Thursday, 7 February 2019

পৃথিবীর নিকৃষ্টতম সম্পর্ক পরকীয়া।

প্রবাসীর স্ত্রী সহ সকল বোন ও ভাবিদের জন্য সতর্কতা, অবশ্যই পরবেন।
-------- সেলিনা জাহান প্রিয়া ।।

কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না, প্রশংসাকারী থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন ।

১.ভাবী, আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয়, মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!

২. ম্যাডাম,একটা কথা বলবো অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু-
নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়ে দিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে!

৩. মন খারাপ কেন ভাবী,ঝগড়া টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এ রকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না!

৪. একটা কথা বলি আপু,কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তাও স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘন্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না!

৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেওয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? না, আর না!
৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়ীতে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে! না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে!

৭ জন্মদিনে এবার কি কি করলেন আপনারা? আপনার ভাই অফিসের কাজে ব্যস্ত!!!!
কি যে বলেন! আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম! হাসবেন না, সিরিয়াসলি!

বিঃ দ্রঃ – অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, কিছু কিছু মানুষ আছে, নিজের অফিসের কলিগ,পাশের বাসার ভাবী,কিংবা বন্ধুর বউ,পরিচিত আপু ম্যাডামদের সাথে এভাবেই কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো “জাস্ট প্রশংসাবাক্য”।

এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল না করলে বুঝার উপায় নেই। যারা এগুলো করে, এরা কিন্তু ফাঁদে ফেলবার জন্যেই করে! এদের স্বভাবই হলো ফ্লার্ট করে নিজের বশে আনা! খুব স্মার্ট সুদর্শন পুরুষ দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলারাও এরকম ফ্লার্ট করে। সে সংখ্যাটাও কম না!!

যে মহিলা জীবনে কোনোদিন স্বামীর বিকল্প স্বপ্নেও কল্পনাও করেন নি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়, কিন্তুু স্বামীকে অনেক ভালোবাসেন। পর পুরুষের মুখে নিজের এত্ত সুন্দর প্রশংসা শুনে, “আমি হলে পায়ের কাছে পড়ে থাকতাম” কথাটা শুনে সেই মহিলাও ভাবেন, এই স্বামী আমাকে বঞ্চিত করছে, নিশ্চয়ই আমি আরও ভালো কিছু আশা করি!

যে মহিলা একটা সুখের সংসারে আছেন, বাচ্চা নিয়ে স্বামী স্ত্রী ব্যাস্ততার মাঝে কোনো কিছুর অভাবই বোধ করেন না, সে মহিলাও যখন বাইরের কারো কাছে নিজের কপালের তিলের এত্ত প্রশংসা শুনেন তখন তার মনে হতে পারে, “ওর সাথে এত্তদিন সংসার করলাম, ও তো একটা দিনের জন্যেও এভাবে আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করলো না!”

নিজের বয়সের ব্যাপারে বাইরের পুরুষের প্রশংসা শুনে মহিলা, বারবার আয়নার সামনে নিজের চেহারা দেখেন। ভাবতে থাকেন, হ্যাঁ, আমি তো সুন্দরই। আর ওই পুরুষটাই আমার এ সৌন্দর্যের মূল্যায়ন করলো!
এভাবেই শুরু হয়, পৃথিবীর নিকৃষ্টতম সম্পর্ক পরকীয়া।

তথা কথিত একটা “ইনোসেন্ট প্রশংসা”ই ধ্বংস করে দিতে পারে একটা মানুষকে, একটা পরিবারকে! এটা ভাবার কোনো কারণ নাই যে, যারা “ভাবী” টার প্রশংসা করছে, এরা “ফ্রি মাইন্ড” এ ইনোসেন্ট মন নিয়ে করছে! নাহ, এরা অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কুমতলব নিয়েই প্রশংসা করে!!

যদি জীবনে সুখী হতে চান, কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। প্রশংসা শুনতে সবারই ভাল্লাগে। এভোয়েড না করলে, ধীরে ধীরে এদের ফাঁদে একদিন পড়বেনই।

সুত্র- কিছু মানুষের বাস্তব জীবন থেকে নেয়া ও ইন্টার নেট ।।
—সেলিনা জাহান প্রিয়া

Thursday, 31 January 2019

অবাক লাগে কি পায় এ সব মানুষরা ।
তাদের মন কেন তাদের চেহারার মত হয় না।
ছবিতে এত আলো মাখা কিন্তু নিজের জীবন কেন এমন হবে এদের ?
জানা নেই । শুধু মেয়ে মানুষই কেন বারবার এসব করে ?
এরা কোন মা-র জাত হতে পারে না।
এদের জন্য কোন আইন থাকতে পারে না।

সব ছবি গুলো নোংরা হয়ে গেছে।
কলমা পড়ে । বিয়ের পড়েও লাভ হয় নি অন্ধকার এ কে কোনটা আমি নিজেও হারিইয়ে ফেলেছি।

ধন্যবাদ।
স্বামীর ভালবাসা নিয়ে প্রেমিক বাহুজোর এ থাকা ব্যাশ্যাদের।
#collected

Mustafa Murshed Akash
ভাই এর টাইম লাইন থেকে----

আমার সাথে তানজিলা হক চৌধূরী মিতুর ২০০৯ সাল থেকে পরিচয় প্রচন্ড ভালবাসি ওকে । ও নিজেও আমাকে অনেক ভালবাসে আমরা ঘুরে বেড়ায় , প্রেম করে বেড়ায় আমাদের ভালবাসা কম বেশি সবাই জানে। অনেকে বউ পাগলাও ডাকত।২০১৬ তে আমাদের বিয়ে হয় বিয়ের কয়েকদিন আগে জানতে পারি কিছুদিন আগে শোভন নামে চুয়েটের ০৮ ব্যচের এক ছেলের সাথে ও হোটেলে রাত কাটায় আর কত কি লজ্জা লাগছে সব লিখতে।ততদিনে সবাইকে বিয়ের দাওয়াত দেওয়া শেষ আমাকে যেহেতু চট্রগ্রামের সবাই চিনে তাই বিয়ে কেনসেল করতে পারিনি লজ্জাতে। ওর মোবাইল এ দেখি ভাইবারে দেখতে পাই মাহবুব নামে কুমিল্লা মেডিকেলের ব্যচম্যটের সাথে হোটেলে সেক্সের ছবি শতশত ছবি। আমিতো বেচে থেকেও মৃত হয়ে গেলাম। তারপর ক্ষমা চাইল শবে কদরের রাতে কান্না করে পা ধরে আর কখনো এমন হবেনা। আমিও ক্ষমা করে দিয়ে ১বছর ভালভাবেই সংসার করলাম। তারপর ও দেশের বাইরে আমেরিকা গেল মাঝখানে একবার ঈদ পালন করতে আসল ,সেপ্টেম্বরে ২০১৮ আবার চলে গেল ইউএসএমএলই এর প্রিপারেশন নিচ্ছিল সাথে ফেব্রুয়ারীতে ২০১৯ এ আমার ইউএস এ যাওয়ার কথা। জানুয়ারী ২০১৯ জানতে পারি ও রিগুলার ক্লাবে যাচ্ছে মদ খাচ্চে প্যটেল নামে এক ছেলের সাথে রাত কাটাচ্ছে । আমি বারবার বলছি আমাকে ভাল না লাগলে ছেড়ে দাও কিন্তু চিট করনা মিথ্যা বলনা। আমার ভালবাসা সবসময় ওর জন্য ১০০% ছিল।আমি আর সহ্য করতে পারিনি ।আমাদের দেশেতো ভালবাসায় চিটিং এর শাস্তি নেই। তাই আমিই বিচার করলাম আর আমি চির শান্তির পথ বেচে নিলাম।তোমাদেরও বলছি কাউকে আর ভাল নালাগলে সুন্দর ভাবে আলাদা হয়ে যাও চিট করনা মিথ্যা বলনা।আমি জানি অনেকে বিশ্বাস করবেনা এত অমায়িক মেয়ে আমিও এসব দেখে ভালবেসেছিলাম।ভিতর বাহির যদি এক হত।সবাই আমার দোষ দিবে সবকিছুর জন্য তাই ব্যখ্যা করলাম।

আমার শাশুড়ী এর জন্য দায়ী এসবের জন্য, মেয়েকে আধুনিক বানাচ্ছে।একটু বেশি বানিয়ে ফেলেছে। উনি চাইলে এখনো সমাধান হত।

ও মা তুমি মাফ করে দিও তোমার স্বপ্ন পূরন করতে পারলামনা।মায়ের ভালবাসার কখনো তুলনা চলেনা।

বারবার বলছি ভাল না লাগলে আলাদা হয় যাও চিট করনা ,মিথ্যা বলনা বিশ্বাস ভাঙ্গিওনা।

হাজার হাজার ছবি আছে আরো খারাপ খারাপ দিলামনা যারা বিলিভ করবে এতেই করবে , না করলে নাই।এই ৯ বছরে বয়ফ্রেনড স্বামী স্ত্রীর মত আবার সাথে সবি করে গেল।

ও আমাকে আর কি ভালবাসল ? কিসের বিয়ে করল?
।আমি শেষ পর‍্যন্ত চাইছি সব চুপ রেখে সমাধান করে অকে নিয়ে থাকতে।আমার শশুড় আর শাশুড়ী কে বারবার বলছি উনারা সমাধান করতে পারত! আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী আমার বউ৯ টা বছর যাকে ১০০% ভালবাসছি, ওকে প্ররোচনা দিছে মইন মিথি নামে দুই ফ্রেন্ড ওর মা বাবা আমাকে মানসিক কষ্ট দিয়ে মারছে।আমাই এই বেইমানি মেনে নিতে পারিনাই।তারপর ও ভুলে আমি সুন্দর সংসার করতে চাইছি আমার শাশুড়ি শশুড় আর বউ নামের কলংক করতে দিলনাআমাকে প্রতি নিয়ত প্রেশার দিয়ে গেছে আমার বউ আমার মার নামে যা তা যা তা বলে গেছে। ।আমাকে ভাল না লাগ্লে ছেড়ে চলে যাইতে বলছি ১০০ বার।আমি বোকা ছিলাম তুমি সুখে থেক।অনেকেকে ওর ফ্যান বিলিভ করবেনা আমিঞ্জানি তবে এটাই সঠিক মরার আগে কেউ মিথ্যা বলেনা আর বাইরে থেকে মানুশের ভিতরের চেহারা বুঝা যায় না। ও সুন্দরী, পড়াই ভাল, গান পাড়ে সত্য কিন্তু ও ভাল অভিনেত্রী ভাল চিটার।যাদের ঈচ্ছা বিলিভ কবে যাদের ঈচ্ছা নাই করবেনা।তবে কাউকে ভালবেসে চিটার গিরি করনা।










Monday, 28 January 2019

বদিবৃত্তান্ত: এক দশকে আবদুর রহমান বদির নানা ঘটনাবলি

বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াল মাদকের নাম ইয়াবা। 'বাবা' নামে এটি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিশেষ করে তরুণদের মাঝে। সারা দেশে ইয়াবার মূল যোগান আসে মুলত মায়ানমারের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের এলাকা টেকনাফ থেকে। আর ইয়াবার সাথে জড়িয়ে সবচেয়ে বেশি যে নামটা শোনা যায়, তিনি কক্সবাজার-৪ আসন থেকে ২০০৮ এবং ২০১৪ দুই মেয়াদে সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সাংসদ আবদুর রহমান বদি। নিঃসন্দেহে টেকনাফ-উখিয়া এলাকার সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত মানুষ তিনি। একাধিকবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের একাধিক মাদক ব্যবসায়ীর তালিকার শীর্ষে এসেছে আবদুর রহমান বদির নাম।


# সাংসদ বদির ওপর নাখোশ ট্রাকমালিকরা

# নির্বাচনী কর্মকর্তাকে মারধর সাংসদ বদির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

# উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ বদির বিরুদ্ধে মামলা


 

# দুর্নীতি প্রমাণ হলে পদ ছেড়ে দেব: বদি 

# ইয়াবা ব্যবসায়ী তালিকার শীর্ষে বদি

# আয়কর বিভাগ থেকে সাংসদ বদি ও ইয়াবা ব্যবসায়ীকে সম্মাননা


# সম্পদের তথ্য গোপন মামলায় সাংসদ বদি কারাগারে

Tuesday, 22 January 2019

Why 15 August was inevitable?

এমনি এমনি ১৫ আগস্ট ঘটেনি_______
"রক্ষী বাহিনী এসে বিপ্লবকে প্রথম খুব মারধর করলো।.. খুব মেরে বিপ্লবের মা ও বাবাকে ডাকিয়ে আনলেন। তারপর বিপ্লবকে বললো,’কলেমা পড়’। বাধ্য হয়ে বিপ্লব হিন্দু হয়েও কলেমা পড়লো। এরপর বললো, ‘ সেজদা দাও পশ্চিমমুখী হয়ে।‘ ভয়ে বিপ্লব তাই করলো। যখন সেজদা দিল, পেছন থেকে বেয়োনেট চার্জ করে বাবা-মা ও অনেক লোকের সামনে হত্যা করলো তাকে। বেয়োনেট চার্জ করার সময় রক্ষীদের একজন বললো, মুসলমান হয়েছো, এবার বেহেশতে চলে যাও।...

আমার সাথে যে ৪০জনের মতো ছেলে রাজনীতি করতো তারা সবাই ছিল ব্রিলিয়ান্ট, ফার্স্ট ক্লাস পাবার মতো। শুধু বেঁচে আছি আমি ও আরেকজন। বাকী সবাই রক্ষী বাহিনী, মুজিব বাহিনী ও মুজিবের অন্যান্য বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে গৌতম দত্তকে গ্রেফতার করা হয় ঢাকায় এবং হত্যা করা হয় কাটুবুলিতে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে। রশিদকে হত্যা করা হয় রামভদ্রপুরে নিয়ে। ডামুড্যার আতিক হালদার, ধনুই গ্রামের মোতালেব এদেরকেও তাদের বাড়িতে নিয়ে আত্মীয়স্বজনের সামনে হত্যা করা হয়। পঁচাত্তরের প্রথম দিকে মোহর আলীকে ধরেছিল পুলিশে। শিবচর থেকে তাকে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তার শরীরের চামড়া খুলে লবণ মাখিয়ে তাকে হত্যা করা হয় এবং তার লাশ ডামুড্যা বাজারে টানিয়ে রাখা হয় কয়েকদিন। .... আঘাত এলো সিরাজ সরদারের উপরে। তিনি পালিয়ে গিয়ে সিরাজ সিকদারের বাহিনীতে আশ্রয় নিলেন। সিরাজ সিকদার তাকে চারজন গার্ড দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। একদিন তাকে ডেকে নিয়ে এলো। এরপর ঘেরাও করে প্রথমে তারা সিরাজ সিকদারের দেয়া চারজন গার্ডকে হত্যা করলো। আর সিরাজ সরদারকে নিয়ে এলো নদীতে। নৌকার মাঝির বর্ণনামতে, প্রথমে তারা সিরাজ সরদারের হাতের কব্জি কাটল, তারপর পা ও অন্যান্য অংগ প্রত্যঙ্গ কেটে এবং শরীরের মাংস কেটে টুকরো টুকরো করে নদীতে ফেলে দিলো।"

(সাম্যবাদী দলের নেতা শান্তি সেনের বর্ণনা)       https://www.bishorgo.com/user/164/post/363

Saturday, 22 December 2018

আওয়ামীলিগের রাজাকার পুনর্বাসনের ইতিহাস

আওয়ামীলিগের রাজাকার পুনর্বাসনের ইতিহাস
=================================
সূত্র - মেজর নাসির উদ্দিন
গনতন্ত্রের বিপন্ন ধারায় বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী!!

Wednesday, 19 December 2018

গোলাম আযমের নাগরিকত্ব প্রাপ্তি বিষয়ে যে সত্যগুলো সবার জানা প্রয়োজন:

গোলাম আযমের নাগরিকত্ব প্রাপ্তি বিষয়ে যে সত্যগুলো সবার জানা প্রয়োজন:

১/ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর গোলাম আযম পাকিস্তান চলে যান। ১৯৭৩ সালের ২৮ এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে লন্ডনে অবস্থানরত গোলাম আযমসহ মোট ৩৮ জন বাংলাদেশ বিরোধী কিন্তু জন্মগতভাবে বংলাদেশী হবার যোগ্য লোককে নাগরিকত্ব পাবার জন্য অযোগ্য ঘোষনা করা হয়।

২/ ১৯৭৬, ৭৭ এবং ৭৮ সালে গোলাম আযম তিনবার তার নাগরিকত্ব ফেরত পাবার জন্য আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হবার পর ১৯৭৮ সালের মৃত্যুপথযাত্রী মাকে দেখার জন্য মানবিক কারণে ভিসা পেয়ে পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। অতপর ভিসার মেয়াদ শেষ হবার পরও অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করতে থাকেন।

৩/ ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ প্রধান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর পক্ষে সমর্থনের জন্য জায়নামাজ আর তসবী নিয়ে গোলাম আযমের ধর্না দিলে গোলাম আযম বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করার উৎসাহ পান এবং ১৯৯২ সালে জামায়াতে ইসলামীর আমীর হন।

৪/ গোলাম আযম জামায়াতে ইসলামীর আমীর হবার পর তৎকালীন বিএনপি সরকার গোলাম আযমকে ভিসা শেষ হবার পরও অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করার কারণে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে এবং রমজানের সময়সহ একটি দীর্ঘ সময় গোলাম আযমকে কারাগারে থাকতে হয় (কারাগার মানে চৌদ্দ শিক, পিজি হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভিভিআইপি এসি কেবিন নয়)।

৫/ জেলে বন্দী অবস্থায় গোলাম আযম বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন।

৬/ সেই সময় বিএনপি সরকারের এটর্নি জেনারেল ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী পন্থী আইনজীবী আমিনুল হক। তিনি শাহাবুদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিয়োগ পেলেও বিএনপি তাঁকে ঐ বদে বহাল রেখেছিলো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ঐ পদে বহাল ছিলেন। উনার আরেকটি পরিচয় হচ্ছে উনি ছিলেন আগরতলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের ভাই। আমিনুল হক অত্যন্ত যত্ন করে মামলা সাজিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে গোলাম আযম সম্পর্কে যে সকল তথ্য বর্তমানে ব্লগে বা বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়, তার প্রায় সবকিছুই সেই সময়ের এটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের গবেষনা, সংগ্রহ ও গ্রন্থনার অবদান। কিন্তু আমিনুল হক তাঁর জীবনের শ্রেষ্ট লড়াই করেও আপিলেট ডিভিশনের ফুল বেঞ্চে সরকার পক্ষের মামলা হেরে যান এবং গোলাম আযম নাগরিকত্ব ফেরত পায়।

৭/ বিএনপি সরকার মামলায় হেরে গেলেও তখন হাইকোর্টের ফুল বেঞ্চে কারা ছিলেন একটু দেখে নেয়া যাক:
(ক) প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ (১৯৯০ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রেসিডেন্ট),
(খ) বিচারপতি হাবিবুর রহমান (১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান),
(গ) বিচারপতি লতিফুর রহমান (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান),
(ঘ) বিচারপতি মোস্তফা কামাল (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি),
(ঙ) বিচারপতি মুনীর রেজা চৌধুরী (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি)

Wednesday, 5 December 2018

মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সনদ বিতরণ করছেন জয়নাল আবেদীন ভিপি

আজকে ফেনী মুক্ত দিবস।
আর ছবিতে যাকে দেখছেন মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সনদ বিতরণ করছেন,উনার নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন (ভিপি
জয়নাল)।মুক্তিযুদ্ধের সময় যিনি ছিলেন বাংলাদেশে লিবারেশন ফোর্সের জোনাল কমান্ডার,যার হাতে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয় মুক্ত ফেনীর বুকে। যার বর্তমান পরিচয় হচ্ছে ফেনী সদর-২ আসনের ধানের শীষ মনোনীত বিএনপির প্রার্থী।

সারা দেশে প্রতি জেলায় এমন অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছেন যারা শহীদ জিয়ার বিএনপির অংশ হয়ে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন নীরবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপি ব্যাবসা করে না।মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপি এবং তাঁর সমর্থকেরা গর্ব করে। একারনেই তারেক রহমান সহ বিএনপির কোটি সমর্থক গর্ব করে বলতে পারে।

"বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল নয়,বিএনপি হচ্ছে
মুক্তিযুদ্ধের দল মুক্তিযোদ্ধাদের দল"

পোষ্ট কার্টেসীঃ Monirul Hasan