Friday, 21 August 2026
বিএনপি কখনোই চিন্তা করেনি জুলাইয়ের মতো একটা বিপ্লব হবে।
বিএনপি আসলে কখনোই চিন্তা করেনি যে দেশে জুলাইয়ের মতো একটা বিপ্লব হবে। তারা নিজেরা এইটার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না। কারণ বিগত বছরগুলোতে তারা আন্দোলন দিয়েও রাস্তায় লোক পেতো না, তাই ফখরুল ঈদের পরের আন্দোলনের কথা বলে বলেই বছরের পর বছর পার করেছে।
তাদের আসলে সামনে কখনো দেশ চালানো লাগবে এইটা তারা ঘুনাক্ষরেও ভাবেনি। তাই সেরকম কোনো প্রস্তুতিও ছিল না। সেই ২০০০ সালের অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীর বাইরে আর কাউকে প্রডিউস করতে পারেনি তারা।
শুরুর দিকে বিএনপিও চেয়েছিলো ইন্টেরিমকে একটু টাইম দিয়ে নিজেরা গুছিয়ে নিতে। কিন্তু, ওরা যখন দেখলো যে ইউনূস সব গুছিয়ে নিচ্ছে, রিজার্ভ দ্বিগুণ করে ফেলেছে, ভেঙে পড়া অর্থনীতি সামাল দিতে ২-৩ বিলিয়ন বাজেট সহায়তাও এনেছিলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে স্টেবল রাখতে পেরেছিলেন ফাওজুল কবির খান।
এসব দেখে বিএনপি নিজেদের অযোগ্যতা ভুলে গিয়ে মরিয়া হয়ে উঠলো ক্ষমতার জন্য। নিজেরাই বিভিন্ন আন্দোলন উসকে দিয়ে ইন্টেরিমকে যথাসাধ্য অসহযোগিতা করলো। ভেবেছিলো ইউনূস পারলে আমরাও পারবো। ইউনূসের নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে তাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বানালো।
কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে বেসামাল অবস্থা। চীন সফর করেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে, বিশ্বব্যাংক-আইএমএফও বাজেট সাপোর্ট দিচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত তাই ইউনূসকে প্রেসিডেন্ট বানানোর জন্য দৌড়-ঝাপ শুরু করলো। কিন্তু ইউনূস তো ওদের চিনে ফেলেছে, তাকে তাই কোনোভাবেই কনভেন্স করা যায়নি।
বিএনপি মাঠ গরম করে ২০২৬ এ নির্বাচন আদায় করাটা নিজেদের সেরা অর্জন ভেবেছিলো, কিন্তু এইটাই এখন ওদের সবচেয়ে বড় ভুল হিসেবে প্রমাণিত হইলো।
দেশের চলমান সংকট ওরা দ্রুত কাটিয়ে উঠবে তারও কোনো সম্ভাবনা নাই, অলরেডি তাদের মন্ত্রী, উপদেষ্টারা বলতেছে এই সংকট অন্তত ২ বছর চলমান থাকবে। স্বঘোষিত প্রতারক বিএনপির ভবিষ্যৎ খুবই করুণ।
Monday, 17 August 2026
লো আইকিউর লোকেরাই মূলত আওয়ামী লীগ এবং শেখ মুজিব শেখ মুজিব করে।
লো আইকিউর লোকেরাই মূলত আওয়ামী লীগ এবং শেখ মুজিব শেখ মুজিব করে।
আমি একবার এক ছেলেকে ভিক্ষা দিয়েছিলাম। ঘটনাটা ঘটেছিল নীলক্ষেতে। পহেলা বৈশাখে। আমরা বৈশাখী র্যালি শেষ করে মল চত্বরে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে মিরপুর ফিরছিলাম। ছেলেটার বাম হাতে ছিল দগদগে ক্ষত। দেখে যে কারো মায়া হবে। ইচ্ছে হবে এক্ষুণি হাসপাতাল নিয়ে চিকিৎসা করাই।
কিন্তু ছেলেটা যাবে না। বলল, কয়টা টাকা দেন দুই দিন ধইরা কিচ্ছু খাই নাই। বাসায় যাবার তাড়া থাকায় আর কথা না বাড়িয়ে পঞ্চাশ টাকার একটা নোট দিয়ে চলে আসতে চাইলাম। কয়েক পা এগুতেই আমাকে এক ছেলে থামালো। বলল, আপনাকে দেখে তো সচেতন লোক মনে হয়। এইটা কি করলেন আপনি? বললাম, কি করেছি? বলল, এই ছেলেকে টাকা দিয়ে আপনি আরও কয়েক শ ছেলেকে ভিক্ষুক বানানোয় উৎসাহ দিয়েছেন। আসলেই সেদিন ব্যস্ত ছিলাম। ওই ছেলের কথা শোনার মত সময় ছিল না। ওকে বলেছিলাম, তাইলে তুমি ওর কাছ থেকে টাকা কাইড়া নেও। তোমার সাথে গ্যাজানোর মত সময় আমার নাই।
সেদিন চলে আসলেও কথাটা মনে দাগ কেটেছিল। পরে জেনেছি, ঢাকা শহরে ইন্ডিভিজুয়াল ভিক্ষুকের সংখ্যা একেবারে নগন্য। অধিকাংশ ভিক্ষুকই কোন না কোন ভিক্ষুক ব্যবসায়ীর প্রতিনিধি। ভিক্ষুক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে নিজ নিজ কেনা ভিক্ষুককে দিয়ে সেখানে ভিক্ষা করায়। ওই এলাকায় অন্য কোনও ব্যবসায়ীর ভিক্ষুক বা স্বাধীন কোনও ভিক্ষুক ভিক্ষা করতে চাইলে তারা বাধা দেয়। এজন্য এমনকি মারামারি পর্যন্ত করে।
ভিক্ষুক ব্যবসায়ীরা তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে জেনেছে, মানুষের আবেগে হিট করতে না পারলে ভিক্ষা পাওয়া যায় না। বাংলাদেশের ভিক্ষা ইন্ডাস্ট্রির মূল শক্তিই হল ইামোশনাল ম্যানেজমেন্ট বা আবেগ ব্যবস্থাপনা। কোনও ভিক্ষুক যদি মানুষের মনে দাগ কাটতে না পারে তাহলে সে ভিক্ষা পায় না। যেই ভিক্ষুক মানুষের মনে যত দাগ কাটতে পারে তার ভিক্ষা পাবার হার তত বেশি। ভিক্ষুক ব্যবসায়ীদের কাছেও তার দাম তত বেশি। ভিক্ষুক ব্যবসায়ীরা যখন নিজেদের মধ্যে ভিক্ষুক কেনা বেচা করে তখন এই ধরণের ভিক্ষুকের দাম অন্যদের তুলনায় বেশি নির্ধারণ করে।
সাধারণ একজন হাত-পা ওয়ালা সুস্থ পুরুষ ভিক্ষুককে মানুষ ভিক্ষা দিতে চায় না। ফলে তাদের দাম থাকে সবচেয়ে কম। তবে কারো যদি হাত বা পায়ে দগদগে ক্ষত থাকে তাইলে সেটা দেখায়া ভিক্ষা পাবার হার বাইড়া যায়। ফলে ভিক্ষুক ব্যবসায়ীদের নিকট তার দামও বাইড়া যায়।
ভিক্ষুক যদি নারী হয় তার ভিক্ষা পাবার হার পুরুষের চেয়ে বেশি থাকে। তার হাত পায়ে ঘা থাকলে তার ভিক্ষা পাবার সম্ভাবনা আরও বেশি থাকে। যদি নারীর কোলে বাচ্চা থাকে তাহলে তার ভিক্ষা পাবার সম্ভাবনা আরেকটু বেশি হয়। যদি সে প্রেগন্যান্ট হয় তাহলে তার ভিক্ষা পাবার সম্ভাবনা আরও বেশি থাকে। এই ভিক্ষুকদের দামও সেভাবে নির্ধারিত হয়।
ভিক্ষুক যদি হয় শিশু তাইলে তার ভিক্ষা পাবার হার প্রাপ্ত বয়স্কদের থেকে বেশি থাকে। আর যদি সেই শিশুর শরীরে থাকে দগদগে ক্ষত তাইলে তার ভিক্ষা পাবার হার আরও বেড়ে যায়। তার যদি একটা হাত বা পা কাটা থাকে কিংবা চোখ অন্ধ থাকে তাইলে তার ভিক্ষা পাবার হার আরও বেড়ে যায়। আর ভিক্ষুক ব্যবসায়ীরা যখন দেখে, ভিক্ষা ইন্ডাস্ট্রিতে এই রকম শিশুর চাহিদা বেশি তখন তারা একের পর এক শিশুদের ধরে এভাবে অঙ্গহানি ঘটিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য করে। আপনাদের মনে থাকার কথা, বেশ কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ পুলিশ এই রকম কিছু শিশুকে উদ্ধার করেছিল।
তাইলে ব্যাপারটা কি ঘটছে খেয়াল করেন, আপনি আপনার আবেগের জায়গা থেকে একটা অঙ্গহীন শিশুকে ভিক্ষা দিলেন। তার ফলে ভিক্ষা ব্যবসায়ীরা উৎসাহী হয়ে আরও একশটা ছেলের অঙ্গহানি ঘটিয়ে ভিক্ষা করতে নামায়া দিল। এখন বলেন, এই যে নতুন নতুন শিশুর অঙ্গহানি ঘটিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা হল, এই জন্য আপনি কি একটুও দায়ী নন? অথচ আপনি নিজেকে একজন মানবিক মানুষ মনে করেন আর যেই লোকটি ভিক্ষা ইন্ডাস্ট্রির এই নোংরামি জানে বলে আপনাকে ভিক্ষা দিতে নিষেধ করে তাকে মনে করেন নিষ্ঠুর মানুষ।
এর সাথে আওয়ামী লীগ কিংবা শেখ মুজিবের সম্পর্ক কি- তাই ভাবছেন?
বাংলাদেশে চেতনা ব্যবসা তথা আওয়ামী লীগ এবং শেখ মুজিবের ইমেজও এই ইমোশনাল ম্যানেজমেন্ট বা আবেগ ব্যবস্থাপনার উপর খাড়ায়া আছে।
আপনি যখন পনের আগস্টের হত্যার জাস্টিফিকেশন দেয়ার জন্য বলবেন, এই লোকটার কারণে দুর্ভিক্ষে এত লাখ লোক মারা গেছে। এই লোকটা এত হাজার বিরোধী দলীয় মানুষ হত্যা করেছে। এত হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করেছে। তখন একদল আইসা বলবে, মানলাম শেখ মুজিব অপরাধ করেছে। কিন্তু শিশু রাসেল কি অপরাধ করেছে? অথবা বাড়ির নারীরা কি অপরাধ করেছে? কিংবা গর্ভবতী নারী কি অপরাধ করেছে?
এই কথা বইলা তারা শুধু শিশু রাসেল বা বাড়ির মেয়েদের হত্যাকে অপরাধ বলে না। মুজিবকে হত্যাও অপরাধ বলে। আজ পর্যন্ত একজন চেতনা ব্যবসায়ীকেও পাই নাই যে বলেছে, মুজিবকে হত্যা করা ঠিক ছিল। সেই জন্য আমি পঁচাত্তরের বিপ্লবীদের সাধুবাদ জানাই। তবে বাড়ির মেয়ে এবং শিশুদের হত্যা করার কারণে আমি তাদের ঘৃণা করি। তারা যুক্তি দেয়, শিশু রাসেল অপরাধ করেনি অতএব তাকে হত্যা করা ঠিক হয়নি। কিন্তু উপসংহার টানে, অতএব বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করাও ঠিক হয়নি।
এখন এইখানে কি ঘটছে খেয়াল করেন। শিশু রাসেলের কথা ভেবে আপনি আবেগে পঁচাত্তর বিপ্লবীদের খুনী ভাবছেন। নারীদের হত্যা করছে বইলা আপনার মুক্তিদূতদের খুনী ভাবছেন। গর্ভবতী নারী হত্যা করছে বইলা বীরদের ভিলেন ভাবছেন। আর এই আবেগের তলে হারায়া যায়, মুজিবের দুর্নীতির খতিয়ান। হারায়া যায় তার অবাধ লুটপাটের কারণে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু। হারায়া যায়, হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যার ঘটনা, হাজার হাজার বিরোধী দলীয় কর্মী হত্যার ঘটনা, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ভোট ডাকাতির ঘটনা, সংবাদ পত্রের কন্ঠরোধ করার ঘটনা, গণতন্ত্র হত্যা কইরা দেশের প্রথম ফ্যাসিস্ট শাসক হইয়া ওঠার ঘটনা।
আপনি বুঝতে পারেন না, শিশু রাসেল মূলত সেই ভিক্ষুক ছেলেটি যাকে দেখে আপনি আবেগের কারণে তারে ভিক্ষা দিচ্ছেন। আর সেই ভিক্ষা দেবার কারণে রাসেলের বাবার হাতে তৈরি দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার শিশু নিহতের কথা চাপা পড়ে যায়। আপনি বুঝতে পারেন না পনের আগস্ট রাতে নিহত নারীরা হল সেই ভিক্ষুক নারী যাদেরকে ভিক্ষা দেবার কারণে দুর্ভিক্ষে নিহত লাখ লাখ মা-বোনের কথা চাপা পড়ে যায়। ফলে আপনি নিজেকে খুব মানবিক ভাবেন। আর যারা শিশু রাসেলের আবেগ ব্যবহার করে আওয়ামীলীগের দানব হইয়া ওঠার কাহিনী বোঝে বইলা আপনাদেরকে এই আবেগে ভেসে যেতে নিষেধ করে তারা হইয়া যায় অমানবিক নিষ্ঠুর।
তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়ালো?
বিষয়টা দাঁড়ালো, চেতনা ব্যবসায়ী এবং ভিক্ষুক ব্যবসায়ীরা মূলত একই মডেলে মানুষের আবেগ নিয়ে ব্যবসা করে। আর লো আই কিউর লোকেরা একই মডেলে ভিক্ষুক ব্যবসায়ী এবং চেতনা ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পড়ে প্রতারিত হয়।
তবে এই দুই প্রতারণার মধ্যে পার্থক্য হল, ভিক্ষার ক্ষেত্রে আপনি একাই প্রতারিত হন। কিন্তু চেতনা ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতারণার ফলে আপনার দেশে শাপলা গণহ*-ত্যা নাইমা আসে, পিলখানা ম্যা*সা*কার নাইমা আসে, শেয়ার বাজার-ব্যাংক লুটপাট হয়, হাজার হাজার মানুষ গু*ম-খু*নের শিকার হয়, ধ*র্ষণের শিকার হয়। সবশেষে আপনার চোখের সামনে আপনার সন্তানকে হ*ত্যা করা হয় এবং দেশে জুলাই নেমে আসে।
সুতরাং হে প্রিয় লো আইকিউর পাবলিকবৃন্দ! চেতনা ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পড়ার আগে সাবধান। খুব সাবধান। দিস ইজ ভেরি ডেঞ্জারাস। ভেরি রিস্কি গেম।
জুলাইয়ে আপনার সন্তান জীবন দিসে। আবারও চেতনা ব্যবসার ফাঁদে পড়লে এইবারের জীবনটা আপনাকেই দিতে হবে।
মুজিব হইল ভারতের বিলিয়ন ডলার প্রজেক্ট।
দুর্নীতি কইরা খাদ্য সংকট সৃষ্টি কইরা লাখ লাখ লোক মারার পরও বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধুই রইয়া যায়। কেউ তারে বঙ্গখুনী বলে না। না রাজনীতিবিদরা বলে। না সাহিত্যিকরা বলে।
কেন বলে না জানেন?
কারণ এই খু*নী লোকটারে নায়ক বানায়া হাজার হাজার সাহিত্য রচিত হইছে। গল্প, কবিতা, উপন্যাস রচিত হইছে। সিনেমা, নাটক, ডকুমেন্টারি হইছে। কিন্তু সে যাদের হ*ত্যা করেছে, তার দুর্নীতির বলি হয়ে যারা না খেয়ে মারা গেছে সেই শিশু, নারী, পুরুষদের নিয়ে কেউ দুই কলম লিখেনি। তারা বিস্মৃতির গর্ভে হারায়া গেছে।
আমরা শুধু দুর্ভিক্ষপিরীত এক বাসন্তির নাম জানি। এক বাসন্তিই মুজিবশাহীর ভিত কাঁপায়া দিছিল। সেই বাসন্তির ছবি যে তুলছিল তারে গত আওয়ামী জামানায়া নৃশংসভাবে খু*ন করা হয়।
কেন করা হয় জানেন?
কারণ মুজিব হইল পার্শ্ববর্তী দেশের বিলিয়ন ডলার প্রজেক্ট। এই লোক যতদিন স্বমহিমায় থাকবে ততদিন পার্শ্ববর্তী দেশের প্রভুত্ব থাকবে। সুতরাং মুজিবের মহিমায় যারাই কালিমা লেপন করবে তাদেরকে তারা সহ্য করবে না, নৃশংস ভাবে নিকেশ করবে।
আপনি তার হাতে খু*ন হওয়া এক ডেপুটি স্পিকার আর এক সিরাজ শিকদারের বাইরে আর কারো নাম জানেন না। তার ভিকটিম কাউরে নিয়া সাহিত্য রচিত হয় না। সিনেমা নাটক ডকুমেন্টারি তো আরও দূরের ব্যাপার।
আপনি গালি দিয়া সাহিত্যের মোকাবেলা করতে পারবেন না। মুর্তি ভাইঙ্গা প্রতিষ্ঠিত ইমেজ ইরেজ করতে পারবেন না। তার মিথ্যা ইমেজ প্রতিষ্ঠায় যেভাবে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে সাংস্কৃতিক বয়ান নির্মাণ করা হইছে সেভাবেই তার সত্য ইমেজ স্টাবলিস্ট করার জন্য কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে।
এই কারণেই দেখেন মুজিবের কারণে দুর্ভিক্ষে মারা যাওয়া লাখ লাখ শিশু, নারী, পুরুষের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হইয়া ওঠে হারামের টাকায় ফুলেফেঁপে ওঠা একটা পরিবার। মুজিব পরিবারের এক রাসেলের শোকই এই লাখ লাখ লোকের মৃত্যুর শোক থিকা বড় হইয়া ওঠে।
আপনি দেখেন শহীদ জিয়ার বিরুদ্ধে ওরা কি পরিমাণ সাহিত্য নির্মাণ করছে। ইমতিয়ার শামীম তার বিরুদ্ধে উপন্যাস লেখছে। শাহাদুজ্জামান ক্রাচের কর্নেল লিখছে তারে ভিলেন বানানোর জন্য। তারেক জিয়ার আমলে একুশে পদক পাওয়া নব্য বিএনপি কবি মোহন রায়হান তার বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে।
কারণ কি?
কারণ বাংলাদেশে মুজিবের ইমেজের চেয়ে বড় কোনও ইমেজ ওরা তৈরি হতে দিবে না।
বিপরীতে দেখেন লাখ লাখ লোক হ*ত্যা করা মুজিবের বিরুদ্ধে কোনও কবিতা নাই, গল্প নাই, উপন্যাস নাই, সাহিত্য নাই। আছে শুধু সাব অল্টার্ন মানুষের কয়েকটা গালি।
সুতরাং বাংলাদেশকে রাইট ট্রাকে ফেরাতে হলে মুজিবের মিথ্যা ইমেজ ভাঙতে হবে। এজন্য সাংস্কৃতিক বয়ান নির্মাণ করতে হবে। বাংলাদেশের প্রকৃত হিরোদের নিয়ে সাহিত্য সংস্কৃতি নির্মাণ করতে হবে।
এছাড়া আপাতত মুক্তির আর কোনও পথ নাই।
Subscribe to:
Posts (Atom)