Saturday, 25 March 2017

বাংলাদেশ কি তবে একটি জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে?

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ কি তবে জঙ্গীদের নতুন টার্গেটে পরিনত হয়েছে? গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রান্তে চলছে জঙ্গীদের কর্মকাণ্ড। যা বাংলাদেশে এখন অবধি হয়নি, সেই আত্মঘাতী বোমা হামলাও হয়ে চলছে একের পর এক। চলছে পুলিশের উপর একের পর এক হামলা। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা জঙ্গীদের ভাষায় ” তাগুত” বাহিনীর উপরে চলছে হামলা। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নিরপরাধ মানুষ। আইসিস এখন পর্যন্ত অনেকগুলি হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে। দেশে আইসিসের কর্মকাণ্ড চলছে এটা নিয়ে কোন সন্দেহই নেই। বাংলাদেশে জঙ্গী তৎপরতা বেড়েই চলেছে। এমনকি বিয়ের মাধ্যমে জঙ্গী নিয়োগ চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এরা পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।
প্রত্যেকটা হামলার পরেই অনেক মডারেট মুসলমান কিবোর্ড যোদ্ধা হিসেবে হাজির হয়ে যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে। ”ইসলাম শান্তির ধর্ম”, ” ইসলাম এইসব সাপোর্ট করেনা”, ”জঙ্গীরা মুসলিম নয়”, ” এগুলি ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র” ইত্যাদি ইত্যাদি লিখে মাখিয়ে ফেলেন। কেউ কেউ মনে করেন কোন ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্যেই এগুলি কোন সাজানো নাটক। এগুলি লিখে মনের শান্তিতে ইসলামকে রক্ষা করে ফেলেছেন ভেবে শান্তিতে ঘুমাতে যান। তবুও কোনভাবেই ধর্মের দোষ দেয়া যাবে না।
কালকে যদি ২ জন নাস্তিক, ”নাস্তিকতাই শ্রেষ্ঠ” বলে কোথাও আত্মঘাতী বোমা হামলা করে, তখন এই মুমিনরা কাকে দোষ দিবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।
কিন্তু একজন নাস্তিক কোন ব্লগে ইসলাম নিয়ে কোথায় কি লিখল, সেটা খুজে বের করে পড়ে, ইস্লামানুনুভুতিতে আঘাত নিয়ে, চাপাতি ধার করতে করতে রাস্তায় গিয়ে ”নাস্তিকদের ফাঁসি চাই” চিৎকার করতে মোটেও কষ্ট হয়না। কিন্তু কাউকেই দেখা যায়না জঙ্গীদের বিরুদ্ধে রাস্তায় মিছিল করতে।
আমি গিয়েছিলাম একটি ইসলামিক চ্যাটরুমে। সেখানে নিজেকে মুসলিম সাজিয়ে কিছুক্ষন গল্প করে ইসলাম সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন শুরু করলাম। তারা ভেবেই নিল আমি একজন পাক্কা মুসলমান। তারপর শুরু করলাম জিহাদ বিষয়ক প্রশ্ন। তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম, জিহাদ কি ফরজ। ওনারা বললেন ”হ্যা”। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই যে জঙ্গীরা বোমা হামলা করছে এটা কি ইসলাম সাপোর্ট করে? তারা বললেন, ”না”। সেই আয়াত নিয়ে আসলেন, ”যে একটা মানুষকে হত্যা করল, সে সারা পৃথিবীর মানুষ হত্যা করল”। আমি তখন জিজ্ঞাসা করলাম, ” এই যে ইসলামে জিহাদ নিয়ে ১০০ এর উপরে আয়াত আছে, মুহম্মদ নিজেও বিধর্মীদের হত্যা করেছেন, ইসলামের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে, ইসলামের জন্য শহীদ হতে বলেছেন। জিহাদীরা তো ইসলাম পালন করছে,তো এখানে সমস্যা কোথায়”?
ওনারা বললেন, ” নামাজ পড়ার সময় হয়ে গিয়েছে, পরে একদিন এসব নিয়ে আলোচনা হবে”।
কিন্তু জঙ্গী কি কেবল সশস্ত্র জঙ্গীরাই? ফেসবুকে ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে জঙ্গীদের অনেক সমর্থক দেখা যাচ্ছে যারা আপনার আমার মতই সাধারন মানুষ। কয়েকদিন আগে লন্ডনে যে জঙ্গী হামলা হয়েছে, বিভিন্ন কমেন্টে অনেককেই দেখা গেছে, জঙ্গীর জন্য দোয়া করতে, তাকে সাহসী বীর হিসেবে উপাধি দিতে। বাংলাদেশে একের পর এক জঙ্গী হামলার পরে অনেককেই দেখা গেছে এগুলো সব সরকারের সাজানো নাটক বলে দাবী করতে। অস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গীকে না হয় দমন করা গেল, কিন্তু অস্ত্রবিহীন কত জঙ্গী আমাদের ভিতরেই অবস্থান করছে তাদেরকে কিভাবে দমন করবেন?
আমার সোনার বাংলা জঙ্গীদের থাবায় ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে, দিন দিন একটি জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে। আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছি, কিন্তু কিছুই করতে পারছি না। এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কিছুই হতে পারে না। আমি চাইনা, আমার প্রিয় বাংলা আরেকটি পাকিস্তান অথবা আফগানিস্তানে পরিনত হোক। এখনি সময় এদের রুখে দাঁড়াবার।
মুক্তচিন্তার জয় হোক।

Sunday, 12 March 2017

পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য পশ্চিম পাকিস্তান হতে নির্বাচিত ন্যাপ নেতা খান ওয়ালী খান পূর্ব পাকিস্তানে আসেন এবং শেখ মুজিবের সঙ্গে দেখা করেন ২২ মার্চ ১৯৭১। সাক্ষাৎকালে তিনি জানতে চান, তিনি (মুজিব) এখনও ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানে বিশ্বাস করেন কি না। জবাবে মুজিব বলেছিলেন, ‌”খান সা’ব, আমি একজন মুসলিম লীগার” (সুত্র: মাহবুবুল আলম, বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিবৃত্ত, নয়ালোক প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ১১৪-১১৫)।অর্থাৎ তিনি পাকিস্তানের অমঙ্গল কামনা করতে পারেন না। ওই বৈঠকে ওয়ালী খান শেখ মুজিবকে পাকিস্তানী সামরিক জান্তাদের ব্যাপারে সতর্ক করতে গিয়ে বলেছিলেন, “তারা হয়ত আপনাকে গ্রেফতার করতে পারে।” শেখ মুজিব হেসে বলেছিলেন “করতে চাইলে করুক, আমি তো স্যুটকেস রেডীই রেখেছি।” এর সমর্থন পাওয়া যায় সিদ্দিক সালিকের লেখা থেকে, যেখানে ২৩ মার্চ ঢাকা সেনানিবাসে জেনারেল খাদিম রাজার সাথে বৈঠককালে মুজিবের প্রতিনিধি জানান,”ইয়াহিয়ার প্রতি মুজিবের অনুরোধ- তাকে (মুজিবকে) যেনো গ্রেফতার করা হয়। অন্যথায় চরমপন্থীরা স্বাধীনতার ডাক দিতে পারে”।  মুজিব যে আশংকা করেছিলেন, তাহলে ঐ বিচ্ছিন্নতাবাদীরাই কি চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলো?



জোছনার জলরঙ

পঁয়ত্রিশের পর ধনাঢ্য বাঙালি নারীদের একাংশ ভোগেন এক অদ্ভুত অবসাদে। সদ্য-বিগত জমকালো যৌবন আর মাত্রই-হাতছাড়া জ্বলন্ত জৌলুশের নস্টালজিয়ায় তারা ভোগেন হুলস্থুল হীনম্মন্যতায়। মাত্রই বছর পাঁচ-সাতেক আগে একজন পঁয়ত্রিশোর্ধ্বা ছিলেন সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা; তারও গোলাভরা ধান ছিল, পুকুরভরা মাছ ছিল, ছিল উঠোনভরা গাছ। মাত্র অর্ধদশকের ব্যবধানে আচমকা প্রাচুর্যের প্রায় সবটা হারিয়ে তিনি নাম লেখান সর্বহারার দলে। কিছুকাল আগেও তার পেছনে ছিল মৌয়ালদের অপেক্ষমাণ তালিকা। তার উন্নাসিক উপেক্ষাকে উপেক্ষা করেও যে মৌয়ালরা তার এতটুকু কৃপার অপেক্ষায় থাকত, পঁয়ত্রিশে তিনি এসে চারিদিকে তাকিয়ে তিনি দেখতে পান— কোথাও কেউ নেই! তিন দেখতে পান সেই সমবয়সী পূজারীরা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে এখন সংসারধর্মে লিপ্ত আছে 'কচি' স্ত্রী নিয়ে, যে স্ত্রীর বয়স ঐ পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীটির বয়সের অর্ধেকের চেয়ে কিঞ্চিৎ বেশি। এই ঈর্ষার ইন্ধনে জ্বলেপুড়ে খাক হন পঁয়ত্রিশোর্ধ্বা।

একজন পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার সাধারণত দুই বা ততোধিক সন্তান থাকে। ক্ষেত্রবিশেষে জ্যেষ্ঠ সন্তানটির বয়স হয়ে থাকে পনেরো বা এর বেশি। জ্যেষ্ঠ সন্তানটি কন্যা হলে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব মায়ের সাথে কন্যাটির বয়সের ব্যবধান দাঁড়ায় মাত্র কুড়ি। পরিচিত প্রতিবেশে পঞ্চদশী কন্যাটি যখন পূজারী পুরুষদের প্রাত্যহিক পূজা পায়, তখন পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার মনে পড়ে— কুড়ি বছর, মাত্র কুড়ি বছর আগে এমন পুজো আমাকেও করা হতো! চোখের সামনে আত্মজাকে এমন পুজো পেতে দেখে পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার সাধ জাগে পুনর্বার সামান্য পুজো পেতে। পুজোপ্রাপ্তির এই পারমাণবিক বাসনা তাকে করে তোলে স্বীয় কন্যার প্রতি ঈর্ষাকাতর!

পঁয়ত্রিশের পর দেহনদীতে অনিবার্যভাবে ভাঙন ধরে, এককালের পাহাড়ি ঊর্ধাঞ্চল পরিণত হয় শাদামাটা সমতল ভূমিতে, প্রসাধনীর প্রচ্ছদে ঢাকা পড়তে থাকে পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার প্রকৃত প্যারাডক্স। ওদিকে তার ব্যবসাসফল পঞ্চাশোর্ধ্ব স্বামীটিও বয়সের ভারে উত্থানরহিত কিংবা পরনারীর পরাগায়ণে নিয়োজিত। অর্থ-অলঙ্কারের অঢেল যোগানে পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার জীবন হয়ে ওঠে কফি হাউস গানের সুজাতার মতো। কিন্তু পৃথিবীতে দুর্লভতম জিনিশ হচ্ছে সময়। সুজাতারা লাখপতি স্বামী, দামি বাড়ি-গাড়ি পেলেও পান না স্বামীটির 'সময়'। ঝি-চাকরেরা গৃহস্থ সব কাজ করে দিয়ে যাওয়ায় আক্ষরিক অর্থেই পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার কোনো কাজ থাকে না, স্বামী কর্তৃক সময়বঞ্চিত হয়ে মনে-মনে তিনি হয়ে ওঠেন বেসামাল বিদ্রোহী। স্বামীকে কচি নারীতে আসক্ত দেখে তিনিও হয়ে ওঠেন কচি পুরুষান্বেষী। এমতাবস্থায় কলিং বেলে একবার মৃদু চাপ পড়লেই মুহুর্মুহু খুলে বন্ধ হয়ে যায় তার দরোজা-জানালার সিটকিনি-সমগ্র। অপেক্ষাকৃত কমবয়সী তরুণকে প্রেমিক হিশেবে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার অন্যতম কারণ হচ্ছে তরুণটির হাতে থাকে দেওয়ার মতো অঢেল সময়, যা থাকে না স্বামী নামক টাকার মেশিনটির।

পঁয়ত্রিশোর্ধ্বারা প্রশংসার কাঙাল। লক্ষ বাক্যের মহাকাব্য রচনা করেও এককালে যে অপ্সরার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেত না, পঁয়ত্রিশ অতিক্রান্ত হবার পর তিনিই চাতকের মতো মুখিয়ে থাকেন এক বাক্যের স্তুতি শোনার জন্যে। কেউ যদি একবার বলে 'বয়সের চেয়ে আপনাকে দশ বছর কম লাগছে' বা 'আপনাকে আপনার মেয়ের বোনের মতো লাগছে' কিংবা কপট করে হলেও কেউ যদি একবার শুধোয়— 'আপনার বয়স বিশ, না বাইশ?' তখনই তার মনের অঙ্গনে সুখের ফাগুন আসে, কাঠির ঘষা ছাড়াই তার দেশলাইয়ে আগুন আসে; এই একটি প্রশ্নের জন্যেই তার ইচ্ছে করে প্রশ্নকর্তাকে সবুজ পাসপোর্ট দিয়ে দিতে!

পঁয়ত্রিশোর্ধ্বাটি কৈশোরে-তারুণ্যে প্রেম করেছেন হয়তো দরিদ্র কারো সাথে; যে তাকে দিনভর কবিতা শুনিয়েছে, রাতভর জোছনা খাইয়েছে। কবিত্ব না থাকলেও তাকে তুষ্ট করতে ছেলেটি হয়তো অনিচ্ছায় কবিতাচর্চা করেছে, ছেলেটি ছিল তার একান্ত বাধ্যগত ব্যক্তিগত কবি। পুরুষতান্ত্রিক বাস্তবতার কবলে পড়ে তার বিয়ে হয় দেড়গুণ বয়সী টেকো কোনো হোঁতকা পেটুকের সাথে; যে পেটুক সওদাগরটি তাকে গা-ভরা সোনা আর পেটভরা সন্তান ছাড়া কিছুই দিতে পারেননি। পেটুকটির সাথে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীটি সুখী-সুখী সেলফি প্রচার করলেও তার ভেতরে রয়ে যায় কবিতার কৈ মাছ, জোছনার জলরঙ, বৃষ্টির বীর্য। পঞ্চাশোর্ধ্ব পতিপ্রবরটি যখন অর্থউৎপাদনের প্রবল প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত; তখন পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার ইচ্ছে করে কেউ তাকে নিয়ে কবিতা লিখুক, নিদেনপক্ষে তাকে কেউ কবিতা শোনাক। কিন্তু বছরে একটি করে বাচ্চা দিতে পারলেও পতির সময় হয় না বছরে একটি কবিতা শোনাবার। স্বামীরা বুফে না, সব চাহিদা এক স্বামী দিয়ে পূরণ হবে না; স্বামীরা সেট মেনু, এক স্বামী দিয়ে পূরণ হবে দু-একটি চাহিদা। যে স্বামী কবিতা শোনাবে, স্ত্রীকে তিনি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দিতে পারবেন না; যে স্বামী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দিতে পারবেন, তিনি কবিতা শোনাবেন না। এমতাবস্থায় এই কাব্যিক শূন্যস্থান পূরণে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীটি নিজেই কবি হয়ে যান, অলঙ্কারবেষ্টিত হয়ে কবিতাপাঠের আসরে যান, সখ্য জমান কোনো উঠতি পুং কবির সাথে। এর পরের অংশ পঠিত বলে গণ্য হোক।

পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব ধনাঢ্য নারীদের জীবনের বৃহত্তম প্রহসনটি হলো ধনাঢ্য পুরুষের সাথে বিয়ে হওয়ায় নারীটিকে কোনো চাকরি করতে হয় না বা করতে দেওয়া হয় না। ফলে জীবনের এক-তৃতীয়াংশ ব্যয়ে অর্জিত অ্যাকাডেমিক সনদগুলো স্টিল আলমারির সবচে সুরক্ষিত জায়গা ছেড়ে বেরোতেই পারে না, অবলীলায় অপচয় ঘটে বিপুল মেধার। না চাকরি, না রন্ধন— কোনো কিছুতেই অংশগ্রহণ থাকে না ধনাঢ্য পঁয়ত্রিশোর্ধ্বার।

উল্লিখিত পর্যবেক্ষণ সর্বনারী শিরোধার্য নয়, সব নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্যও নয়। নিবন্ধটি আমার অর্ধযুগের যাপিত অন্তর্জালজীবনের অভিজ্ঞতার একটি সরলীকৃত স্থূল রচনা মাত্র। ঠাট্টা করে প্রায়ই বলি— কীটনাশক ও ওষুধপত্র শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন, অস্থির প্রেমিকা ও অসুখী স্ত্রীদেরকে কবিদের নাগালের বাইরে রাখুন। নিষিদ্ধতার গন্ধ পেয়ে কথাটায় কেউ আমোদিত হন, যথাস্থানে যথাআঘাত লাগায় কেউ হন ক্ষিপ্ত। এখন একবাক্যের বক্তব্য দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ, ব্যাখ্যা করে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে না দিলে বক্তব্যটি অনেকে বোঝেন না, অনেকে একটু বেশিই বোঝেন।

পুনশ্চ : কবি বলেছেন— একবার ডাক দিয়ে দ্যাখো আমি কতটা কাঙাল, কত হুলস্থুল অনটন আজন্ম ভেতরে আমার!

(courtesy: আখতারুজ্জামান আজাদ)

Sunday, 1 January 2017

শেখ মুজিব থেকে হিটলার

একটা পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মহান হৃদয় সম্পর্কিত একটা লেখা পড়ার দুর্ভাগ্য হলো। লেখাটি পড়ে জানতে পারলাম, মুক্তিযুদ্ধের পরে দালাল আইনে মুসলিম লীগ নেতা সবুর খান, ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং শাহ আজিজ আটক হয়। এ সময়ে সবুর খান বঙ্গবন্ধুর কাছে একটা চিঠি লেখে, চিঠিতে পুরনো সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে সবুর খান জেল থেকে মুক্তি কামনা করে। মহান হৃদয়ের অধিকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চিঠিটি পড়ার সাথে সাথে সবুর খানকে মুক্তি দেয়ার হুকুম দেন, এবং অন্যান্যদেরকেও মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করেন। সবুর খান এবং শাহ আজিজ মুক্তি পান সেসময়ে। ব্যাপারগুলো আগেও জানতাম, এমন নয় যে এবারই প্রথম জানতে পারলাম।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সে সময়ে প্রধানমন্ত্রী। তিনি আইনের উর্ধ্বের কোন মানুষ ছিলেন না। সবুর খান, শাহ আজিজের মত নেতারা আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে সহজেই মুক্তি পেতে পারতেন। দোষী হলে সাজাও পেতেন। কিন্তু জনগণের দেয়া ক্ষমতার ব্যবহার করে এদের মুক্তি দেয়া কতটা মহান হৃদয়ের কাজ ছিল, আর কতটা বিচার ব্যবস্থাকে ডিঙ্গিয়ে একনায়কসূলভ কাজ ছিল তা নিয়ে আমি সন্দিহান। বরঞ্চ আমি হলে সবুর খানকে ফিরতি একটা চিঠি লিখে জানাতাম,

" প্রিয় সবুর খান। আপনার প্রতি কোন বিদ্বেষ কিংবা ঘৃণা আমার নেই। সেই সাথে, প্রচলিত রাষ্ট্রকাঠামোতে আমি একজন প্রধানমন্ত্রী মাত্রই। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আমি নই। প্রচলিত আইনের প্রতি আমি দায়বদ্ধ বিধায়, গ্রেফতারকৃত কাউকে বিনা বিচারে ছেড়ে দেয়ার সুপারিশ আমি করতে পারি না। কারণ আমাকেও আইন মেনে চলতে হয়। বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা রাখুন, নিশ্চয়ই আপনি নির্দোষ হলে মুক্তি পাবেন। আপনার সাথে আমার সম্পর্ক যত মধুরই হোক না কেন, আমি আইনের বাইরে এক পাও এগুতে পারবো না। কারণ আমি জনগণের দেয়া ম্যান্ডেটের কাছে দায়বদ্ধ। "

আমি জানি যে, সিরাজ শিকদারকে বঙ্গবন্ধু শাসনামলে বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। যেটা ছিল আধুনিক সময়ের ক্রসফায়ারের সূচনা। সিরাজ শিকদার যাই করুক না কেন, তার ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল। আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া উচিত ছিল। হত্যার পরে সদম্ভে বঙ্গবন্ধু পার্লামেন্টে লাল ঘোড়া দাবরাইয়া দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন। বিনা বিচারে সিরাজ শিকদারের মত মুক্তিযোদ্ধাদের খুন করা হলেও, মুসলিম লীগ নেতাদের পুরনো খাতিরের সম্পর্কের কারণে মুক্তি দেয়া অনেকের কাছে মহান হৃদয়, বড় মন, বিশাল নেতার খেতাব পেলেও আমার কাছে সেগুলো সবই বিচার বহির্ভূত ক্ষমতার অপব্যবহার। সেই শুরুতেই যদি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যেত, বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রের পিতা না হয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, একজন সাধারণ সেবক হতেন, আইন এবং সংবিধান মেনে চলতেন, আত্মীয়তা কিংবা স্বজন হওয়ার কারণে কোন ক্ষমতার ব্যবহার না করতেন, আমার কাছে বঙ্গবন্ধু বড় নেতা হতেন। কিন্তু এইসব গল্প আমার কাছে বড় নেতার পরিচয় বহন করে না। একজন স্বেচ্ছাচারী একনায়কের পরিচয় বহন করে। যা রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের কয়েকশো বছর পিছিয়ে দিয়েছে।

আসুন, এবারে নতুন আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া লোকজন এসে আমার বাপমা তুলে গালাগালি করে অশেষ পুণ্য অর্জন করুন।

আওয়ামী লীগ দেশকে নিয়ে যাচ্ছে মধ্যযুগে!

আওয়ামী লীগ দেশকে নিয়ে যাচ্ছে মধ্যযুগে!

প্রাচীনকালে রাজাবাদশাদের, তাদের সন্তানাদির সমালোচনা করা ছিল নিষিদ্ধ। রাজার সমালোচনা করলেই গর্দান যেত। ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমলেও সরকারের সমালোচনা করে বহু বিপ্লবী নির্যাতন নিপীড়ণের শিকার হয়েছেন। স্বাধীন বাঙলাদেশে আমাদের দেশের সংবিধান আমার বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিল। স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে আমি যে কোন মত প্রকাশ করতে পারি, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমার মতামত দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হয়ে দেখা দিবে।
আধুনিক যত বাক স্বাধীনতা এবং মুক্তমত প্রকাশের দার্শনিক ভিত্তি তৈরি হয়েছে, সেখানে পরিষ্কারভাবেই বলা হচ্ছে যে, যেকোন ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, দল, মতাদর্শ, বিশ্বাস ইত্যাদি যে কেউ চাইলেই গ্রহণ বা বর্জন করতে পারবে, সমালোচনা করতে পারবে, কটাক্ষ বা অবমাননা করতে পারবে। সে কিছু নিয়ে কার্টুন আঁকলে তার আতঙ্কে থাকতে হবে না যে, কেউ তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে যাবে। কিংবা রাষ্ট্র এসে তাকে জেলে ঢুকাবে। এগুলো সভ্য সমাজের নিয়ম, বাঙলাদেশ যার থেকে শত বছর পিছিয়ে আছে। সেই সাথে, বাক স্বাধীনতার মানে এটা যে, আপনি কাউকে হত্যার হুমকি দিতে পারবেন না, ধর্ষণ বা হত্যার সম্পক্ষে বক্তব্য রাখতে পারবেন না, গণহত্যা কিংবা ধর্ষনের পক্ষে মতামত দিতে পারবেন না। এগুলো বাক স্বাধীনতার লঙ্ঘন।

আমি রাজনৈতিক দলসমুহ এবং তাদের নেতাদের সমালোচনার অধিকার রাখি, সরকারের, পুলিশের, ধর্মীয় সংগঠনের এমনকি বিচার বিভাগেরও যেকোন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে পারি। আমার এই অধিকার কারো দয়া দাক্ষিন্য নয়, করুণার দান নয়। এমন নয় যে এই নির্বাচিত সরকারটি আমাকে করুনাবশত একটু আধটু সমালোচনা করতে দিচ্ছে। এটা আমার নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার, সংবিধান আমার এই অধিকারের রক্ষক।
এমনকি, এই সংবিধান আমাকে এই সংবিধানের সমালোচনা করার অধিকারও সংরক্ষন করে। আমি বলতে পারি সংবিধানের বিসমিল্লা একটি প্রতিক্রিয়াশীল শব্দ, যা আমাদের দেশের অমুসলিমদের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিকের ধারণা তৈরির সহায়ক। আমি বিচার বিভাগের কোন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে দ্বিমত পোষন করতে পারি, আমি নির্বাচিত এই সরকারের সর্বোচ্চ পদের মানুষটিরও সমালোচনার অধিকার রাখি। কারণ আমি(আমরা) একজন নাগরিক, এবং আমিই(আমরা) এই রাষ্ট্রের মালিক। আওয়ামী লীগ এই রাষ্ট্রের মালিক নয়। শেখ মুজিবুর রহমান এই রাষ্ট্রের মালিক নয়।

এমনকি আমরা এই দেশের জাতীয় নেতা, তাদের শাসনামলের সমালোচনাও করতে পারি। এই সমালোচনা ঠিক হতে পারে, বা ভুল-সেটা যুক্তিতর্ক, তথ্যপ্রমাণের উপরে নির্ভরশীল। কে তার সপক্ষে কতটুকু যুক্তি তুলে ধরতে পারছে, সেটাই হবে সমালোচনার শুদ্ধতার মাপকাঠি। কিন্তু সমালোচনা করা যাবে না, বা সমালোচনা করলেই হৈ হৈ রৈ রৈ করে কল্লা ফেলে দেবার জন্য দৌড় ঝাঁপ শুরু করে দেয়া কিংবা নত্যনতুন অসভ্য আইন করে মতামত দমন করা কোনভাবেই সভ্য সংস্কৃতি হতে পারে না। এটা পুরোপুরি মোল্লাতান্ত্রিক-সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতা। পাকিস্তানি ভুত আমাদের মাথায় ছিল, এখন সেটা রাষ্ট্রের মাথায় চড়ে বসেছে। বাঙলাদেশ এখন মুজিবানুভূতি রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে। যেটা সৌদি আরব, ইরান আর উত্তর কোরিয়াতে চালু আছে, বাঙলাদেশ সেই পথে এখন এগিয়ে যাচ্ছে বেশ খানিকটা। তারা আইন করতে যাচ্ছে, যেকোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে (বৈদ্যুতিক) মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদালত কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত মীমাংসিত কোনো বিষয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচারণা বা প্রোপাগান্ডা চালালে বা অবমাননা করলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

শ্রদ্ধেয় মুরতাদ আহমদ শরীফ বলেছেন, 'মুজিবুর রহমান স্বয়ং ছিলেন স্বল্পজ্ঞান। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অবধি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য আলোচনা চালিয়ে গেছেন। তিনি স্বাধীনতা চাননি। বাঙ্গালীর স্বভাব হচ্ছে হুজুগে। তাই তারা কাক শিয়ালের মতো না বুঝে শেখ মুজিবকে স্বাধীনতা সংগ্রামী বলে মেনে নিল।'
(উল্লেখ্য, শেখ মুজিব সেই সময়ে তাজউদ্দীনকে ভারতের সাথে আলোচনা করতে পাঠান, এবং খন্দকার মোশতাককে পাঠান পাক বাহিনীকে বোঝাতে! )

ড. আহমেদ শরীফের অগ্রন্থিত ডায়েরী থেকে আরও-

" মুজিববাদী আঁতেলরা এমন বেহায়া চাটুকার যে কোন মিথ্যাভাষণে তাদের কোন লজ্জা-শরম নেই। তাঁরা জানেন মুজিবের পাকিস্তান ভাঙার কোনো স্বপ্ন বা সাধ ছিলো না, তিনি ছিলেন সোহরাওয়ার্দীর চেলা এবং মুসলিম লীগার ও হিন্দুবিদ্বেষী। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছিলো তাঁকে ১৯৭০ সালের নির্বাচন। কেননা আগরতলা মামলা তাঁকে অপমানিত, ক্ষুব্ধ ও ক্রুদ্ধ বাঙালীর হিরো বানিয়ে দিয়েছি। শেখ মুজিব ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অবধি প্রধানমন্ত্রীত্বের জন্য দককষাকষি করেছিলেন, যদিও যে লক্ষ্যে ছাত্রনেতাদের পরামর্শে তিনি ৭ই মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ও মুক্তির সংগ্রামের কথা উচ্চারণ করেছিলেন তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্ব প্রাপ্তি ত্বরাণ্বিত করার লক্ষ্যেই। প্রমাণ তিনি ঐ সভার পরেই দ্রোহী হন নি, ছাত্ররাও ধরে নি অস্ত্র।

তিনি স্বাধীনতা চান নি। তরুণেরা তারুণ্যের আবেগ বশবর্তী হয়ে স্বাধীনতার দাবি ও সঙ্কল্প তাঁকে দিয়ে জোর করে তাঁর মুখে উচ্চারণ করিয়েছিলো তাঁর আপত্তি ও পরিব্যক্ত অনীহা সত্ত্বেও। তাঁর বাড়ীতেও ওরাই স্বাধীনতার পতাকা উড়িয়েছিলো তাঁর হাতেই। মানুষের বিশেষ করে বাঙালীর স্বভাব হচ্ছে হুজুগে তাই তারা কাক-শিয়ালের মতো বুঝে না বুঝে শেখ মুজিবকে স্বাধীনতা সংগ্রামী বলে মেনে নিলো। সেভাবেই তাঁর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা ও আনুগত্য নিবেদন করলো।"

এখন শ্রদ্ধেয় আহমদ শরীফের বিরুদ্ধে কী মামলা দেয়া হবে?

Friday, 4 November 2016

15 temples in Bangladesh vandalised, houses of Hindus looted

Temples in Brahmanbarhia district’s Nasirnagar were vandalised on Sunday; besides over 100 houses of Hindus in the area have also been looted. After the mayhem for hours, two temples in adjacent Habiganj’s Madhabpur also came under attack, police and witnesses said. Six persons were arrested for their alleged involvement in the attack.
Paramilitary Border Guards Bangladesh (BGB) have been deployed in Nasirnagar and Madhabpur Upazila headquarters along with the Rapid Action Battalion, police and Armed Police Battalion, bdnews24.com reported. The district’s Deputy Commissioner Rezwanur Rahman and Superintendent of Police Mizanur Rahman inspected the area later in the afternoon. But the leaders of the local Hindu community say the panic that has gripped them is not going away.
Ditto, attack on Buddhists
The attack was carried out in a style followed by the attackers of Buddhist community in Cox’s Bazar in 2012 on a similar allegation of disrespect towards Islam through a Facebook post.
Locals said Nasirnagar incident started with a Facebook post by one Rasraj Das from Harinberh village under Haripur Union Parishad. Police detained Rasraj on Friday immediately after the allegation of blasphemy had surfaced against him. He was sent to jail following a court order, Mr. Mizanur Rahman said. Protests against Rasraj’s post were called under the banner of ‘Ahle Sunnat Wal Jamaat’ in Habiganj district headquarters and Nasirnagar. Demonstrations were also announced in Habiganj’s Madhabpur.
Madrasa students stage protest
A group of madrasa students demonstrated on the premises of Brahmanbarhia Press Club while hundreds of people blocked Sarail-Nasirnagar-Lakhai road by torching tyres on Sunday. Mr. Mizanur, quoting witnesses, said a group of the demonstrators, armed with local weapons, vandalised the temples at Duttubarhi, Namashudraparha and Ghoshparha, and Jagannath Temple and Goura Temple.
They also vandalised and looted the houses of the Hindu families. Several priests were injured in the attack, he said. One platoon of the BGB was deployed first to bring the situation under control. The other forces joined them later.
Mr. Mizanur said preparations to file separate cases over the attacks were under way. Mr. Rezwanur Rahman told the media that those responsible for the attack would get ‘exemplary’ punishment after investigation. Nasirnagar Upazila Parishad Vice-Chairman Anjan Deb said, “The situation is apparently calm now but the Hindu community is still panicked.”

Wednesday, 5 October 2016

ভালোবাসা/প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার অধিকার নারীর রয়েছে।

ভালোবাসা/প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার অধিকার নারীর রয়েছে।সঙ্গী নির্বাচন করা এবং সঙ্গীকে ত্যাগ করার অধিকার সকল মানুষের আছে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এই স্বাধীনতা এবং অধিকারের অন্তরায়। বিংশ শতাব্দীতে এসে যদি তথাকথিত ''পৌরুষে'' আঘাত লেগেছে বলে কোনো নারীকে খুন করা হয় এই দায় রাষ্ট্রের এবং সকল পুরুষের। বরাবরের মতো ছাত্রলীগ নামক এই দানব বাহিনীর পক্ষে দাঁড়াবে রাষ্ট্র। রাষ্ট্রীয় শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান সেই সাথে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা ''অবৈধ ক্ষমতাসীনদের'' উৎখাতে শপথ নিন।