা তো রাতে চোখে চোখে রাখতো পড়ার সময় টিভি দেখায় একদমই পছন্দ করতো না, যেই এশারের নামাজ পড়তে বের হতো অমনি আমরা সাথে সাথেই টিভির সামনে এসে হাজির হয়ে যেতাম, 1 মিনিটো দেরি করতাম না, ছায়া ছন্দ শেষ হতে না হতে আবার রাত 10:30 মিনিটে ভারতীয় ন্যাশনাল চ্যানেল শুরু হতো ইন্টারন্যাশনাল লাক্স সাবান নিবেদিত হিন্দি সিনেমা, আর মাসের শেষে শুক্রবার তো ইত্যাদি কোন মতেই মিস দিতাম না না না না।
পরের দিন শনিবার দুপুর 12:30 মিনিটে স্কুলের সময় শুরু হতো 'পারলে-জি' বিস্কুট নিবেদিত "শক্তিমান" 😇 শনিবারের দিন শক্তিমান দেখা বাদ দিয়ে স্কুল যেতে কলিজা ফেটে যেত😅😅😅
নিজে শক্তিমান হবার জন্য শক্তিমানের মত করে একহাত মাজায় রেখে আরেক হাত মাথার উপরে দিয়ে পাক ঘুরতে ঘুরতে কত যে আছাড় খেয়েছি তা গুনে শেষ করা যাবে না।
# রবিনহুড, হারকিউলিস, রোবোকাপের কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে করিয়ে দিতে হবে না।
একসাথে সিনেমা দেখার আলাদা মজা ছিলো। বড়রা খাটে বা সোফায় বসতো আমরা নিচে বসতাম। আঙুল দিয়ে বিজ্ঞাপণ গুনতাম। প্রায় বারোটা বিজ্ঞাপণ দেখানোর পরই সিনেমা শুরু হতো, এসবের ভিতর থেকে জায়গার দখল হারানোর ভয়ে বাইরে না গিয়েই কেউ কেউ আবার চুপিসারে বায়ু দূষণ করে দিত, সহ্য হতো না, নাক চিপে দম আটকে রেখে দম বন্ধ হয়ে যেত তারপরও জায়গা থেকে উঠতাম না, উঠলে ওই জায়গার আর দখল পাবো না এই ভয়ে, তারপরে সবাই শুরু করতো দর্শকের উদ্দেশ্যে আঙ্গুল দেখিয়ে ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন : উবু ১০ ২০ ৩০ ৪০ ৫০ ৬০ ৭০ ৮০ ৯০ ১০০ যার কাছে গিয়ে ১০০ পূরণ হতো সে বায়ু দূষণকারী 🤪🤪🤪
তাকে শাস্তি স্বরূপ 5 মিনিটের জন্য বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হতো টিভি ঝিলমিল ঝিলমিল করলে তাকে গিয়ে প্রত্যেকবার "এন্টিনিয়ার" ঘুরিয়ে ঠিক করতে হবে, সিনেমা চলাকালীন এন্টিনিয়ার ঠিক করাটা খুব যন্ত্রণাদায়ক একটা কাজ ছিল, টিভির এন্টিনিয়ারের কথা আপনাদের মনে আছে তো?
রুবেল, ইলিয়াস কাঞ্চন, দিথী, জসীম, সাবানা, ববিতা, ওমর সানি, সালমান শাহ, মৌসুমি, রাজ্জাক ছিল নায়ক নায়িকা। এদের কেউ নেই মানে সিনেমা পানসে। রাজীব, রানি, শরীফ, মিশা, জাম্বু, এটিএম শামসুজ্জামান ও হুমায়ুন ফরিদী ভিলেন থাকার কারণে কতো গালিই যে খেত তার হিসেব নেই। নায়ক মার খেলে আমাদের আফসোস হত, অসহায় জসিম, রাজ্জাক, সাবানা আর ববিতার কান্নায় চোখে পানি চলে আসতো।
যেইদিন রুবেলের ক্যেরাতের একশন সিনেমা হতো সেদিন সিনেমা দেখা শেষ করে মনের মধ্যে অ্যাকশন ফিলিং নিয়ে বন্ধুদের বলতাম : আয় আমরা নায়কদের মতন মারপিট খেলি, রাজি হলে নিজের নায়ক হওয়ার চান্সটা মিস দিতাম না, বলতাম :- আমি নায়ক তোরা গুন্ডা, তোরা সবাই মিলে আমাকে চেপে ধরবে আর আমি তোদের সবকটাকে মারবো, তোরা মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকবি, অনেক সময় বন্ধুরা রাজি হতো না, তখন বলতাম একবার আমি নায়ক একবার তোরা নায়ক, সমান- সমান ঠিক আছে, তারপরও যদি রাজি না হতো তখন শেষ চেষ্টা করে দেখতাম :- বলতাম আগামীকাল আমার আব্বা পাইনাপেল বিস্কুট নিয়ে আসবে তখন ওখান থেকে তোকে দুইটা দিব 🤪🤪🤪 তারপরে শুরু হতে আমাদের নায়ক আর গুন্ডার খেলা, মুখ দিয়ে ঢিসুম- ঢিসুম করতাম আর উড়ে উড়ে মার দিতাম, কিযে ভয়ংকর অ্যাকশন তা লিখে বুঝানো যাবে না 🤪🤪🤪
ও পাইনাপেল বিস্কুটে কোথায় তো আর একটা কথা মনে পড়ে গেলো,পাইনাপেল বিস্কুটের কথা তো ভুলার মতন না, তখনকার পাইনাপেল দুই বিস্কুটের জয়েন্টে ক্রিমে ছিল ভরপুর, আমরা বিস্কুট হাতে নিয়ে দুই বিস্কুটের জয়েন্ট ছুটিয়ে তারপরে ক্রিমটা আগে চেটে চেটে খেয়ে নিতাম 🤪🤪🤪🤪🤪🫣 কি যে অনুভূতি তা বলে বোঝানো সম্ভব না 😇
এবার আসি মেয়েদের কথায়: যদি শাবনূর, মৌসুমী, দিথি, চম্পার সিনেমা হতো তাহলে মেয়েরা সিনেমা দেখা শেষ করে ঘরের ভিতরে অথবা আড়ালে লুকিয়ে সিনেমার নায়িকাদের স্টাইলে গুনগুন করে গান গাইতো আর নাচ প্যাকটিস করতো, আর আমরা তাদেরকে জ্বালাতন করার জন্য লুকিয়ে লুকিয়ে দেখার চেষ্টা করতাম, শেষের দিকে বলতাম এ-হে নাচ দেখে ফেলেছি - দেখে ফেলেছি, তখন তারা ভীষণ লজ্জা পেতো 🫣🫣🫣🫣
বিকেলটা ছিল অনেক লম্বা,শেষ হইতো না। তখন খেলতাম চোর- পুলিশ, লুকা-চুরি, ইচিং বিচিং, কুতকুত, বউছি, ফুলের টোকা, বরফ পানি, ছোঁয়াছুঁয়ি, সাতচারা, ডাংগুলি, মাংশ চোর, সিগারেটের আর ম্যাচের বক্স দিয়ে তাস খেল, লাটিম সহ আরও কতো কী,
মনেও নেই। খুব ছোটরা খেলার বায়না ধরলে তাদেরকে "দুধভাত" হিসেবে খেলায় নিতাম, তবুও ছোট বলে তাকে বঞ্চিত করতাম না।
ঝগড়া হলে তাহলে কাইন আঙুলে আড়ি নিতাম, দু দিন কথা বলতাম না। তারপর আবার আনুষ্ঠানিক ভাবে দুই আঙুলে " ভাব" নিতাম।
তখন আবার রক্তের বান্ধবীর প্রচলন ছিল। কারও হাত কাটলে ছুটে যেতাম রক্তের সই পাতাতে। আমার কাটা আঙুলের সাথে ভাল আঙুল মিলিয়ে হতাম "রক্তের বান্ধবী, কোনদিন এই বন্ধুত্ব যাবেনা"। কই গেল আমার সেই বান্ধবী গুলা।
মারবেল দিয়ে বিড়িং খেলা হত। দামি খেলনা ছিলো রবারকোপ আর পিস্তল। টাকাওয়ালা বাবার মেয়েরা খেলত ব্যাটারির পুতুল দিয়ে। পুতুলের সুইচ অন করলেই বাজত ‘চল ছাইয়া ছাইয়া’ গান। বেশিরভাগ মেয়েদের হাড়িপাতিল
থাকতো অনেকগুলা। সকাল হলে ভাত রান্না করতো আবার।
সন্ধ্যা হলেই শুরু হত যন্ত্রণা। বই খাতা খুলে পড়তে বসা লাগবে। সবার আগে পড়তাম সমাজ। চার্জার লাইটগুলা চার্জ দেয়া লাগতো,কখন কারেন্ট যাবে বলা যায় না,বাড়ির কাজও হবে না। অংক করতে বিরক্তি থেকে মুক্তি পেতে দোয়া করতাম, "আল্লাহ, কারেন্ট যা"।
যেই কারেন্ট যেত অমনি সবাই একসাথে চিৎকার করে বেড়িয়ে আসতাম ঘর থেকে। শুরু হয় নতুন খেলা, 'চোখ পলান্তিস' নাইলে 'বরফ পানি'। বড়রা বিরক্ত হয়ে।
তখন পাড়ায় পাড়ায় এত মসজিদ ছিল না এবং মসজিদে মাইকো ছিল না, ছিলোনা রমজান মাসের ইফতারের ও সেহরির সময়সূচীর কোন ক্যালেন্ডার, তখন সেহেরী ইফতারির সময় আযানের মাধ্যমে এবং পাড়ার কোন মুরুব্বির ঢং ঢং বেলের শব্দ জানতে পারতাম, ইফতারীর পূর্বে অনেক সময় আযান আথবা ঢং ঢং বেলের শব্দ কোনটাই ক্লিয়ার বোঝা যেত না বলে আমাদের মায়েরা বাড়ির ছোট ছেলে মেয়েদের আযান দিচ্ছে কিনা বাইরে থেকে শুনে আসতে বলতো, তখন আমরা তাড়াতাড়ি খাওয়ার লোভে বাইরে গিয়ে নিজেই আজান দিয়ে বাড়িতে এসে বলতাম আম্মা আযান দিয়েছে 🫣 আমি খাই তোমরা পরে খেয়ে খাও🤪🤪🤪 ( ছোট বলে নিজে তো আর রোজা করতাম না তো🤪🤪🤪 🫣)
ঈদের চাঁদ উঠলে সেই আনন্দর কথা লিখে বোঝাতে পারবো না, পুরো মহল্লায় মিছিল করতাম।
তখন সম্ভবত ক্লাস টুতে একটা পড়া ছিল : আজ ঈদ,
ঈদগাহে যাবো,
ফিরনী সেমাই খাবো,
কোলাকুলি করবো,
কত মজা হবে।
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী সেই দিন 😯🤔🤔🤔
Sunday, 23 July 2023
এই উদ্ভট তত্ত্ব শেখ হাসিনা কোথায় পেলেন?
২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইতালির রাজধানী রোমে এক সংবর্ধনায় যোগ দিয়ে প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেছিলেনঃ
‘’জিয়াউর রহমানের জন্ম বিহারে, এরশাদের জন্ম কুচবিহারে, খালেদা জিয়ার জন্ম শিলিগুড়িতে। তাদের একজনও এই মাটির সন্তান না। এখন পর্যন্ত যতজন ক্ষমতায় এসেছে, একমাত্র আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং আমি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মাটির সন্তান। যেহেতু আমাদের মাটির টান আছে, এইজন্য আমাদের একটা কর্তব্যবোধ আছে।‘’
শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনেছেন শত শত প্রবাসী, যাদের সন্তানদের জন্ম ইতালি সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। কেউ শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করেনি। বিদেশে জন্ম হলে বাংলাদেশকে ভালবাসা সম্ভব নয়- এই উদ্ভট তত্ত্ব শেখ হাসিনা কোথায় পেলেন?
একই বক্তব্য শেখ হাসিনা বাংলাদেশে একাধিকবার দিয়েছেন। কেউ কোনো প্রতিবাদ করেনি, সমালোচনাও করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা শেখ হাসিনার এই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে বিতর্ক করেনি; টক শো’তে বিশ্লেষণ হয়নি; সংবাদপত্রে কলাম লেখেনি কেউ।
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষিতা নারীদের সন্তানদের ‘দুষিত রক্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। এই উদ্ভট তত্ত্ব শেখ মুজিব কোথায় পেয়েছিলেন?
রাষ্ট্র এবং সরকার পরিচালনায় নিযুক্ত সর্বোচ্চ ব্যাক্তির মস্তিষ্কে এরকম অসুস্থ চিন্তা এবং দর্শনের অস্তিত্ব থাকা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক।
Courtesy: abdul hye shanju
Wednesday, 19 July 2023
আওয়ামিলীগের চাইলেও সুস্থ ইলেকশন করতে পারবে না।
আওয়ামিলীগের সবচে বড় সমস্যা সে চাইলেও সুস্থ ইলেকশন করতে পারবে না। সুস্থ ইলেকশন মানে স্বচ্ছ না। অনেক ম্যানিপুলেটেড, রিগিং এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনও সুস্থ হতে পারে যদিও তা স্বচ্ছ না। কিন্তু আওয়ামিলীগের তার ইনার ফ্রেকসনের কারনে তার দ্বারা সুস্থ ইলেকশন করা আর সম্ভব না তাই তার মারতেই হয় যেই দাড়াক তার সাথে সে হিরো আলম হলেও।
যেমন ২০১৮ সালের ইলেকশনে যা হয়েছে। একটা অস্বাভাবিক পার্সেন্টেজের ভোট হয়েছে। অধিকাংশ এলাকায় বিরোধিদের ভোট জিরো হয়েছিলো। পরে যা বাড়িয়ে ঘোষনা করা হয়। নুন্যতম ভোটের পারসেন্টেজের হিসাবও সেখানে মানা হয় নি। কারন মাঠে গিয়েই সকল পরিকল্পনা ফল করে এবং তা এজেন্সি আর পুলিশের হাত থেকে লোকালি চলে যায়।
পুলিশ যদি দশ হাজার ব্যালট পেপার প্রিজাইডিং অফিসার থেকে রাতে নিয়ে গেছে তবে ছাত্রলীগ নিয়েঁছে বিশ হাজার। কারন এটা তখন আর জাতীয় ব্যাপার থাকে না। এটা একান্তই লোকাল দখল। আর লোকাল দখলে কখনোই কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এটা লাঠিয়াল বাহিনির চড় দখলের মতো। পুলিশ যদি পাচ হাজার ভোট দিয়েছে রেশিও অনুযায়ী হিসাব করে তবে ছাত্রলীগ জোর করে আরও দশ বাড়াইছে। বিএনপিকে একটা নির্দিষ্ট পারসেন্টেজ ভোট দেয়ার প্লান ছিলো কিন্তু কোথাওই তা সম্ভব হয় নি। লোকাল প্রভাবক এই রিস্ক নিতেই দেয় নি।
যে কর্মকর্তারা লীগকে জেতানোর পলিসিতেই দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলো সেই এজেন্সির লোকরে পর্যন্ত সেই রাতে বেধে রাখঁছে পরেরদিন দশ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে মিমাংসা করে নিছে। লোকাল প্রভাবক এড়ায়া যাওয়ার এই রিস্ক কোনো পার্থিই নিতে নিবে না। এটা পরীক্ষার রাতের মতো। কেউই যেন কোনে সুযোগ না পায় এই চেস্টা থাকে। তাই প্রশাসনের চেয়ে গতবার লোকাল নেতারা বেশি ব্যালট পেপার রাতের বেলা নিয়ে গেছে প্রিজাইডিং অফিসার থেকে জোর করে।
অনেক প্রশাসনের কর্মকর্তারাই পরে আক্ষেপ করছে তারা এতো উলঙ্গ কাজ করতে চায় নি। কিন্তু লোকালি তারা নিয়ন্ত্রন করতে ব্যার্থ হয়। তাদের সম্মানজনক চুরির পথে লোকাল স্টেক হোল্ডারদের বাধা হওয়াটাই সরকারের নিজেরই আদার ফ্রাকশন গুলার জন্য সবচে বড় চ্যালেঞ্জ।
Sunday, 16 July 2023
রিএক্সামা কি এবং কিভাবে করতে হয় ?
রিএক্সামা
--------------
উকিলের সাথে রিএক্সামা নিয়ে আলোচনা করছিলাম..
রিএক্সামা আসলে কি?
: কমিশন থেকে যখন প্রথমবার রিজেক্ট হয়ে যায় তখন রিএক্সামা করা যায়৷
কোন শর্ত আছে?
: হ্যা, দেশে আপনার নতুন কোন সমস্যা হলে রিএক্সামা করা যেতে পারে৷
যদি সখতি অর্থাৎ ফ্রান্স ত্যাগের নোটিশ থাকে তাহলে কি রিএক্সামা করা যাবে?
: হ্যা যাবে। তবে আপনার সখতি বহাল থাকবে। আর রিজেক্ট হলে সখতির শর্ত গুলো আরও কঠিন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কতবার করা যায় রিএক্সামা?
: যতবার খুশি ততোবার।
রিএক্সামা করলে কি লাভ হয়?
: রিসিপিসি পেতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন এই রিসিপিসি কিন্তু প্রথম এজাইল আবেদনের রিসিপিসির মতো শক্তিশালী না। পুলিশ চাইলেই সখতি অর্থাৎ দেশে পাঠানোর নোটিশ দিতে পারবে।
রিএক্সামা কিভাবে করতে হয় ?
: প্রথমবার এজাইল আবেদনের মতোই ফোন দিতে হবে OFII তে। তারপর প্রিফেকচার থেকে ফাইল আনতে হবে। ভালোভাবে ফর্ম ফিলাপ করে OFPRA তে পাঠাতে হবে। OFPRA রিজেক্ট হলে CNDA তে আবেদন পাঠাতে হবে।
তারমানে সব আগের মতোই?
: হ্যা সবই প্রথমবারের মতো।
সরকারি ভাবে উকিল নেয়ার সুযোগ আছে?
: হ্যা অবশ্যই। আবেদনকারী আগের মতোই OFPRA রিজেক্টের পর ১৫ দিন হাতে পাবে সরকারি ভাবে উকিল নেবার জন্যে। ১৫ দিন পার হয়ে গেলে টাকা দিতে হবে আপীল এর জন্যে।
আবার কি নতুন করে কেইস লিখতে হবে?
: আসলে কেইস লিখা বলে কিছু নেই। প্রিফেকচার যে ফরম দেয় সেখানে আবেদনকারীর সমস্যা লেখার একটা জায়গা থাকে। অনেক সময় জায়গার অভাবে সেখানে পুরো ঘটনা লেখা যায়না দেখে মানুষ অতিরিক্ত কাগজে লিখে। এটাকেই মানুষজন কেইস বলে।
আচ্ছা। রিএক্সামা তে কি এজাইল পাওয়া যায়?
: সম্ভাবনা খুব কম কিন্তু খুব সিরিয়াস হলে পাওয়া যায়।
কি রকম সিরিয়াস?
: এই ধরেন, নতুন যে সমস্যা বা সমস্যাগুলো দেখানো হবে সেগুলোর পুঙ্খানুপূর্ণ বিবরণ থাকতে হবে। প্রথম আবেদনের সাথে মিল রেখে সুন্দর ভাবে পুরো বিষয়টা খুব যত্নে উপস্থাপন করলে এবং যদি সম্ভব হয় আসল প্রমাণাদি যোগার করতে পারলে রিক্সামা থেকে এজাইল পাওয়া সম্ভব।
তবে তোমাদের বাংলাদেশীদের অনেকে রিএক্সামা নিয়ে ব্যাবসা কর এটা সবাই জেনে গেছে। ফ্রিতে রিএক্সামা করার কথা বলে কিন্তু টাকা দিয়ে অনুবাদ করাতে হয় সেটা ওইসব জায়গা থেকে। কোনরকমে তারা যে রিএক্সামা গুলো করে দেয় তাতে আবেদনকারীর আরও ক্ষতি হয়। বাংলাদেশীদের রিএক্সামার গুরুত্ব একারণে বেশী থাকেনা।
পরিশেষে আমি বললাম : আসলে পুরা বিষয়টা অনেকটা মাফিয়া চক্রের মতো হয়ে গিয়েছে। দুই তিনটা পার্টি সব কন্ট্রোল করতে চায়। ফ্রেঞ্চ না জানায় সাধারণ বাংলাদেশিরা জিম্মি।
উকিল বললেন: এইসব খবর এখানকার অথরিটি জানে। অনুবাদের মান খুব নিম্নমানের হয় তাদের । কোন রকম ভাবে ফাইল রেডি করা হয় দেখে বাংলাদেশি আবেদনের গুরুত্ব খুবই কম। তবে এভাবে মানহীন কাজ করে বেশীদিন আর চালাতে পারবেনা ওরা। অথরিটি থেকে অলরেডি প্রচুর চাপ দেয়া হচ্ছে ওদের উপর৷ ফ্রান্সে মাফিয়া তৈরী হতে দেরী, ভাঙতে দেরী হয়না।
#ভাতিজা #কেইস #রিএক্সামা
ফ্রান্সের আলো হাওয়ায় / Ma vie en France
Sunday, 25 June 2023
শেখ হাসিনার পতনের পরবর্তী ৭২ ঘন্টা
শেখ হাসিনার পতনের পরবর্তী ৭২ ঘন্টা যা যা হতে পারে এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারকে যা করতে হবেঃ
#আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে পালাবে।
#হাসিনার অবৈধ সুবিধাভোগকারী কর্মকর্তাদের অনেকেই গা ঢাকা দিবে।
#দেশে গচ্ছিত টাকা সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশি দেশে পাচারের চেষ্টা করবে।
#বিজয়ের আনন্দে আত্মহারা মানুষ জাতীয় পতাকা উড়িয়ে রাস্তায় ঘুরবে।
#হাসিনার পরাজিত শক্তি দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করবে।
#নতুন সরকারকে প্রথম ২৪ ঘন্টা পুরো দেশব্যাপি কারফিউ জারি করতে হবে।
#ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়গুলোকে সবোর্চ্চ সুরক্ষা দিতে হবে।
#আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ম্যাজিস্ট্রেসী ক্ষমতা দিয়ে সারাদেশে সেনা মোতায়েন করতে হবে।
#পালিয়ে যাওয়া ওসিদের দায়িত্ব সাময়িকভাবে সেনা কর্মকর্তাদের দিতে হবে।
#সচিবালয়সহ দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে কঠোর নিরাপত্তা জারি করতে হবে।
#গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সাপ্লাই চালু রাখতে হবে।
#প্রতিবেশি দেশের দুস্কৃতিকারীরা যেনো ঢুকতে না পারে, সীমান্তে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
#রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
#অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সরকারের সকল রুটিন কাজ চালু রাখতে হবে।
।। সুরমা প্রতিবেদন ।।
Subscribe to:
Posts (Atom)
