Sunday, 3 May 2020

মুসলমান 👉বনাম 👈 মুসলমান

###
মুসলমান 👉বনাম 👈 মুসলমান ###
=============================
" তুই শিয়া 👉 👳👈 তুই সুন্নী "
" তুই তাবলীগ পন্থী  👉👳👈 তুই পীর পন্থী "
"তুই সাদ পন্থী  👉👳👈তুই যুবায়ের পন্থী"
"তুই আলিয়া👉👳👈 তুই কওমিয়া"
"তুই তরিকা পন্থী👉👳👈 তুই ওহাবী"
" তুই জামায়াত 👉👳👈 তুই আহলে হাদিস "
" তুই ইলিয়াছী 👉👳👈 তুই মওদুদী "
" তুই চরমোনাই 👉👳👈 তুই শর্ষিনা "
" তুই হেফাজত 👉👳👈 তুই মাইজভান্ডারী "
"তুই ইহুদিদের দালাল 👉👳👈তুই কাফের"
"তুই দেওবন্দী 👉👳👈তুই নকশোবন্দী "
"তুই মাজহাবী 👉👳👈তুই লা মাজহাবী"
"তোর জামা ফাড়া 👉👳👈তোর টুপি ছিদ্র"
"তুই রাসূলের দুশমন 👉👳👈তুই সাহাবিদের দুশমন"
:
বিধর্মীরা যখন আমাদের পিঠের চামড়া তুলে ফেলছে, তখন আমরা নিজেরাই এধরনের কু-তর্কে লিপ্ত।
এই কু-তর্ক, এই বিভক্তি-ই মুসলমান নির্যাতনের মূল কারণ।

সারাবিশ্বের মুসলমান ভাই, ভাই। ইসলামের এ-ই মূল আকিদায় যদি আমরা এক হতে পারতাম তবে আমাদের নির্যাতন তো দূরের কথা আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস তাদের হতোনা।

Friday, 1 May 2020

আংগো হেনীর(ফেনীর) ভাষা।

ফেনীতে আমরা যা যা বলতে শুনি (আঞ্চলিকতা)
সতীনকে - হতীন,
শুটকিকে - হুনি,
রসুনকে - রোন,
পেঁয়াজকে - হেয়াইজ,
সরিষার তেল - বালাতেল,
প্লেটকে - বত্তন,
আখকে - কুঁইউর,
নারিকেলকে - নাইঁঅল,
শশুরকে - হোর,
শ্বাশুড়িকে - হই,
পেপেকে - কইয়্যা,,
চিংড়িকে - ইঁচা মাছ,
টেলিভিশনকে - টিবি,
কাঁঠালকে - কাডল,
ডিমকে - ডিমা,
ইফতারকে - ইসতার,
ঝোলকে - সুরবা,
কলাকে - কেলা,
সুপারিকে - সুয়ারি,
লবনকে - নুন,
চৌকিদারকে - চৈদার,
মেম্বারকে - মেম্বর,
শোল মাছকে - হইল মাছ,
কুকুরকে - কুত্তা,
বিড়ালকে - বিলাই,
সুতাকে - হুতা,
নারিকেল খেজুরের ডালকে - ডোগা,
ফুফু জামাই - হুয়া,
কাঁথাকে - খেতা,
লাল শাক - দুল্লা হাগ,
পুঁইশাক - হলই হাগ,
লাউ - কদু,
কুমড়া - কোম্বা,
পোনা মাছকে - হোনা মাছ,
শরীরের ময়লাকে - ছাতা,
পাকের ঘরকে - হাকঘর
সাপকে - হাপ ,
দেখি - চাই,
টাকাকে - টেয়া ,
পয়সাকে - হইসা ,
হলুদকে - অলইদ ,
বারান্দাকে - বারিন্দা ,
উত্তরদিকে - উতুরমুই,
দক্ষিনদিকে - দইন ,
পশ্চিমকে - হচিমমুই,
পূর্বদিকে - হুগমুই
কাজের লোককে - বদইল্লা,
কাজের মেয়েকে- কামের মাইয়া,
পাতিলকে - হাইল্যা/ডেক্সি
পাখির বাচ্চাকে - হাকিরছা,
ইঁদুরকে - উন্দুর,
পানিকে - হানি,
পাঠা ছাগলকে - হাডা।
ভালো - বালা,
ইত্যাদি ।
চলমান.........
প্রত্যেকটা অঞ্চলেই ভাষার নিজস্ব আঞ্চলিকতার টান থাকে এটা হাসির কিছুনা এটাই ঐতিহ্য । আপনারাও কিছু যোগ করতে পারেন।

Tuesday, 28 April 2020

বর্ণচোরা ফারুক নওয়াজ খানের সাত কাহন-

ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে সকল বিভাজন এবং অপকর্মের মূলহোতাঃ গিরিঙ্গিবাজ , বর্ণচোরা ফারুক নওয়াজ খানের সাত কাহন-

নাম তার ফারুক নওয়াজ খান সুমন, ফ্রান্সের বাংলাদেশ কমিউনিটিতে এক বিষাক্ত নাগরাজ , গুটিবাজ, নানা অপকর্মের জনক, সে এক সময়ে সেলিম ইউসুফ নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে ফ্রান্সের সকল সন্মানি লোকদের মানহানি করেছে , ফ্রান্সের মাটিতে জীবন্ত কিংবদ্বন্তি কাজী এনায়েত উল্লাহ ইনু সাহেব কে ছাতা চোর , নন্দিত সমাজ সেবক টি এম রেজা কে ভাত রেজা , ফ্রান্স আওয়ামীলীগের ক্যারিশমাটিক পলিটিশিয়ান মহসিন খান লিটন কে ছাগল ,  মিন্টু চোধুরী কে পকেট মার, কমিউনিটি নেতা সুব্রত  শুভ কে মাইক শুভ, বিশিষ্ট সাংস্কিতিক বেক্তিত্ব   এমদাদুল হক স্বপন কে চোরা স্বপন, সমাজ সেবক  আভেক রাব্বানী খান কে দালাল ছেলে , জনপ্রিয় সাংবাদিক লুৎফুর রহমান বাবুকে তৈল্লা বাবু , সমগ্র ইউরোপের সাংবাদিক নেতা আবু তাহের কে লেঙ্গা তাহের , মেধাবী সাংবাদিক নয়ন মামুন কে কানা মামুন উপাদী দেয়া, নাম বিকৃতকারী,  মানুষকে হেয় করে পৈশাচিক আনন্দ পাওয়া এ  ফাঁকা আওয়াজ খানের কুকৃতির দলীল এখন বার্ডস আইয়ের হাতে

চা বাগানের চা শ্রমিক থেকে  এখন প্যারিসের বুদ্ধিজীবি-
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় ফাঁকা আওয়াজ খান সুমন  হবিগন্জে এক সময় চা বাগানের একজন চা শ্রমিক ছিল,  সে সময়ে সে চা বাগানের গরিব অসহায় নিরীহ শ্রমিকদের যৌন হয়রানি করতেন। এক উপজাতি নারী শ্রমিক মৌহিনী কে কুপ্রস্তাব দেন কুপ্রস্তাবে রাজি না হলে একদিন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে গেলে মেয়েটির আত্মচিৎকারে আশপাশের অন্যলোকজন এগিয়ে আসলে মেয়েটি রক্ষা পায় বিষয়টি কর্তৃপক্ষের  নজরে আসলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

পরবর্তীতে ঢাকায় পালিয়ে গিয়ে কিছু দিন টোটকা সাংবাদিক হিসাবে বাংলা চটি বই লেখা শুরু করে , এর পর সিলেটের এক লোকের সহযোগিতায় স্টুডেন্টস ভিসায় লন্ডন যায়, লন্ডনে গিয়ে ও আবার  মানুষকে ওয়ার্ক বানিয়ে দিবে এবং দেশ থেকে লোক আনবে বলে
অনেক অপকর্ম শুরু করে, এরপর দেশ থেকে লোক আনবে বলে বেশ কয়েকজনের প্রায় ৫০ লক্ষ  টাকা মেরে লরিতে করে লন্ডন থেকে প্যারিসে  পালিয়ে আসে।

প্যারিসে এসে নিজেকে অনেক বড় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফ্রান্সে অভিবাসী  সাংবাদিকদের সাহায্যকারী সংস্হা
(মেজু দু জার্নালিস্ট) এ আশ্রয় নেয় এবং সংস্থার কিচেন থেকে খাবার চুরি করে বাইরে ঐ খাবার বিক্রিতে ধরা খায় এবং এ কুলাঙ্গারের এ ঘটনার পর থেকে ঐ সংস্থা সহজে আর কোন বাংলাদেশীকে সহযোগিতা করে না।
এরপর  সে  বাংলাদেশে আওমিলিগ সরকার কর্তৃক অত্যচার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে এবং প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চৌদ্ধগুষ্টি উদ্দার করে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেন।

রিফুজি স্টেটাস পাবার সাথে সাথে তিনি নিজেকে আওয়ামীলীগের বিশাল নেতা হিসাবে  জাহির করা শুরু করেন।আওয়ামীলিগের বড় কয়েকজন নেতার সাথে  ফটোশপে নিজের ছবি  এডিট করে ফ্রান্স আওয়ামীলিগের কমিটিতে জায়গা করে নেয়ার জন্য বহুবার চেষ্টা করে ব্যর্থ  হয়ে ফ্রান্স আওয়ামীলীগের লোকদের মধ্যে অন্তর্দহন এবং কোন্দল লাগাতে থাকেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফ্রান্স আওয়ামীলীগের মধ্যে মহসিন খান লিটন বলেন , এই ফাঁকাওয়াজ খানের গুটি বাজির কারণে ফ্রান্স আওয়ামীলীগের মধ্যে অনেক দ্বন্দ্ব , নিজেকে আওয়ামীলীগ পরিচয় দিলেও আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি  সে মূলত ইউরোপে জামাতের  এজেন্ট,  ছাএজীবনে সে শিবিরের বড় ক্যাডার ছিলো, তাহার স্বভাবচরিত্র ও ভালো নয় এবং সে একজনের কথা আরেকজনকে লাগিয়ে সমাজে অশান্তি তৈরি করে।

একুশ উদযাপন কমিটি কে ভেঙে টুকরা টুকরা করার পিছনের  মূল ইন্দন দাতা-
ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নামক সংগটন তার কারণে ভেঙেগে যায়,  একজনের কেইস আরেকজনকে দিয়ে টাকা নেয়া ও বাংলা অনুবাদে  ভূয়া  সিল দেয়ার কারণে প্যারিসের  আরিফ এবং মিঠু  নামে দুইজন ভুক্তভোগী গার দূ নর্দে  রেজা ভাইয়ের রেষ্টুরেন্টের সামনে তাকে কুত্তার মতো মারে সেদিন  সুব্রত শুভ  দা যদি তাকে না রক্ষা করতো তাহলে তাহলে গনদোলাইয়ে সে মারা যেতো।
গণদোলাই খেয়ে ফাঁকাওয়াজ খান লোক চক্ষুর অন্তরালে গিয়ে বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাব এবং বাংলাদেশ একুশ উদ্যাপন কমিটির পিছনে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

টি, এম রেজা এবং সুভ্রত শুভ নেতৃত্বাদিন একুশ উদযাপন কমিটি প্যারিস কে  নিষ্ক্রিয় করে নতুন একটা বিবাজন  তৈরি করে এবং
কতিপয় দান্ধাবাজ সম্বাদিক দিয়ে
রিপাবলিক চত্বরে একুশের আরেকটি অনুষ্ঠান শুরু করতে ইন্দন দেয়।

অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত অবস্হায় ধরা খেয়ে বিয়ে -
এ লম্পট তার বাড়ির পাশ্ববর্তী, তার ছেয়ে ২৫ বছরের ছোট এক কিশোরীর সাথে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত অবস্হায়  এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর এলাকার মুরব্বিরা তাকে ঐ মেয়েকে বিয়ে করতে বাধ্য করে। নিজের সাথে বয়সের অনেক ব্যবধানের কারনে সে তার বৌকে নিয়ে কোথাও যায় না।

গুগল ট্রশ্নসালটোর ভুয়া অনুবাদক ধরা খেয়ে অপি থেকে চাকরিচ্যুত -
গ্যারান্টি দিয়ে মানুষকে কেস লিখে দেয়া, ভূয়া ডকুমেন্টস বানাই দেয়া, সাংবাদিক কেসের জন্য ভূয়া পএিকা বানিয়ে দেয়া,সাংবাদিকতার এটাস্টেশন বিক্রি , গুগল দিয়ে ট্র্যান্সলেট করে জাল আচারমানতে সিল ব্যবহার করে টাকা হাতিয়ে নেয়া ,কারো  অনুবাদ করতে দিলে একজনের কেইস আরেকজনের নিকট টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার অপরাধে ফ্রান্স সরকারের কাছে ধরা খাবার পর তাকে অফির  অনুবাদক থেকে বহিস্কার করা হয়।
ইতিমধ্যে ফেসবুকে লেখা লেখি করে নিজেকে সবজান্তা শমসের বনে গিয়ে গার দু নর্দ একটা অফিসে নেয়ার চেষ্টা করে খেপে গিয়ে রাব্বানী খানের বিরুদ্ধে লেগে গিয়ে এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাব্বানী খান কে দালাল বানাইতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং দালাল ছেলে নামে ফেসবুক লেখালেখি শুরু করে।

ফ্রান্সে বসে বাংলাদেশ সরকার থেকে ২০লক্ষ টাকা আত্মসাৎ-
পরিচালক না হয়ে ও পার্থপ্রতিম মজুমদারের উপর  ডকুমেন্টরী ছবি  নির্মাণ করবে  বলে ২০১৯ সালে  বাংলাদেশ সরকারের এক আমলাকে ম্যানেজ করে ২০লক্ষ টাকা হাতিয়ে আনেন এবং কোনকিছু না করে পুরোটাকা মেরে দেন।

অর্থলোভী  এ প্রতারক বৌ,বাচ্চা নিয়ে যে মেরির বাসায় থাকে, সে বাসার ড্রয়িং রুম  ও সে দিন হিসাবে ভাড়া দেন।
বাংলাদেশ থেকে আসা এক হিন্ধু নারী সাবলেট হিসাবে তার বাসায় উঠে , বাসা ভাড়া দিতে না পারলে এ চরিত্রহীন তাকে দেহ ভোগের প্রস্তাব দেন, মহিলা রাজি না হলে তাকে ঘর থেকে বের দিয়েছেন  এ লম্পট।

আওয়ামীলীগের মধ্যে কোন্দলের হোতা-
ফ্রান্সের মাটিতে এহেন কোনো কুকর্ম নেই যে  যেটির সাথে ফারুক নওয়াজ খানের নাম জড়িত না , ফ্রান্স আওয়ামীলীগ কমিটি , সর্ব   ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগ এর মধ্যে মধ্যে দ্বন্ধ লাগানোর পিছনে এই  জামাতি এজেন্টের হাত রয়েছে বলে বাবু  অনিল দাশ গুপ্ জানিয়েছেন।
সর্বষেশে ফ্রান্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের ট্রেন সমন্ময় কমিটিতে জায়গা না পেয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ফ্রান্স আওয়ামীলীগের নেতাদের পিছনে অপপ্রচার শুরু করে কমিটি এবং দূতাবাস কে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ছাড়াও কমিউনিটিতে কারে সাথে কারে ঝগরা হলে সে দু'পক্ষকে ইন্ধন দেয়,একজনের পিছনে আরেক জনকে লেলিয়ে দেয়,
এমন ও ঘটনা আছে প্যারিসে বন্ধুর সাথে বন্ধুর ঝগড়া হয়েছে এবং সে দুইজনকেই পখ দা প্লান(জিডি)এর কাগজ সে লিখে দিয়ে দুইজন থেকে টাকা নিয়েছে, অথচ সে ডায়লগ দেয়- সে নাকি ফ্রান্সে বাংলাদেশীদের একটি সন্মানজনক অবস্হানের স্বপ্ন দেখে,এ যেন ভূতের মুখে রাম রাম।
এ মুখোশধারী  হিংসুক কারো ভালো দেখতে পারে না,সে চায় সব কিছুতে সবার উপরে সে থাকবে, কেউ একটু আগালেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে, তার পিছনে লোক লেলিয়ে দেয়।

শুধুমাএ সাংবাদিক ও আওয়ামীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চলার কারণে অনেক ভুক্তভোগী থাকার পরে ও কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না।

উপরে উল্লেখিত সকল তথ্য উপাত্ত ১০০ ভাগ যাচাই-বাছাই ও  নিরপেক্ষ তদন্ত রিপোর্টের উপর ভিত্তিতে করা হয়েছে শুধুমাএ কমিউনিটির স্বাথে।
তার সাথে আমার  কোন শত্রুতা নাই।

ফ্রান্সের বাংলাদেশী প্রবাসীদের বৃহৎ স্বার্থ বিবেচনায় উক্ত মুখোশ ধারীর মুখোশ উম্মোচন করা সময়ের দাবি ছিল।
কমিউনিটির স্বার্থে এই মুখোশ দারি ভন্ডের আসল চরিত্র সবার সামনে তুলে ধরা হল,সবাই   তাকে বয়কট করুন নয়তো আমরা একে অপরের সাথে বিবাদ করতে করতে একদিন  শেষ হয়ে যাবো।

Thursday, 23 April 2020

করোনায় মৃত্যু ও ভোগান্তির একটা অন্যতম কারণ হল এর রক্তনালিতে জমাটবদ্ধ করে

ইতোমধ্যে জানা হয়ে গেছে করোনায় মৃত্যু ও ভোগান্তির একটা অন্যতম কারণ হল এর রক্তনালিতে জমাটবদ্ধ করে দেয়ার প্রবণতা। এটি ফুসফুসের রক্তনালী বন্ধ করে হঠাৎ মৃত্যু ঘটায়, হার্টের রক্তনালী বন্ধ করে হার্ট অ্যাটাক করে, কিডনির রক্তনালী বন্ধ করে কিডনি ফেলিউর করে, লিভারের রক্তনালী বন্ধ করে জন্ডিস করে, ব্রেনের রক্তনালী বন্ধ করে স্ট্রোক করে, হাত পায়ের রক্তনালী বন্ধ করে গ্যাংরিন করে ইত্যাদি। তাই রক্ত জমাটবদ্ধ হবার আগেই , রোগী আইসিইউতে যাবার আগেই যদি প্রিভেন্টিভ হেপারিন (LMWH) দেয়া যায় তাহলে অনেক মৃত্যুকে ঠেকানো সম্ভব। এ প্রেক্ষিতে The international society on thrombosis and haemostasis সুপারিশ করেছে COVID যেমন তীব্রতারই হোক, সে ICU-তে থাকুক বা ওয়ার্ডে থাকুক, তার D-dimer করা থাকুক আর না থাকুক, প্রত্যেক COVID রোগীকেই রক্ত জমাট বাঁধার আগেই প্রতিরোধমূলক হেপারিন দিতে। হাস্পাতালে ভর্তি যেকোনো রোগীকেই- সে ওয়ার্ডে থাকুক কিংবা আইসিউতে- এটি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সেটা যদি আপাত:দৃষ্টিতে খুব সাধারন মাত্রার COVID হয় তবুও।

শুধুমাত্র দুটি ক্ষেত্রে হেপারিন দিতে নিষেধ করা হয়েছে। তার একটি হলো রক্তক্ষরণ অন্যটি প্লেটিলেট কাউন্ট যদি ২৫ হাজারের নিচে নেমে যায় তবে।

উল্লেখ্য করোনাতে রক্তক্ষরণ সাধারণত দেখা যায় না এবং এটি এরোগে বিরল ব্যাপার।
====
Screen shots and links in the comment box

Aminul Islam
মূল পোস্টের লিংক নীচে দেয়া হল।

Monday, 13 April 2020

আব্দুল মাজেদের নিখোঁজ হওয়া থেকে বাংলাদেশে তাঁকে গ্রেপ্তার—

সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: মহল্লা তাঁকে কখনও উচ্চস্বরে কথা বলতে দেখেনি। হিংসা-বিবাদ তো দূর অস্ত! লোকটা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন নিয়ম করে। সেই তাদের মাস্টারমশাই নাকি বঙ্গবন্ধুর খুনি! এখনও ঠিক বিশ্বাস করে উঠতে পারছে না লকডাউনের পার্ক স্ট্রিট। এই পার্ক স্ট্রিটের বেডফোর্ড লেনের ভাড়া বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধুর ঘাতক আব্দুল মাজেদ।
গত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মীরপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেপ্তারের পর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে রীতিমতো অবাক পার্ক স্ট্রিটের বেডফোর্ড লেনের বাসিন্দারা!
কিন্তু আব্দুল মাজেদ নয়। পার্ক স্ট্রিট তাঁকে চেনে আলি আহমেদ ওরফে ইংরেজির মাস্টারমশাই হিসেবে। এলাকার লোকে জানত, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে থেকে পাশ করেছেন মাস্টারমশাই। টিউশন পড়িয়ে সংসার চালাতেন তিনি। প্রথমে তালতলার ভাড়া বাড়িতে একাই থাকতেন মাজেদ। পরে পার্ক স্ট্রিটে চলে আসেন।
২০১১ সালে তাঁর থেকে ৩২ বছরের ছোট উলুবেড়িয়ার সেলিনা বেগমকে বিয়ে করেন তিনি। তাঁদের ছ’বছরের এক মেয়ে রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই বছর বাহাত্তরের মাজেদের শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পিজি হাসপাতালে একপ্রস্থ পরীক্ষা নিরীক্ষাও হয়।
দিনটা ছিল গত ২২ ফেব্রুয়ারি। পিজি হাসপাতাল থেকে সেই রিপোর্ট আনতে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। সেটাই শেষ। আর বাড়ি ফেরা হয়নি মাজেদের। স্বভাবতই উদ্বিগ্ন স্ত্রী রাতে পার্ক স্ট্রিট থানায় মিসিং ডায়েরি করেন। তদন্তে শুরু করে পার্ক স্ট্রিট থানা। পিজি হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ তন্নতন্ন করে ঘাঁটলেও হদিশ মেলে না মাজেদের।
এরপর পুলিস মাজেদের ভাড়া বাড়ি থেকে একটি ব্যাগ পায়। সেই ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে সিম কার্ড, আধার কার্ড, ভোটার আইডি, ভারতীয় পাসপোর্ট এবং এক মহিলা সহ তিনজন শিশুর ছবি পাওয়া যায়। স্ত্রী সেলিনা পুলিসকে জানায়, ব্যাগের মতো তাঁর অন্যান্য ব্যক্তিগত জিনিসে কাউকে হাত দিতে দিতেন না মাজেদ।
মহল্লায় খুব একটা মেলামেশা করতেন না তিনি। টিউশনির পাশাপাশি বড়জোর এলাকার এক চায়ের দোকান, রেশন দোকান এবং এক বিল্ডার্সের দোকানে আড্ডা দিতেন মাজেদ। বাড়ির সদর দরজায় সব সময় তালা লাগানো থাকত। বাইরের কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হতো না। এক আধ বছর নয়, এভাবেই আঠারো-উনিশ বছর ডেরা বেঁধে কলকাতায় আত্মগোপন করেছিলেন আব্দুল মাজেদ।
২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা ৪ মিনিটে বেডফোর্ড লেনের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আব্দুল মাজেদের যাত্রাপথের একাংশের সিসিটিভি ফুটেজ হাতে এসেছে পুলিসের। কী আছে সেই ফুটেজে?
এক ঝলক দেখলে যে কেউ ভুল করে তাঁদের কাবুলিওয়ালা ভাববেন। ষণ্ডামার্কা চেহারা। গালে ঘন কালো চাপ দাড়ি। ব্যাক ব্রাশ করা চুল। একজনের পরনে ডেনিম জিন্স আর নীল ফুল হাতা টি-শার্ট। অন্যজনের গায়ে বড় চেক শার্ট। দু’জনের হাতেই মোবাইল ফোন।
সিসিটিভি’র ফুটেজ ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা ৪ মিনিটে বেডফোর্ড লেনের ভাড়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর একটি ওষুধের দোকানে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ। সেখানে মিনিট আটেক কাটানোর পর ঠিক ১০টা ১২ মিনিটে যখন রিপন স্ট্রিটের দিকে মুখ করে ফের পথ চলতে শুরু করেন, তখন থেকেই তাঁকে অনুসরণ করা শুরু করে ওই দুই ব্যক্তি। পরে তাঁদের সঙ্গে আরও দু’জন যোগ দেন। মোট চারজন সেদিন পিছু নিয়েছিলেন মাজেদের। সিসিটিভি’র ফুটেজে সবার ছবিই ধরা আছে। তদন্তে নেমে পুলিস ও এসটিএফ-এর অফিসাররা পিছু নেওয়া ওই ষণ্ডামার্কাদের কাবুলিওয়ালা ভেবে প্রথমে ভুল করেছিল। উল্লেখ্য, মাজেদ ছোটখাট সুদের কারবারও চালাতেন।
আলিমুদ্দিন স্ট্রিট ধরে এসে রাস্তা পার হয়ে এজেসি বোস রোডে আসেন মাজেদ। উদ্দেশ্য, বাস ধরা। গন্তব্য পিজি হাসপাতাল। এর পরের ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ওই চারজন মাজেদের সঙ্গে কথা বলছে। তবে ক্যামেরা উন্নত না হওয়ায় কী কথা হয়েছিল, তা শোনার উপায় নেই। ঠিক তখনই মৌলালির দিক থেকে আসা একটি সল্টলেক-সাঁতরাগাছি রুটের বাসে উঠতে দেখা যায় মাজেদকে। যথারীতি সেই বাসে চাপেন ওই চারজনও। এরপর আর কোনও ফুটেজ নেই।
তদন্তে নেমে পুলিস এজেসি বোস রোডের প্রতিটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেছে। না, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের বাস স্টপ থেকে পিজি হাসপাতাল পর্যন্ত কোথাও বাস থেকে নামতে দেখা যায়নি আব্দুল মাজেদকে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক সূত্র জানিয়েছে, মাজেদের মোবাইলের সর্বশেষ টাওয়ার লোকেশন ছিল মালদহ। যা থেকে গোয়েন্দাদের অনুমান, মাজেদকে ঘুরপথে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাওড়া স্টেশনে। সেখান থেকে ট্রেনে প্রথমে গুয়াহাটি। পরে শিলং হয়ে ডাওকি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ যান তিনি। তবে তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন, নাকি বাধ্য করা হয়েছিল, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। মনে করা হচ্ছে, ট্রেন মালদহ স্টেশনের আশপাশে থাকাকালীন তিনি তাঁর মোবাইলটি একবার অন করেছিলেন।
স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়া ওই চারজন কারা? তাঁরা কি বাংলাদেশের কোনও গোয়েন্দা এজেন্সির অফিসার? সত্যিই এনিয়ে তদন্ত হাওয়া দরকার, বলছেন পার্ক স্ট্রিটের বাসিন্দারা।
কলকাতা পুলিসের অজান্তে কে বা কারা তুলে নিয়ে গেল মাজেদকে? কেননা, আইনত কোনও বিদেশি গোয়েন্দা এজেন্সি বিনা অনুমতিতে অন্য দেশে ঢুকে অভিযান চালাতে পারে না।
বাংলাদেশ সরকারিভাবে ৭ এপ্রিল জানিয়েছে, করোনার ভয়েই মার্চ মাসের শেষদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি। বাংলাদেশের কাউন্টার টেররিজমের গোয়েন্দারা তাঁকে মীরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেন।
এই যুক্তি অবশ্য ধোপে টিকছে না। কারণ ভারতে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ মেলে ৩০ জানুয়ারি। তাও আবার দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরলে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনি লুকিয়ে ছিলেন কলকাতায়। এখানে করোনা ধরা পড়ে ১৮ মার্চ। ফলে ২২ ফেব্রুয়ারি মাজেদ কলকাতা থেকে বাংলাদেশে যাবেন কেন?
আব্দুল মাজেদের নিখোঁজ হওয়া থেকে বাংলাদেশে তাঁকে গ্রেপ্তার—গোটা পর্বই রহস্যে ঘেরা।
সেই রহস্যের কি আদৌ কোনওদিন কিনারা হবে? (ক্রমশ)

    এমন চারজনই সেদিন পিছু নিয়েছিল মাজেদের। ছবি স্থানীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে পাওয়া।

https://bartamanpatrika.com

Friday, 3 April 2020

ত্রাণ না পেয়ে নষ্ট ভাত শুকাচ্ছেন, চাল হলে রান্না করবেন ভিক্ষুক

৭০ বছরের বৃদ্ধা সাবিয়া বেগম। থাকেন নওগাঁ শহরের বাঙ্গাবাড়িয়া বিহারি কলোনি মহল্লার ছোট যমুনা নদীর গাইড ওয়াল-সংলগ্ন সরকারি জমিতে। সেখানে ঝুপড়ি ঘরে গত কয়েক বছর ধরে বসবাস করছেন তিনি। স্বামী নুরু মিয়া মারা গেছেন ২৫ বছর আগে। মেয়ের বয়স যখন আট মাস তখন স্বামী মারা যান। বিভিন্ন জনের বাড়িতে কাজ করে জীবন চলত তার। মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর এখন একা থাকেন। বয়স হয়ে যাওয়ায় এখন আর কাজ করতে পারেন না। ভিক্ষা করে দিন চলে তার।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে উত্তপ্ত রোদে বিহারি কলোনি মাঠে একটি টিনের ওপর নষ্ট ভাত শুকাচ্ছেন তিনি। এমন দৃশ্য দেখে নওগাঁ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ খান মোবাইলে ছবি তুলে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন। বিষয়টি দেখে অনেকেই মর্মাহত হন।


শুধু সাবিয়া বেগম নন, ওই কলোনির প্রায় ২০-২৫টি পরিবারের একই অবস্থায় দিন কাটছে। করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তাদের জীবন ধারণ। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের।
সারা দেশের মতো নওগাঁয়ও চলছে অঘোষিত লকডাউন। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুরসহ নিম্নআয়ের মানুষ। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী দিলেও তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেকেই পাচ্ছেন না।
সাবিয়া বেগমের ভাত শুকানোর দৃশ্য মোবাইলে ধারণের পর ফেসবুকে পোস্ট করে নওগাঁ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ খান লিখেছেন, ‘ফেসবুকে ঢুকলেই দেখি ওখানে-সেখানে ত্রাণ বিতরণ হচ্ছে। তবুও আজ এমন দৃশ্য দেখতে হলো। বৃদ্ধাকে ভাত শুকাতে দেখে জিজ্ঞেস করলাম কি করবেন এগুলো দিয়ে? উত্তরে বৃদ্ধা বললেন কাজ নেই, তাই বাজার করতে পারিনি। ঘরে তরকারি নেই, চালও শেষ। তাই নষ্ট হয়ে যাওয়া ভাত শুকাচ্ছি। ভাত শুকিয়ে চাল হলে আবার রান্না করে খাব। এগুলো নষ্ট ভাত। তবুও এই মুহূর্তে জীবন ধারণের জন্য বিকল্প পথ নেই। বাঁচতে হলে এগুলোতেই খেতে হবে। কারণ কেউ আমাদের ত্রাণ দেয় না।
বৃদ্ধা সাবিয়া বেগম বলেন, গতকাল রাতে এক প্রতিবেশী ভাত দিয়েছেন। রাতে কিছু খেয়ে রেখে দিয়েছি। সকালে দেখি ভাত নষ্ট হয়ে গেছে। ওই নষ্ট ভাত পানিতে পরিষ্কার করে রোদে শুকাতে দিয়েছি। ভাত শুকিয়ে চাল হলে পরে রান্না করে খাব। গতে কয়েকদিন থেকে ঘরে বাইরে যেতে পারিনি। ঘরে কোনো খাবার নেই আমার। খুব কষ্ট করে চলছি। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।
একই কলোনির বিলকিস, চেলি ও নাইচ বেমগ বলেন, কলোনিতে যারা বসবাস করে এদের কেউ স্বামীহারা, কারও স্বামী অসুস্থ, কেউ রিকশা ও ভ্যানচালক। করোনা আসার পর থেকে আমাদের গজব শুরু হয়েছে। মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করে জীবন চলত। এক সপ্তাহ ধরে কাজ বন্ধ। শুনতেছি বিভিন্ন জায়গায় ত্রাণ দেয়। কিন্তু আমাদের মহল্লার কেউ তো পেল না। খুব কষ্ট করে চলছি আমরা।
https://www.jagonews24.com/country/news/570715