Thursday, 19 November 2015

আমজনতার মঞ্চ

আমজনতার মঞ্চ
ফাঁসি নিশ্চিত করতেই সফল বাতিল? যে ব্যক্তি নাকি হাগতে-মুততে বিদেশ যাবার সুযোগে খুঁজে, আর যাই হোক, কারণ ছাড়া ফ্রান্স সফর বাতিল করেছে বিশ্বাস করি না। করতেও চাই না। চারিদিকেই রাবণের চিতা, কবর, ফাঁসির শ্লোগান, ফাঁসির দড়ি, ফাঁসির মঞ্চ, মেইড ইন ভারত জাহাজ, সচিবালয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত... বছর জুড়ে ঠান্ডা মাথায় খুনের উৎসব দেখতে চাইলে বাংলাদেশে আসুন। এখানে লেগে থাকে পাইকারি খুনের উৎসব, আসবেন, দেখবেন, ফাঁসির মাংসের কাবাব খাবেন, আনন্দ করবেন। 
মৃত্যুদন্ডের প্রতি আওয়ামী নেত্রীর তীব্র উম্মাদনাকে একমাত্র ঐশীদের ড্রাগ উম্মাদনার সঙ্গে তুলনা করা যায়। ড্রাগে উত্তেজিত ঐশী যেমন, বাবা-মায়ের রক্ত নিজের হাতে মাখতে গর্ভধারিণীর বুকে চাকু চালিয়েছিলো, মাথায় সমান উত্তেজনাসহ আওয়ামী নেত্রীও গোটা দেশটাকে করে ফেলেছে মৃত্যু কারাগার। সকালে বিকালে মৃত্যু ছাড়া কথা নেই। র্যা বের হাতে মৃত্যু। পুলিশের হাতে বিরোধীদলের নেতাকর্মী খুন। কারাগারে আসামীর মৃত্যু। রাস্তায় পড়ে থাকা লাশ এবং বিরোধীদল হলেই বিচাপতিদের ফাঁসির রায় অবশ্যই নিময়। ফাঁসি, ফাঁসি আর ফাঁসির জাতি এখন ফাঁসির নদীতে ডুবে মরছে। ফাঁসির আতশবাজিতে বিষাক্ত বাংলার আকাশ-বাতাস এখন কালো। 
পাগলা গারদ ভেঙ্গে পালিয়ে যাওয়া রোগিদের মতো রাস্তায় ছুটছে আওয়ামী চেতনাবাদিরা। আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সকলেরই একহাতে হাসিনা পতাকা, অন্য হাতে ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই। এ যেন প্রাগৈতিহাসিক কোন দেশ যেখানে প্রতিটি ইঞ্চিতেই অন্ধকার আর অন্ধকার। এখানে এখন আর কোন আলো নেই, বাতাস নেই, বোধ-বিবেক শূন্য এবং অমনুষ্যত্বের মহামারিতে আক্রান্ত এক অদ্ভুত প্রাগৈতিহাসিক বন্য প্রাণী। এই জাতি তিনবেলাই পানির বদলে রক্তপানে অভ্যস্ত ড্রাকুলা। ভাতের সঙ্গে গরুর বদলে মানুষের মাংসের প্রতি তীব্র আসক্তি। রক্ত না খেলে মাথা বিগড়ে যায়। রক্ত খাওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছে মন্ত্রীরা। কেউ বলছে ৭ দিনের আগেই ফাঁসি, কেউ চাইছে শনিবারের পরেই, কারো বক্তব্য পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রয়োজন নেই, যেন এই মুহূর্তেই ফাঁসি দিলে, কারো গর্ভের সন্তান অকালেই ভূমিষ্ঠ হয়ে যাবে। যেন কারো মাথা বিস্ফোরণ হয়ে মারা যাবে। যেন কারো বীর্যপাত আটকে যাবে। 
আমার কথা, যে দেশে বাকশালী স্টেট আছে সেই দেশে ইসলামিক স্টেট প্রয়োজন আছে? এই স্টেন ইসলামিক স্টেটের চেয়েও ভয়ংকর। ইসলামিক স্টেট লুকিয়ে মানুষ খুন করে, আওয়ামী লীগ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ খুন করে। ইসলামিক স্টেট পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, আওয়ামী লীগ যুদ্ধ ঘোষণা করেছে তাদের বিরুদ্ধে যারা ভারতের উপনিবেশ হতে চায় না। যারা সিকিম কিংবা ভূটান হতে চায় না। 
হাসিনাকে সৃষ্টি করেছে দিল্লি, হাসিনাকে লালন্তপালন করছে দিল্লি। এই দেশের জল, নৌপথ এবং সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ভারতীয়দের রাজত্ব। প্রেক্ষাগৃহগুলো দখলের চুক্তি প্রায় শেষ। এই দেশের বাজার জুড়ে মেইড ইন ভারত। হাসিনাকে সৃষ্টি করেছে, ১৫০ বছর আয়ু দেবে দিল্লি।
সুতরাং আইএস্তকে যারা ভয় পায়, পশ্চিমাদের উচিত আওয়ামী লীগের দিকে তাকানো। আওয়ামী নেত্রী যেভাবে বিরোধীদল খুনের এজেন্ডায় লিপ্ত, ইসলামিক স্টেট কখনোই ওই পর্যায়ে নয়। পশ্চিমাদের এখন উচিত, হাসিনার মুখ থেকে গণতন্ত্রের মুখোশটি খুলে ফেলে, বাকশালী স্টেটকে পৃথিবীর সামনে উম্মোচন করে দেয়া। এই বাকশালী স্টেট এবং দিল্লি মিলে ৫ জানুয়ারিতে হিন্দু জিহাদের মাধ্যমে এই দেশ থেকে গণতন্ত্রকে তুলে নিয়ে ফাঁসিকাষ্ঠে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করেছে। হাসিনাকে জন্ম দিয়েছে দিল্লি, দুধ খাওয়াচ্ছে দিল্লি, হিন্দু জিহাদে এরশাদ-হাসিনাকে কাজে লাগিয়েছে দিল্লি।
এক সপ্তাহে ৮ হাজার গ্রেফতার? দেখামাত্রই খুনের নির্দেশ? ইসলামিক স্টেট আমি ঘৃণা করি, ঘৃণা করি তাদের সন্ত্রাসী রূপ। আমি তার চেয়ে অধিক ঘৃণা করি বাকশালী স্টেট, যারা গণতন্ত্রের মুখোশ পড়ে ইসলামিক স্টেটের চেয়ে ভয়ংকর এজেন্ডার পতাকা হাতে নির্বিচারে মানুষ খুন করছে। এই দেশ থেকে বিরোধীদলের সংস্কৃতিকে হত্যা করেছে আলবাগদাদি নেত্রী। পশ্চিমাদেরকে বলছি, যারাই ইরাকে আলবাগদাদিকে খুঁজছে, আমরা তোমাদেরকে ধরিয়ে দিচ্ছি বাংলাদেশি আলবাগদাদি, যে নাকি নির্বিচারে মানুষ খুন করছে, যে নাকি গোটা বাংলাদেশকে কারাগার বানিয়ে ফেলেছে...। কিন্তু পুঁজিবাদের স্বার্থে তোমারা বাংলা আলবাগদাদিকে চেনো কিন্তু ধরছো না। মানবসম্পদ আমাদের অভিশাপ, তোমাদের আশির্বাদ। তোমরাই তাজরিন পুড়িয়ে কাবাব খেয়েছো, রানাপ্লাজায় লাশের ব্যবসা করেছো, এখন তার লভ্যাংশ দিয়ে পুঁজিবাজারের আকার আরো বাড়িয়ে দিয়েছো। তোমাদের উচিত ছিলো ব্যবসার বদলে জনসংখ্যা রোধে জাহাজ ভরে মায়াবাড়ি আর রাজা কনডম পাঠানো। মানবসম্পদের অভিশাপে অভিশপ্ত আমরা, পুঁজিবাদের পদপিষ্ঠে চাপা পড়ে মরছি।

বাকি, দেশটাকে জেলখানা ঘোষণা করা। এমনই বিভীষিকা করেছিলো ঐতিহাসিক মাও, স্টালিন, লেলিন। বলেছিলো গণতন্ত্রের কথা, আনলো রেডিক্যাল কম্যুনিজম। চেয়ারম্যান মুজিবের হাতে গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস অস্বীকার করবে এমন সাহস কার? বিশ্বাস না হলে ইন্টারনেট ঘেটে দেখতে পারেন। বাংলাদেশিদের উচিত, ইন্টারনেটে ঢুকে বাংলাদেশের কম্যুনিজম গবেষণা করা। মুজিবকে জন্ম দিয়েছিলো দিল্লি, মুজিবকে হত্যা করেছে দিল্লি। পরবর্তীতে হাসিনাকে কিছুদিন লালন্তপালনের পর যুবতী বানিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলো আলবাগদাদির রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে। এরাই হত্যা করেছিলো জিয়াউর রহমানকে। ১ম বাকশালের বলি প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশি। এই বাকশালের বলি লক্ষ লক্ষ। বয়স প্রায় ৭০, নিজেও গর্ভধারিণি, এক পা কবরে, তার উপর শস্য-শ্যামল বাংলার নারী। বুড়া বয়সে নারীর পেটে এতো রক্তক্ষুধা কি ড্রাকুলার সঙ্গে তুলনা করবো? মনে তো হচ্ছে সেটাই। ঘুম থেকে উঠেই রোগ, রক্ত চাই, রক্ত চাই। এতো রক্ত খেয়েও পেট ভরছে না ড্রাকুলা নারীর। বড়ই ভাগ্যবান ড. ওয়াজেদ মিয়া। স্বামীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দুইটা অজগর পয়দা করে, দেশটাকে অজগরের হাতে তুলে দিয়ে নিজে শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন কবরে।

কোথায় নিয়ে গেলো দেশটাকে! সারা বাংলাদেশে আগুন জ্বালিয়ে, ওই আগুনে আলুভর্তা খাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দাউ দাউ করে জ্বলছে বাংলাদেশ কিন্তু আলুর চপ তাদের লাগবেই। গুন্ডা শামীম ওসমানকে যারা তৈরি করেছে, তারাই বাংলা আলবাগদাদি। তাদেরকে না ধরে হাজার হাজার শামীম ওসমানদেরকে ফাঁসি দিলেও কিছুই হবে না। এই দেশে অজগর ওসমানদের ফ্যাক্টরি খুলেছে বাংলা বাগদাদি। ঘর পুড়িয়ে আলুর চপ খাওয়াচ্ছে দেশি-বিদেশি অতিথিদেরকে। জন্মদিনের কেক কাটার মতো, আলুর চপ খাও আর ফাঁসি দাও। ফাঁসি দিতেই হবে, তা না হলে আকাম কুকামের জন্য যে পরিণতি সামনে অপেক্ষা করছে, দিল্লির চেষ্টাতেও রক্ষা হবে না। বিদায়ের আগে সবকটাকেই ফাঁসি দিতে হবে কারণ এর নাম ১৫ আগষ্টের প্রতিশোধ এবং হাতে সময় খুব কম। তাই যত দ্রুত সম্ভব, ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি। গণেশ উল্টে গেলেও যেন দেশ চালানোর মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া না যায়। 
বিচারপতিদের বিচারহীনতা কতো বলবো? এরা সব হাতের পুতুল। ন্যায়-নীতি, বিচার-বিবেক বহু আগেই আলুর চপ বানিয়ে খেয়ে ফেলেছে এবং চপ খাওয়া বিচারকেরাই নিয়োগ পেয়েছে। এখন এটর্নী জেনারেল যা বলে পরদিনই দেখা যায় রায় হিসেবে প্রতিফলিত হচ্ছে। উপরতলার নির্দেশে দেশের বিবেক আজ মীরজাফরের দাস। মীরজাফরেরা যা চায়, আদালত সেটাই করছে। এরাই কিন্তু দেশটাকে ব্রিটিশের হাতে তুলে দিয়েছিলো। বিচাপতিদের প্রতি আস্থা? ভিকটমদেরকে বলবো, আপনারা পাগলদের প্রতি অধিক আস্থা রাখুন। পাগলদের বিবেক নেই, তাই তাদেরকে দোষ দেয়া যায় না।

মানবতাবিরোধীদের বিচার করে কলঙ্কমুক্ত হচ্ছি নাকি সারা শরীরেই কলঙ্কের কালি? একটা গান আছে, আমি কূলহারা কলঙ্কিনী। বাংলাদেশ এখন সবকূলহারা কলঙ্কিনী। বিচারের নামে বাংলাদেশের পতাকা এখন আলকাতরার মতো কালো। যাদের হাতে মুক্তিযুদ্ধের রক্ত তারা কি করে কলঙ্কমুক্ত করবে? মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস ১০ দিন যারা দেশে-বিদেশে পাকিস্তানীদের জরায়ুতে, তারা কি করে কলঙ্কমুক্ত করবে? ৯ মাস ১০ দিন শেষ হলে, যারা গিয়ে আশ্রয় নিলো ভারত মাতার জরায়ুতে, তারা কোন যোগ্যতায় মানবাতাবিরোধীদের বিচার করবে? তাদের কি সেই ক্ষমতা, সেই যোগ্যতা আছে? মুক্তিযুদ্ধের সময় তারাই তো ১৮০০ মাইল দূরত্বে থেকে পাকিস্তানীদের সঙ্গে আঁতাত করেছিলো। করেনি? না হলে, ২৫শে মার্চ তারিখে পাকিস্তানের পথে ভূট্টোর সঙ্গী হলো কে? ভূট্টো কি কাউকে জোর করে নিয়ে গিয়েছিলো? তাজউদ্দিনের কন্যার বইটি কি সেই কথা বলে? বরং বলে, স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে চায়নি মুজিবকাকু। এইসকল ঘটনা এখন আর ঐতিহাসিক বিতর্ক নয় বরং প্রমাণিত। পাকিস্তানের জেলে ফুরফুরা মুজিব যখন বের হয়ে এলেন, কেউ কি বলবে, ভূট্টো তাকে নির্যাতন করেছিলো? নাকি সায়ত্বশাসনের দাবিতে মুজিব নিজেই ড্রাইভারের সিটে বসে দেনদরবার করেছিলো। ওই ৯ মাস ১০ দিন, রাও ফরমান আলীর সরাসরি হেফাজতে মুজিব পরিবার। যখন সার্চলাইটে হাজার হাজার মানুষ খুন হলো, মুজিব পরিবার তখন ৩২ নম্বরে। তাদের শরীরে কাটার আচড়টিও লাগেনি। কিন্তু তাহলে ২৬শে মার্চের হত্যাকান্ড হলো কাদের নির্দেশে এবং কোত্থেকে? জাতির এই মহাবিপদের দিনে, মুজিব কেন ১৮০০ মাইল দূরে এবং তার পরিবার কেন রাও ফরমান আলীর আতিথ্যে বহালতবিয়তে? কেন গর্ভবতী হাসিনাকে পুত্রের মুখ দেখাতে, রাও ফরমান আলীর মহব্বতে এতোটুকুও কমতি ছিলো না। বরং জীপে করে পাকিস্তানীদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে নিয়ে সজীবের আগমন ঘটালো। এই দৃষ্টান্ত কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নাকি বিপক্ষের শক্তির? 
যখন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির অপবাদে একটি চিিহ্নত জনগোষ্ঠিকে নির্মূল করছে বাংলা বাগদাদি, তখন ইতিহাস সাপেক্ষে প্রশ্ন তুলতেই হবে, আসলেই কারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি! আমি কোন দল করি না কিন্তু জানি, জিয়াউর রহমান ছিলেন সেক্টর কমান্ডার কিন্তু মুজিব পরিবার কোথায় ছিলো? তাদের পরিবার ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩২ নম্বরে এবং বের হয়েই ভারতের জরায়ুতে। এখন বলেন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি কে? যাদের হাতে মুক্তিযুদ্ধের রক্ত, তাদের কোন অধিকার নেই মানবতাবিরোধিদের বিচার করার। কোন অধিকার নেই বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্তর নামে আরো কলঙ্কিত করা। ট্রাইবুন্যাল নিয়ে বিশ্বজুড়ে ছিঃ ছিঃ। যারাই মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস ১০ দিন পাকিস্তানের জরায়ুতে, এই দেশের মানুষের যদি বিবেক বলে কিছু অবশিষ্ট থাকে, উচিত শান্তিপূর্ণ বাংলা বসন্ত এনে, বাংলা বাগদাদিকে বাংলা থেকে দিল্লিতে পাঠিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বানাও।

এরপর কি বলবে তারানা? বলবে, সেক্স করা বন্ধ রাখতে হবে? যতোসব ফাজিলের কারবার। এইগুলা তেলাপোকারও যোগ্য না। ফেইসকুক, টেঙ্গো, ভাইবার... সব বন্ধ করে দিয়েছে। অন্ধকারে চাপা পড়ে গেছে বাংলাদেশ। সর্বত্রই অন্ধকারের ধোঁয়া। যেদিকেই তাকাই, আকাশ অন্ধকার, বাতাস অন্ধকার, কান অন্ধকার, কণ্ঠ অন্ধকার, মন অন্ধকার, জিহ্বা অন্ধকার, দুই চোখ অন্ধকার...। অন্ধকার ঘিরে ফেলেছে সকলের আত্মা-প্রেতাত্মা, লৌকিক-পারলৌকিক যা কিছু। মনে হচ্ছে আকাশ ভেঙ্গে অন্ধকারের বৃষ্টি হচ্ছে আর সেই বৃষ্টিতে নূহের প্লাবনের মতো আমরাও ডুবে যাচ্ছি। আমাদের উদ্ধারের জন্য নেই কোন তিমিমাছ, নেই নূহের নৌকা। আমরা সবাই অন্ধকারের কালো প্লাবনে তলিয়ে যাচ্ছি আর ওপার থেকে ফেরাউন তার দলবল নিয়ে ক্রমাগত গুলি করছে। আমরা ফিরে গেছি ৪ হাজার বছর আগের মিশরে, যেখানে শাসনের নামে অন্ধকারের অত্যাচার চালিয়েছিলো ফেরাউন।
শিশু জন্মালে একদিন সে যুবক হয়। আওয়ামী লীগের সদস্য হলে যৌবনে সে ফেরাউন হয়। দেশজুড়ে আজ ফেরাউনদের রাজত্ব। ঘরে ঘরে ফেরাউন বানানোর কারখানায় উৎপাদন হচ্ছে শামীম ওসমান, বদি, রানা, মিজান, লতিফ সিদ্দিকী, তারানা হালিম, হানিফ, হাসান মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী, ত্রাণমন্ত্রী... ফেরাউনের বাচ্চারা। এই দেশের র্যা ব ৭ মার্ডারের সঙ্গে সম্পৃক্ত যার শ্বশুর একজন ত্রাণমন্ত্রী, এখনো যে ক্ষমতায়। অথচ কারাগার ভরে ফেলেছে মির্জা ফকরুলদের মতো নিরীহ নির্দোষদের দিয়ে। আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে, আর সেই সঙ্গে নেমে আসছে প্রেতাত্মা ফেরাউনরা। এরাই আমাদের ভাইবার, ফেইসবুক, ট্যাংগো বন্ধ করে দিয়েছে। যারা আমাদের স্যোসাল মিডিয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। যারা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে। যারা ইন্টারনেটে ঢুকে সকলের মুক্তচিন্তার জগতে ফেরাউনের মতো হানা দিয়ে, চিন্তা এবং বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করেছে। 
এই তারানা হালিম যে নাকি নাটকের দুশ্চরিত্র এবং পরবর্তীতে খুনি স্বৈরাচারের শয্যাসঙ্গী, খালেদাকে গালিগালাজের প্রতিযোগিতায় ১ম হয়ে বাংলা বাগদাদির মন্ত্রীসভায় প্রতিমন্ত্রী। এই তারানা হালিম, যার নাকি ইফতারের হালিম হওয়ার যোগ্যতাও নেই, সেই হালিম এখন সানি লিওনের মতো তারকা। এখন সে বাকশালী স্টেটের সদস্য হয়ে, হনুমানের হাতে খন্তা অর্জন করেছে। আর সেই খন্তা দিয়ে লন্ডভন্ড করছে সোস্যাল মিডিয়ার মতো অধিকারের অধিকার। কেড়ে নিচ্ছে ফোনের সিম, ভেঙ্গে ফেলছে এ্যাপস্‌, উৎপাটন করছে গুগলের ওয়েব। 
জোক যখন রক্ত খেতে শুরু করে, পেট না ভরা পর্যন্ত থামে না। এর অর্থ হলো, পেট ভরে গেলে জোকও ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু যারাই তারানা হালিমের মতো জোকের উদারহণ, অলৌকিক কিছু না ঘটা পর্যন্ত তারা যে থামছে না, সেটা পরিষ্কার।

খালেদা জিয়া বড় বেশি গান্ধিবাদি হওয়ায় আমাদের কপাল পুড়লো। তবে ইসলামিক স্টেটের শিক্ষাগুরু কে, সেটাই প্রশ্ন। আমি বাকশালী স্টেট দেখা মানুষ, আমার ধারণা ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে পার্থক্য একটাই, ইসলামিক স্টেট গোপন হামলা করে। বাকশালী স্টেট সংসদ এবং আদালত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেঁচে থাকার অধিকারে হামলা করে। আদালতকে ব্যবহার করে ফাঁসির সংস্কৃতি চালু রেখেছে বাংলা বাগদাদি স্টেট। বিশ্বে ভয়ংকর যা কিছু, অন্যতম গণতন্ত্র। যারাই এর মুখোশ পড়ে, ইসলামিক স্টেটের মতো তাদেরকে ধরা যায় না। তাদেরকে শাস্তি দেওয়াও যায় না। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধও ঘোষণা করা যায় না। বরং তারাই একটি সুস্থ জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে যা কায়েম করে, উদাহরণ বাকশালী স্টেট বাগদাদির বাংলাদেশ। 
খালেদার গান্ধিবাদ, বাংলাদেশের মরণফাঁদ।

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে বয়সে বাড়ে। ড. আনিসুজ্জামানের মতো শিক্ষকেরা বয়সে বাড়লে মাস্তানের আকার ধারণ করে। এরা হচ্ছে সেইসব ভদ্রবেশি, ছদ্মবেশি, শিক্ষকেরও শিক্ষক, যারা বড় হয়েছে আর নিজেদেরকে পর্যায়ক্রমে ময়লা করেছে। আর সেই ময়লা ছড়িয়ে দিয়েছে ছাত্রদের মাঝে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেইসব ছাত্ররা ড. আনিসুজ্জামানের মতো শিক্ষকদের কাছে শিক্ষিত হয়ে বাস্তব জীবনে হয়েছে একেকটা আলবাগদাদি। মনে আছে একটার পর একটা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা? মনে আছে, ছাত্রলীগ, যুবলীগের ঘরে ঘরে রামদা, চাপাতি, ফেনসিডিল আর পেট্রোলবোমা আবিষ্কার? কারা দোষ দেয় জামায়েত-শিবিরকে? কারা সাহস জামায়েত-শিবিরকে সন্ত্রাসী? আমি তো দেশজুড়েই দেখছি ড. আনিসুজ্জামানের মতো চাপাতি শিক্ষকরা, চাপাতি বানায়। চাপাতি ছাত্ররা চাপাতি আর পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করে। তাদের হাতে বই নেই, মনে আলো নেই, মুখে কবিতা নেই, হৃদয়ে সংগীত নেই, বরং তাদের হাতে পেট্রোলবোমা, মনে ফেরাউনের অন্ধকার, মুখে ইমরান সরকারের ফাঁসির শ্লোগান। 
দিনের আলোয় বকশিবাজারে হাজার হাজার জগন্নাথ কলেজের ছাত্রলীগ, যুবলীগ এসে ঝাপিয়ে পড়েছিলো বিশ্বজিতের উপর। জনে জনে চাপাতি হাতে কসাইখানার গরুর মতো জ্যান্ত যুবক বিশ্বজিতের গায়ে একটার পর একটা কোপ মেরে যেভাবে রক্ত ঝরিয়েছিলো, এরপর শিক্ষক আনিসুজ্জামানদেরকে কোলে বসিয়ে চুমা খাবো না? এইসকল ভন্ডপীর, ভন্ডশিক্ষক, ভন্ডচেতনাবাদি আছে বলেই তো বাংলাদেশের ঘরে ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে, পক্ষের শক্তিরা আলুরচপ খাচ্ছে।
ড. আনিসুজ্জামানের খুব মনোকষ্ট হয়েছে। এই ভন্ডপীর বললেন, “ভাবিনি এই বয়সে চেতনার জন্য বক্তব্য দিতে হবে।” ভারতের দালাল এইসব প্রতারকদের কাছে প্রশ্ন, চেতনার অর্থ কী? কার কাছে চেতনা? চেতনার ওজন কতো? আকৃতি কেমন? চেতনা লম্বায় কয় ফুট এবং দৈর্ঘ্য-প্রসে' কয় গজ? চেতনার কাথা পুড়িয়ে আমি আলূভর্তা খাই। এইসকল চেতনাবাদি দালালদের জন্যই একটি সুস্থ সবল বাংলাদেশ এখন প্রায় মৃত শিশু। শিশুটির শরীর জুড়ে ক্যান্সার। প্রায় সব মাংসই পচে গেছে। আর ভারতের দালাল চেতনাবাদিরা, রাস্তায় দাড়িয়ে ধান ভানতে শিবের গীত।
ভ্রষ্ট শিক্ষক আনিসুজ্জামান, দুই দেশেরই দালাল, স্বাধীনতার সর্বনাশ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। ভ্রষ্ট শিক্ষককে প্রশ্ন, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যে দলটি দেশে-বিদেশে পাকিস্তান এবং ভারতের জরায়ুতে বড় হয়েছে, তারা কি করে কলঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ আনবে? যাদের হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ত, তারা কি করে মানবাতাবিরোধীদের বিচার করবে? ড. আনিসুজ্জামানের কি মনে নেই মুজিববাহিনী, রক্ষিবাহিনীর কথা? তিনি কি মন্ত্রীসভায় অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই রাজাকার মন্ত্রীকে চোখে দেখেন না? ওই লোক তো বাপের সঙ্গে বহু মুক্তিযোদ্ধা খুন করেছে। আজ তিনি চেতনার জন্য দুঃখ করেন কিন্তু মুজিববাহিনী আর রক্ষিবাহিনী এই দেশের মানুষের যতো রক্ত খেয়েছিলো, সেটার জবাব কি এই ভারতীয় দালাল দেবেন? 

এইসকল সুবিধাবাদি পীরদেরকে যতোদিন চিহ্নিত না করবে যুবক-যুবতীরা, ততোদিন বকশিবাজারের ছাত্র-ছাত্রী হয়ে থাকবে। এই সকল ভন্ডপীরদের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ঢুকে রাজনৈতিক দলের টাকায় ছাত্রদের মস্তিষ্ক নষ্ট করা। যেন বের হয়েই বকশিবাজারের উ
দাহরণ হয়ে যায়। শিক্ষকের হাতে চাপাতি? দেখা মাত্র পুলিশে দিন। জয়বাংলা।

Wednesday, 21 October 2015

মানবাধিকার লংঙ্গনের উপর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে পুলিশের বাধা 

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্গনের উপর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। প্রদর্শনীতে ব্যাবহারের জন্য আনা সাউন্ড সিস্টেম, প্রজেক্টর এবং ব্যানার কেড়ে নিয়েছে পুলিশ। ''ডেথ স্কোয়াড'' চলচ্চিত্রটি নির্মান করেছেন বিশিষ্ট চলচিত্রকার, ব্লগার এবং মানবাধিকার কর্মী আজিমুল হক খান। বাংলাদেশে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্গনের উপরে তিনি প্রামান্য চিত্রটি নির্মান করেছেন। পুলিশী বাধায় বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রদর্শনীর বিষয়ে তিনি বলেন ''আমরা কি সভ্য সমাজে বসবাস করছি ? নির্যাতিত মানুষেরা কি প্রতিবাদ ও করতে পারবেনা ? পুলিশ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে প্রদর্শনী বন্ধ করে দিয়ে।'' বাংলাদেশ কি পুলিশ স্টেটে পরিনত হয়েছে, তিনি প্রশ্ন রাখেন। গতকাল পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরাম। হত্যা গুম, খুন, অপহরণ এবং বিচারবিহীন হত্যাকান্ড নিয়ে নির্মিত প্রামান্য চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। প্রামান্যচিত্রটি নির্মানের শুরু থেকেই পরিচালক আজিমুল হক খানকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরাম এর সভাপতি জাহিদ হোসাইন। তিনি পুলিশ মহা পরিদর্শকের কাছে এর ব্যাখ্যা দাবি করেন। প্রদর্শনীতে আসা টিআইবির চেয়ারপারসন এবং আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল বলেন, ‘সারা দেশে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক গুম, অপহরণ হত্যা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন শঙ্কিত। আমাদের এই শঙ্কা জানাতে এবং নির্যাতিতদের পক্ষে দাড়াতে আমরা এইখনে এসেছি। এতেও যে পুলিশ বাধা দিয়েছে, তার প্রতি আমরা ধিক্কার জানাই। আমাদের শেষ মৌলিক অধিকারটুকু সঙ্কুচিত হতে চলেছে। এটা হতে পারে না। আমরা আশা করি সরকার তা বুঝতে পারবে। নির্মাতা আজিমুল হক খানকে হয়রানি না করার জন্য তিনি আহবান জানান।’ আইনজীবী শাহদিন মালিক বলেন, ‘এ দেশে যেন গুম ও অপহরণ না হয় সে দাবি জানাতেই আমরা একত্রিত হয়েছি। এ সমস্ত অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’ তিনি প্রামান্য চিত্রটি প্রদর্শনীর দাবি জানান।’ সুজনের কেন্দ্রীয় সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সমাবেশে বলেন, ‘যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ জানানো নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধা সৃষ্টির ক্ষমতা রাখে না। পুলিশ অন্যায়ভাবে এই চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী বন্ধ করেছে।’ অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, গুম, অপহরণ ও হত্যাকারীদের বিচার সরকারও চায়। তাহলে এই প্রামান্য চিত্র প্রদর্শনীতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন? আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুনি দানবে পরিনত হয়েছে। বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে। রাত আটটার দিকে আগত অতিথিদের বের করে দিয়ে পুলিশ মিলনায়তনে তালা বন্ধ করে দেয়।

Saturday, 12 September 2015

নারী অধিকার ; স্বাধীনতা নাকি সুবিধা? Women's Right : Freedom or Privilege?

নারী অধিকার ও আমাদের সমাজে নারীদের আইডিওলোজি নিয়ে অনেক ভেবে চিন্তে দেখেছি। কিছু কথা পরিষ্কার করা উচিত বলে মনে করি।
প্রথমেই আসি, অধিকারের প্রশ্নে। অধিকার বলতে আসলে কি বুঝায়? স্বাধীনতা? নাকি প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করা? নাকি বেশি সুবিধা দেয়া? বস্তুত, সুবিধার পরিমাণ নয়। অধিকারের প্রশ্নটা এক জায়গাতে এসে যথেষ্ট কনফিউজিং। সেটা হচ্ছে অধিকার মানে কি স্বাধীনতা নাকি সুবিধা? নারীর এই মুহুর্তে স্বাধীনতা নাকি সুবিধা কোনটা প্রয়োজন সেটা আগে ক্লিয়ার করা প্রয়োজন। অনেকেই বলবেন, স্বাধীনতা আর সুবিধা দুটিই কেন একসাথে নয়? 
হ্যাঁ। অবশ্যই দুটি একসাথে। কিন্তু তার আগে যেসব সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে সেগুলোর স্বাধীনতা দিতে হবে। ধরুন, আপনার সামনে পাঁচটি বল আছে। আপনাকে একটি বল বেছে নিতে বলা হল। পাঁচটি থেকে যেকোনো একটি বেছে নেয়ার অধিকার আপনাকে দিলাম। কিন্তু সবচেয়ে ভালো বলটি রেস্ট্রিকটেড করে দিলাম। ওটা যদি আমি আপনাকে না নেয়ার জন্য জোর করি, আপনি চারটি সুবিধার মাঝেই স্বাধীনতার বিস্তার পেয়েছেন। একটি উহ্য। আর আমাদের বাঙালি সমাজে মেয়েদের জন্য ঠিক এটাই করা হচ্ছে। নিশ্চিত সুবিধা গুলোর মাঝ থেকে বেছে নেয়ার স্বাধীনতা দেয়া হচ্ছে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিন্তু রাষ্ট্র কিংবা পুরুষতন্ত্র কিছু কিছু সুবিধার কপিরাইট নিজের কাছে রেখে দিচ্ছে। পিওর ক্রাইম! নারী অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মাঝেই। কিন্তু অধিকাংশ সুবিধাই রেখে দেয়া হয়েছে নারীদের আড়ালে। নারীরা নিজ থেকে যতদিন এসব ব্যাপারে সচেতন না হচ্ছে, আপনি আমি শত চেস্টা করেও ভাঙা কঙ্কাল জোড়া দিতে পারবোনা, না করতে পারবো অন্তত প্রাথমিক চিকিৎসাও।
কেমন সুবিধা আড়াল করে দেয়া হয়েছে নারীদের থেকে? ব্যাপার গুলো নিয়ে পরে আসছি। প্রথমেই কিছু ঐতিহ্যের প্রশ্ন টেনে আনি। হাই হিলের ব্যাপারটা জানেন কি? যে হাই হিলকে নারীরা খুব আনন্দের সাথে আধুনিক ফ্যাশানের উপলক্ষ হিসেবে বেছে নিয়েছে, কিংবা যারা হাই হিল বাজার জাত করছে কিংবা হাই হিল জুতার একটা স্থায়ী যোগান বিশ্ব বাজারে অবিচ্ছিন্ন রাখছে তারা হয়তো এর রক্তাক্ত ইতিহাসটা জানেনা। জানে কি? থামুন! আমি হাই হিল পরার বিরোধীতা করছিনা। আমি আগেই বলেছি, কিছু ইতিহাসের প্রয়োজন আছে। যেহেতু ব্যাপারটা সামান্য জটিল। হাই হিল এর কনসেপ্ট মূলত চাইনিজদের। ওরা সদ্য জন্মানো কন্যা সন্তানের পায়ের গোড়ালি ভেঙে দিয়ে শক্ত বাঁকানো কাঠ দিয়ে দিনের পর দিন বাঁকানো কাঠের সাথে পা বেঁধে রাখতো। যার ফলে পায়ের গোড়ালি উঁচু হত আর পায়ের পাতা বলে যে একটা জিনিস আছে মেয়েদের সেটা থাকতোনা। গোড়ালি আর আঙুল। মাঝের যে বিস্তৃত পায়ের পাতা সেটা বেঁকে উপরের দিকে উঠে যেত। এটাই মোটামুটি হাই হিলের ইতিহাস ছিলো।
কখনো ভেবে দেখেছেন? ছেলেদের জামার বোতাম থাকে ডান দিকে, কিন্তু মেয়েদের কাপড় চোপড়ের যাবতীয় হুক কেন বাম দিকে থাকে? এটার পিছনে আছে মূলত এক কালে নারী সমাজের লাক্সারি। বিত্তবান নারীরা জামা-কাপড় চলা ফেরা সকল ক্ষেত্রেই দাসীর সাহায্য নিতো। ন্যাচারালি, মানুষ ডান হাতে বোতাম লাগাতে বেশি স্বাচ্ছ্যন্দ পায় বা পেত। তাই দাসীরাই নিজেদের সুবিধার জন্য তাদের মালকিনের পোষাকের বোতাম বাম দিকে লাগাতো। যাতে মালকিনদের পোষাক খুলে দেয়া তাদের জন্য সহজ হয়। আর এই প্রথাটাই আজ পর্যন্ত রয়ে গেছে এবং শেকড় গেঁড়েছে। এরকম আরো অনেক প্রথাই দেখানো যায়। সময় কিংবা লিখার প্রয়োজনে স্কিপ করে যাচ্ছি।
আমি দুটো মিথোলজি টেনে এনেছি এখানে। উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার। একটা মিথ হচ্ছে, রক্তের-কষ্টের-যন্ত্রনার। আরেকটা নিখাদ আভিজাত্যের। এরকমই কিছু টিকে গেছে আর কিছু ফিকে গেছে। এটার সাথে অধিকারের কি সম্পর্ক? অধিকারের সম্পর্ক আহামরি নয় অবশ্যই, কিন্তু নারীদের “আধুনিকতা” কিংবা আধুনিকতার সাথে খাপ খাওয়ানো বর্তমানের শেকড়টা তুলে ধরলাম স্রেফ। এসব মানেই আধুনিকতা নয়। আধুনিকতা ঐতিহ্য টা নতুন মোড়কে ধারণ করলে হয়না, আধুনিকতা হয় উত্তরপুরুষের জন্য নতুন ঐতিহ্যের সৃষ্টিতে। আর সেটাই করে যেতে হবে, নিজেদের নিয়ে সচেতন হওয়ার মাধ্যমে। নিজেদের জানার মাধ্যমে। নারীদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে নারীবাদী হওয়ার দরকার নেই। অনেক অনেক দিন আগে ইউটিউবে এক ভিডিও দেখেছিলাম। সিঙ্গাপুরের বাসে একজন ছেলে একটি মেয়েকে সিট ছেড়ে দিতে চাইলো। মেয়েটি খুব রেগে গিয়ে উত্তর দিলো, “তুমি কি ভেবেছো? আমি নারী বলে আমার দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেই? তুমি আগে এসেছো। আগে তুমি বসবে। আমাকে কেন বলছো?” দারুণ। স্রেফ অসাধারণ একটা ইমপ্রেশান পেয়েছি ভিডিওটা দেখে। কয়দিন আগে আমিও ফেসবুকে আমার একটি ঘটনা বলেছি, সেটা হচ্ছে, ফ্লেক্সি করানোর সময় আমি আগে গিয়েছি দোকানে। আমার ঠিক পরেই তিনটি মেয়ে এসে নারী অধিকার দেখিয়ে টেলিটকের লোড নিয়ে গেল। আমি যখন লোড করতে যাবো, তখন ব্যালেন্স শেষ। লোড আর করা হয়নি। আমি মেয়ে গুলোকে আগে লোড করে নিতে বলেছি। মেয়ে গুলো খুব খুশি হয়েছে। নারী বলে “লেডিস ফার্স্ট” তকমার জোর তাকে আনন্দ দিয়েছে। তারা ভেবেছে তারা আগে করবে, কারণ তারা নারী। আর আমি ভেবেছি, তাদের প্রয়োজন হয়তো আমার চেয়েও বেশি, তারাও তো মানুষ! নারী-পুরুষ হওয়ার আগে মানুষ হতে হবে! আর উপায় নেই।
এতক্ষণে আমি আমার বক্তব্যের আসল পয়েন্টে চলে আসলাম। কিছুক্ষণের মাঝেই উপসংহার টানছি। অধিকারের প্রশ্ন গুলোর উত্তর আসলে কেমন হওয়া উচিত? দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের মুসলিম সমাজের মাঝে একটা ফ্যান্টাসি দেখছি, তা হচ্ছে স্বজাতির বিখ্যাত কারো নামের আগে মুসলিম উপাধি দেয়া যেটা অন্য কোনো গোত্রের মানুষরা করে কিনা আমার জানা নেই। যেমন, মুসলিম সাহিত্যিক, মুসলিম বিজ্ঞানী, মুসলিম গায়ক, মুসলিম ফুটবলার, মুসলিম ক্রিকেটার ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্যাপারটা মুসলিমদের জন্য তৃপ্তির হলেও বিশ্বের দরবারে যথেষ্ট বিরক্তির। কেউ যখন ইবনে সিনাকে মুসলিম বলে, পিছন থেকে কেউই হাত তুলে বলেনা যে, আইনস্টাইন ইহুদি বিজ্ঞানী। কিংবা কেউ যখন ওমর খৈয়ামের কথা বলে মুসলিম সাহিত্যিক, কখনো পিছন থেকে কেউ বলেনা যে, “হেই! হোয়াটস অ্যাবাউট রবার্ট ফ্রস্ট?” অতএব, এভাবে অরিজিন দেখে কাউকে আলাদা করে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সভ্যতার বিকাশে অবদান আছে সবারই। দেশ কিংবা জাতি গোত্র ভেদে অরিজিন হতে পারে, কিন্তু লিঙ্গ-ধর্ম ভেদে কেন? আল বেরুনী-খৈয়াম-সিনা এরা অ্যারাবিয়ান। আইনস্টাইন জার্মান, বায়রন ইংলিশ। এটাই তাদের অরিজিন। আর তারা সবাই “আলোকিত মানুষ” এটাই সবচেয়ে বড় অরিজিন।
ঠিক তেমনি নারী-পুরুষের মাঝেও আলাদা অরিজিন কেন? নারী কবি, পুরুষ কবি, নারী বিজ্ঞানী, পুরুষ বিজ্ঞানী, নারী সাহিত্যিক, পুরুষ সাহিত্যিক কি জিনিস? অনেক উত্তেজিত পুরুষ মাঝে মাঝে আটদশটা বিখ্যাত মানুষের নাম বলে দাবী করে “এখানে নারী কই? নারীরা কি পারে?” অকারণ বাহানা। আমি আপনাকে বিখ্যাত দশজন সন্ত্রাসীর নাম বলবো, আর প্রশ্ন করবো এখানে নারী কই? তখন? এডগার, রিপার, গারাভিতো, ডামার এসব কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের মাঝে নারী কই? কিন্তু আমি এই প্রশ্নটা করবো না। বস্তুত সবাই মানুষ। নারীর যেমন নিজেকে মানুষ ভাবা উচিত, ঠিক তেমনি পুরুষও নিজেদের মানুষ ভাববে। ২৩ জোড়ার মাঝে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমই কিন্তু একই। বাকি এক জোড়া XX এবং XY তেই যতো পার্থক্য, যত অভিধান, যত সমাজ, যত রাস্ট্র। কিন্তু সব কিছুই মহাবিশ্বের অন্তর্গত! এটা ভেবেই অন্তত সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কয়েকদিন আগেই ফেসবুকের আকাটা এক মূর্খ দাবী করেছে, “মেয়েরা সাদা কাপড় আর ছেলেরা কালো কাপড়। অন্যায় যেই করুক, দাগ কিন্তু মেয়েদের গায়েই পড়বে”। যদিও আমি দীর্ঘদিন থেকেই ছাগলদের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বাদ দিয়েছি, তাও তাকে উৎসাহ নিয়েই প্রশ্ন করেছিলাম, আমি একটা মেয়েকে রেইপ করবো। দাগ কার গায়ে পড়বে। সে এটার উত্তর দিতে রাজি হয়নি। যদিও আমি জানি সে মনে মনে হাজার হাজার মেয়েকে রেইপ করছে।
আমি নারী অধিকার ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা করতে গেয়ে বিচিত্র টপিকে সূত্রপাত করেছি। যদিও মোটেই চাইনি প্রসঙ্গের বাইরে কিছু বলতে। নারী পুরুষ কেউই মহামান্বিত নয়। হয়তোবা কেউ কারো চেয়ে এগিয়ে, কিন্তু সেটাকে আইডেন্টিফাই করার সময় কিংবা প্রয়োজন কি আদৌ আছে? আমি সেসব পুরুষদের বলছি, যারা একটা মেয়ের সামান্য উন্মুক্ত বাহু দেখেই সমাজের অবক্ষয় নিয়ে হায় হায় করেন, কখনো একজন উলঙ্গ ভিখারীকে একটা কাপড় দিয়েছেন? শীতের মাঝেও মেয়েরা কেন ট্রান্সপারেন্টের জামা পরে সেটা নিয়ে গবেষনা না করে, যারা ট্রান্সপারেন্ট দূরের কথা একটা ছিঁড়া বস্তা গায়ে দেয়ারও সামর্থ্য নেই তাদের জন্য কতটুকু করেছেন? আর আপনি ঠিক করবেন সমাজ? কচু করবেন আপনি! আপনি একটা অক্ষম পুরুষ। আর আপনি মানবজাতির জন্য কলঙ্ক। নিজের কামনার শিকার হওয়া মেয়েটির ঘাড়েই দোষ চাপিয়ে দেন, মেয়েটা বেগানা তাই ধর্ষিত হয়েছে, মেয়েটা কাপড় ঠিকমত গায়ে দেয় নি। সিরিয়াসলি? নিজেই নিজের মনকে প্রশ্ন করুন। একটা মেয়ে কাপড় পরেনাই বলেই তাকে আপনি রেইপ করবেন? যদি আপনার উত্তর না হয়, তাহলে কেন সেই ধর্ষককে বাঁচাতে মেয়েটাকে গালি দিচ্ছেন? ভেবে দেখুন।
যাই হোক, সবশেষ এটাই বলি। আমি নারী স্বাধীনতার পাশাপাশি নারী সুবিধায় বিশ্বাসী। সমান সমান সুযোগ। যে সুযোগ গুলো মানুষ পায় তার প্রত্যেকটা সুযোগ। আপনি পছন্দ মত সুবিধা নিশ্চিত করে স্বাধীনতা দিবেন? এটা স্রেফ আই ওয়াশ! সুবিধা যদি দশটি থাকে দশটি সুবিধার মাঝেই স্বাধীনতা দিন। পাঁচটি কেড়ে নিয়ে স্বাধীনতা কেন? আর নারী জাতিও এটা নিজ থেকে বুঝতে হবে। আগে দেখুন সব গুলো সুবিধাই পাচ্ছেন কিনা। সবগুলো সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পর স্বাধীনতার দাবী করুন! নিজেদের বড় না ভেবে সমান ভাবুন। সাম্যবাদে বিশ্বাস করে ফেলুন। সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই! আপনি পুরুষ? আপনি নারী? নাকি আপনি মানুষ? আপনি কে? আপনি কি? আপনি কেন?

আলো আসুক…… আলো আসবে…… আসবেই…

Sunday, 30 August 2015

দেশের ক্রান্তিকাল চলছে।

দেশের ক্রান্তিকাল চলছে। রাষ্ট্র ব্যবস্থার এমন একটি অঙ্গ নেই যেখানে দুর্নীতি বাসা বাঁধেনি। দেশপ্রেম আজ এক অলিক শব্দের নাম। কারো কোন কাজেই দেশপ্রেমের এতটুকু নিশানা খুঁজে পেতে দিশেহারা হতে হয়। সবাই কেবলমাত্র নিজের বা পরিবারের বা গোষ্ঠিগত স্বার্থে দেশপ্রেমকে বিসর্জন দিয়েছে। যেকারণে দেশ আজ অন্যদেশের করতলগত। আজ দেশের হারানো রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে আমাদের পুনরুজ্জীবিত করতে হবে জাতীয় নৈতিকতা ও দেশপ্রেম। এরই প্রেক্ষাপটে জাতির উদ্দেশ্যে আহবান জানিয়েছেন রাজনৈতিক, আইন ও সমাজকর্মী শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ।

Radical use of Science

The innate human tendency to interpret the world. From wild animals to survive when the people of the developed world, the question of the day, the man looked around, her debut as the first philosophical question 'Who am I? ", Where I come from? Why? Where did this world come from? Although the question seems to know the answer still was not enough information to the public. But people do not like the gap. Because he does not like to fill in the spaces with a variety of fabulous pre-historic tale, there was a religious customs. The first hypothesis to explain the world of religion is a hypothesis, but it is definitely the best! Think of the people of the world been improved gradually, with the development of science adequate information came to hand. Old explained in the light of information began to be cancelled, there was a new interpretation, it is an incomplete way but to improve the way than ever before. Thousands of years of knowledge and the philosophy of the road, today we are living in an age of scientific excellence. In this era, great confidence in the people of science, although most people agree that there is a scientific sensation. But any thing can become the touchstone of science to survive nowadays, someone even religion! For this reason, religious groups and footnotes written in the book explains, "It's the proven science"! But the primitive religion and the religion of the Book, the hypothesis is incomplete, so it is not a science touchstone survival. But there remained a lack of scientific spirit. Mythological tale of religious orders and unscientific "rational" and "scientific" explanation of the religion business today, religious preceptors. They know they would lose credibility if it did not seal attested by science, so few wrong reason and the scientific explanation of religion to engage with impostor people the religious. Thus, the use of science and fundamentalist!

Scientific claims that followers of all religions, their religious book! Some even claim that all of science is to discover whether there is already a lot of their scriptures. Soon after the discovery of a new science of it, or as they call it in the text, many of them already have. In order to establish this claim, they took refuge firm They are an intentional and unintentional way. To focus a little bit about the root of this writing. After discovering that there is no science of the Scriptures already claimants but can not get them out before the invention of the book. If they could do this, then the scientists effort, time and money would have been saved! But alas, where she is! Let's see what kind of strategy they adopted B-

# Cheating of Translations
Since the book is not written in our mother tongue, so a large number of translations is based on the reader to understand the scriptures. The translation of scientific analyser always remain the greatest finesse. Some of the words they put in a deliberate way, a scientific term, which coincided with the discovery. Let me give an example.
The translation of this verse is that the verses 68-70 of Surah oyakiya
"Yes, you see that the water you drink. Do you get it from the sky or I give you ? If I wish, however, it can be salted. But why you are not grateful to me? "

This verse is translated in modern analyser as
"You drink the water that is on the research you have ever thought of? The water, except for certain rules, such as what we could have missed the rain cloud that? I will transpire water into the salt from the salt water inside the salt water could have missed. I do not know, but it will hurt you. Even you do not accept my gratitude. "

The reader, of modern translations of the Stretch 'thinking and research', 'salt water salt water transpiration from the inside of the' etc. It has been incorporated in the intentionally, this verse of the Qur'an or the water cycle and the demand has been mentioned! Is it rains from the clouds can be seen with naked eyes, the water cycle, there is no sign. But water cycle to find patterns in the way of modern times is the translation! Eg more

Sharia sura 47, verse 48 of the Translation
"Who is in the heavens and all the power of my hand, and I certainly would have created. I have expanded the earth, I am excellent bichaite. "
Recently changed for the Big Bang theory to fix Translation
"Heavens, I have created him to power. I extended him karetechi ". (This verse tells the universe that has been Quanic explanation that these claims are from before! While there are still no signs of modern theories of string theory has appeared fundamentalists!)

Many more such examples could be given. As well as changes that are inadequately translated as, the verses superficial substitutions, get out of there, 'science' is out! Naik basically finesse the more modern use. In fact, do not believe that this radical explanation logical, reason to believe that by creating a seasoned!

# Number
This can cause confusion dexterity very truly educated people generally have the impression that they are absolutely correct, which goes to show that even in math! Mathematics or mathematics. As it is said in the Koran sura number 114, the number of verses in the number of letters in each word the number is divisible by 19. It does not become divine mathematical way into a book! What to do?

Rhythmic verse or essays the character size, the number is divisible by a certain number of words, etc., could be the reason chandobaddhatara. Shaking rhythm careless way this match could come back. Such characters are often retrieved the rhythmic essays, 14, 7, and two divisible by. The rhythm of the poetry writing of the manuscript on behalf of many, including the Mahabharata. Holy Quran in the original Arabic is a poem. It does not matter where these kinds of events have a supernatural.
A lot of time is evidence of something clever explanation. Some of the translations are not without finesse.

# Traditional religious values ​​to scientific Promotions
Fasting can be seen in the magazines are very beneficial to the body, how fast is the title of the huge run-printed. The doctors were forced to speak in favour of the fast! It is not too fast for the largely healthy. Fasting is not one of the early gastric or stomach problems hanana affected. However, due to our biological system, it adapts very quickly. There are many religions, including Hinduism and all of the common practice of fasting on behalf of the 'scientific' explanations provided!

Tulsi plant is thirty-three million gods in the Hindu faith. This makes the tree sacred and protected from diseases. It is indeed a medicinal qualities of the plant completed, this herbal sterling, enough to eliminate diseases, is thirty-three million, one need not gods!

Example # imparting religious scientists

Religious people’s favourite thing is just more of the established religion, the scientists pulled example, the scientists say, because it's right! I agree with some of Newton or Einstein, but they would not accept it, is to show them to prove it. Scientists agree that it is not a matter of the right, to prove it to him. There are many scientists who work in the field of the scientific method, but in other cases are driven by the reform of the cherished hometown. It is scientific evidence of the coolest! In some cases, scientists say, the nature of God, or any supernatural power have explained, this God is not a God of the religion. For example, Einstein. He is not the God of the religion of God in nature no conventional means.

Attempt to prove as false of Scientific theory

The theory cannot adapt to the values ​​of religion in any way, allowing religious blind people then cancelled. For example, the theory of evolution. Proved to be in conflict with the theory of evolution as an established fanatics who deny it. However, the day is more evidence in favour of evolution is more efficient routing.

It is a feature of science is constantly moving. At the moment, no theory can be recognized years of rule. That's the beauty of science. The scientists who received these changes. Now that does not mean anything in the future cannot seem to explain the science. It does not show anything when it argues that the decision to leave the mysterious science of errors identified as a type of evasion, which is the religion's followers. A place where science stops here, that the creator of the world. Science does not mean that he cannot continue any more stops. As the march will be the day of science and creator of the so-called world will be consolidated.

Who will save the religion from rational wale fundamentalists are highly organized work. Therefore, they are not stingy to spend money. Sayalabha market has made them numerous books, CDs, videos, magazines etc. Maurice Bucaille one writer called "the science of the Bible, the Qur'an, the book is an example. The Quran is a scientific noted that many attempts. Mr. Bucaille was not even the question is why the Muslims! This is done by using the modern Internet. Many educated people know the impact of cuts in education. Who can resist such a science we need to know, to understand, to the formation of the scientific spirit and the will to thwart the propaganda is.


Fundamentalists understand that there is no scientific approach. But the fundamental difference between the way and approach. So without this no way to prevent them is the right to education and scientific thinking ideas. The path is not easy, it was never easy.

Wednesday, 12 August 2015

Militant group Ansar Al Islam publishes hit list of Bloggers and Free thinkers

12 August 2015

The notorious Islamic militant group Ansarullah Bangla Team (ATB), has claimed for a series of killings of ‘free thinkers’ in Bangladesh, has published a hit list of bloggers and activists around the world, threatening to kill them.

The hit list, issued in an announcement on the Internet, incorporates for the most part of exiled Bangladeshis—nine from the U.K., seven in Germany, two in the U.S., one in Canada and one in Sweden.

The ABT has distributed the list after a few of its fanatics and activists were captured by the Bangladesh police, including the outfit's acting boss Muhammad Abul Bashar, regarding the killing of bloggers.

English daily paper The Guardian reported that the U.K.- based bloggers of Bangladeshi inceptions named on the list have drawn closer the police in London and somewhere else taking after its distribution.

Group of bloggers said they have reasons to be frightened with the new list, yet included that dangers would not prevent them from composing. The ABT pioneer, Bashar and his two partners were captured not long ago in Dhaka for their charged association in the slaughtering of Bangladeshi-American mainstream blogger and science author Avijit Roy.

In February 2013, ABT activists hacked to death Ahmed Rajib Haider, another mainstream blogger who was a coordinator of 'Shahbagh movement, requesting most extreme punishment for the 1971 war offenders.


In May this year, Ananta Bijoy Das was hacked to death by Islamic fanatics in  In Sylhet. The most recent casualty is Niloy Neel, who was killed in Dhaka. Another blogger The Bangladesh government has as of late asked the bloggers to keep up "a breaking point" in their compositions so that religious notions of the general population are not influenced.

The police have as of late charged a few ABT agents and coordinators for the homicide of a 27-year-old blogger, Washiqur Rahman, in March this year in Dhaka. Rahman's demise came weeks after Avijit Roy was killed in the capital city in February. Roy's U.S.- based dowager, likewise a blogger, who barely got away from the fierce assault on her better half, is among those named on the new list.
  
I observed the list, seemed to me, calling ''another 14 December'' the darkest day of bangladesh history when the number of intellectuals were killed by Pakistani Military.  In independent Bangladesh, never seen such as brutal and barbaric act of religious terrorism.

Those who out of country, they are safe now, but who staying in Bangladesh, under massive death threat. The list, full of intellectuals and secular personality including Jafor Iqbal (professsor of Shajala university of science and technology), Nirmulendu goon and mohadev (wellknown poets), Shariar kabir (secretary of  Ghatok dala nirmul commitee), Abed khan (former editor of the daily samakal and The kaler kantho), Muntasir mamun (novelist), Mofidul hoque ( Liberation war researcher), Mohammed A Arafat(faculty of independent university), Ramendu mazumder ( Drama personality and actor ), Syed anwar hossain( Professor of Dhaka university), Syed Hasan Imam(actor and director), Turin Afroz(Barrister), Omi Rahaman pial (blogger and liberation war researcher),Imran h sarker(spokeperson of Ghonojagoron manch), Arif jebtik(blogger), Bappaditto basu(blogger), Kamal pasha chowdhury(journalist), Lucky akter(activist), Jonardhon datta nantu(blogger), Ibrahim khalil sobak(blogger), dr Nazmul hasan(Medicine specialist and blogger), Arifuzzaman prithil(blogger),Kaniz aklima sultana(blogger),FM shahin(blogger), Tamimul Ahsan(blogger),Imtiaz Morshed(blogger), Azim(Blogger and filmmaker) and Shammi haque(activist),.

I believe, By killing the intellectuals and freethinkers as well as secular force, they are trying to destroy country's backbone. To be noted, Bangladesh was born with the spirit of democracy and secularism. Sadly, the emerging islamic extremism making the country just hell with their brutality and barbarism.

The militant group posted on its site a narrative video entitled 'Kill Democracy', which explains that vote based system is not an Islamic framework and the western arrangement of vote based system is totally in struggle with Islam.

‘Our beloved country has become a fertile land of Islamic extremism, Intellectuals being killed by fanatics and there is no credible step to confront the threat’ says exiled blogger Azim. He added ‘The government of Bangladesh is not willing to protect freethinkers, writer and bloggers to hold the autocracy’. Illegal government has been defeated to Islamic fanatics and surrendered to the militancy.








Saturday, 8 August 2015

মানুষ কেন আইন মানে?

মানুষ কেন আইন মানে?
মানুষ সাধারণত আইন মানে :
১. আইন না মানলে শাস্তি পেতে হবে এজন্য মানে।
২. আইন মানলে কল্যাণ হবে এজন্য মানে।
৩. আইন না মানলে সমাজে, রাষ্ট্রে অরাজকতা দেখা দিবে।
কেউ যদি ইচ্ছা করে আইন না মানে তবে রাষ্ট্র আইন মান্য করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করে থাকে অর্থা আইন ভঙ্গ করলে শাস্তি দেয়।
People obey the law if they believe it’s legitimate, not because they fear punishment – this is the opening gambit of Tom Tyler’s foray into the depths of law making and the legal system. মানুষ আইন মানে আইনের বৈধতা, ন্যায্যতা এবং আইন প্রয়োগ কর্তৃপক্ষের বৈধতা বিবেচনা করে, শাস্তির ভয়ে নয়।
আমার মত অনেকে বিশ্বাস করে, বাংলাদেশে এখন আইন প্রয়োগ করার মত কোনো কর্তৃপক্ষ নাই। বুর্জোয়া রাজনীতির কিছু উচ্ছিষ্ট এবং দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছে। সেই দুর্বৃত্তদের অধীনে পরিচালিত সকল আদালতই ভুয়া। ভুয়া আদালত এবং দুর্বৃত্ত বিচারকদের থেকে ন্যায়বিচার কখনই আশা করা যায়না। তাদের এই দুর্বৃত্তপনার সর্বশেষ শিকার হলেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। হাঁ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু ব্যাক্তি সালাউদ্দিন কাদেরকে তাঁর বিচার পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ৪১ জন সাক্ষী থেকে মাত্র ৫ জন কে আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে, ৬ জনের এফিডেবিট আদালত খারিজ করে দিয়েছে যথাযথ ভাবে উপস্থাপন করা হয়নি বলে। শোনা কথার সাক্ষের (Hear say Evidence) ভিত্তিতে তাকে ফাসি দেয়া হয়েছে। জংলি শাসনে কিংবা গ্রাম্য সালিশে ও শোনা কথা কে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়না।
''Hearsay evidence is normally excluded from a trial because it is deemed untrustworthy. “Hearsay” is a statement other than one made by the witness testifying at the trial, offered in evidence to prove that the matter asserted in the statement is true.''
এসব বিতর্কিত এবং ভুয়া রায়ের কারণে মানুষের মনে আইনের শাসনের প্রতি চরম অশ্রদ্ধা তৈরী হয়েছে। অতি শিগ্রই দেখা যাবে গণ আইন অমান্য কর্মসূচি। মানুষ আইন মানবেনা, কারণ আদালত নিজেই নিজের সম্মান ক্ষুন্ন করতে লিপ্ত। কালা মানিক আর সিনহা বাবুর এই আদালত অনির্বাচিত সরকারের তল্পিবাহক এবং এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ারে পরিনত হয়েছে। এই আদালতের প্রতি আমার কোনো শ্রদ্ধাবোধ নাই।
আমি বিশ্বাস করি এস কে সিনহা, নিজামুল হক নাসিম এবং কালা মানিকের মত দুর্বৃত্তদের একদিন বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে। স্বাধীন বিচার ব্যাবস্থার প্রতি তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি কতকাল আর মানুষ দেখবে।
পুনশ্চ: এই লেখার সব দায় দায়িত্ব আমার। অতি উত্সাহী কেউ যদি দেখেন , আদালত অবমাননার রুল জারির জন্য আবেদন করতে পারেন।