Friday, 8 August 2025

পার্টনারশিপ বিজনেস: শুরুতে রঙিন স্বপ্ন, শেষে ছাইচাপা ধ্বংসাবশেষ?

পার্টনারশিপ বিজনেস: শুরুতে রঙিন স্বপ্ন, শেষে ছাইচাপা ধ্বংসাবশেষ? বিজনেস পার্টনারশিপ আমাদের সমাজে একধরনের রোম্যান্টিক মিথ তৈরি করে রেখেছে — “একসাথে শুরু করবো, একসাথে বড় হবো, একসাথে স্বপ্ন পূরণ করবো।” শুরুর দিনে সবকিছুই ঝলমলে: আইডিয়া শেয়ারিং, এনার্জি, নতুনত্ব আর অবিরাম পরিকল্পনা। কিন্তু কেন অধিকাংশ পার্টনারশিপই ৩–৫ বছরের মধ্যে ধ্বংসের মুখে পড়ে? কেন গদোগদো সম্পর্ক পরিণত হয় ভাঙনে, আর ভাঙন ডেকে আনে ভরাডুবি? পর্যায়-১: হানিমুন ফেজ (Idealistic Optimism) শুরুতে সবাই সমান উদ্যমী। এখানে ভিশন মিলে যায়, ইগো থাকে কন্ট্রোলে। ঝুঁকি ভাগাভাগি, বিনিয়োগ সমান, পরিকল্পনা অনেক। সমস্যা? কেউ এখানে চুক্তি লিখে না, ভবিষ্যতের ঝুঁকি কল্পনা করে না। মনে হয়, “আমাদের তো বন্ধুত্ব/বিশ্বাস আছে।” পর্যায়-২: সন্দেহের ফেজ (Doubt Phase) সময় যত যায়, অসামঞ্জস্যের ফাটল দেখা দেয়: কে বেশি পরিশ্রম করছে? কার সিদ্ধান্ত বেশি মূল্যবান? লাভের বণ্টন কার পক্ষে? পারিবারিক চাপ, ব্যক্তিগত লক্ষ্য ও অর্থনৈতিক চাহিদা মেলেনা। এই পর্যায়ে পার্টনাররা ব্যক্তিগত সীমারেখা হারায়, পেশাদারিত্বও ভেঙে পড়ে। পর্যায়-৩: ভাঙনের শুরু (Conflict & Power Shift) এখানে অবিশ্বাস জন্ম নেয়। এক পক্ষ মনে করে অন্য পক্ষ তাকে ব্যবহার করছে; সিদ্ধান্তগুলো পক্ষপাতদুষ্ট মনে হয়। আনুষ্ঠানিক চুক্তি না থাকলে অভিযোগ বনাম পাল্টা অভিযোগের খেলা শুরু হয়। যারা একসময় স্বপ্ন শেয়ার করত, তারা এখন একে অপরকে প্রমাণ করতে চায়, “আমি না থাকলে তুমি কিছুই না।” পর্যায়-৪: ভরাডুবি (Collapse) একসময় এই দ্বন্দ্ব গ্রাহক, কর্মী, বিনিয়োগকারী — সবার সামনে প্রকাশ পায়। কোম্পানির ফোকাস প্রোডাক্ট থেকে সরে গিয়ে কোর্ট কেস, অ্যাকাউন্ট সিজার, মিডিয়া ড্রামায় আটকে যায়। ৯০% পার্টনারশিপ এখানে ভেঙে পড়ে। কেন এমন হয়? (Research Insight) ১. অস্পষ্ট ভূমিকা ও দায়িত্ব – শুরুতে কার কী কাজ, কে কী সিদ্ধান্ত নেবে তা নির্ধারণ না করাই মূল সমস্যা। ২. ইগো ও পাওয়ার গেম – ব্যবসা যত বড় হয়, “আমার অবদান বেশি” মনোভাব তীব্র হয়। ৩. অর্থনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনচক্রের অমিল – একজন হয়তো ঝুঁকি নিতে চায়, অন্যজন স্থিতিশীলতা খোঁজে। ৪. আইনি ও আর্থিক চুক্তির অভাব – লিখিত চুক্তি না থাকায় দ্বন্দ্বের সমাধান প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

Monday, 4 August 2025

হাসিনার পালানোর এই একটিমাত্র ছবি। কে ধারণ করেছেন এই ভিডিও?

বিমান বাহিনীর অভ্যন্তরের ‘র’ নেটওয়ার্ক ফাঁস ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ দুপুরে কুর্মিটোলা বিমানবন্দর দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। তার পালিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও দৃশ্যের সঙ্গে সবাই পরিচিত। হাসিনার পালানোর এই একটিমাত্র ছবি। কে তুলেছেন এই ছবি এবং কে ধারণ করেছেন এই ভিডিও? সঙ্গে সঙ্গে নেট দুনিয়ায় ভিডিওটি আবার ছড়িয়ে দিলোই বা কে? এয়ার ইন্টেলিজেন্স এই ঘটনার অনুসন্ধান এবং ছবি ধারণকারী ব্যক্তিকে ধরতে গিয়ে উদঘাটন করল বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অভ্যন্তরের ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এক নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফকে ইতোমধ্যে কোর্ট মার্শাল করে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন কাশিমপুর কারাগারের হাই সিকিউরিটি সেলে বন্দি আছেন। ‘র’ সংশ্লিষ্টতায় বিমান বাহিনীর উচ্চপদস্থ ৬ কর্মকর্তা- এয়ার ভাইস মার্শাল এম এ আউয়াল হোসেন, এয়ার ভাইস মার্শাল জাহিদুল সাঈদ, এয়ার কমডোর মোহাম্মদ আমিনুল হক, গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল ফারুক, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামীম ও উইং কমান্ডার সাইয়েদ মোহাম্মদকে শনাক্ত করে তাদেরকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সের ভেতরে ‘র’-এর শ্যাডো রিক্রুটার হিসেবে কাজ করতেন স্কোয়াড্রন লিডার আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফ। এয়ার ইন্টেলিজেন্স তাকে আইডেন্টিফাই করার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট ডিজিএফআইর হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। তার ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ভারতীয় প্যারা কমান্ডোর ব্যবহার করা দুটি এফএন-৯০ এবং সিগপি-২২৯ রাইফেল ও এক কোটি নগদ টাকাসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস। ভারতীয় ‘র’-এর সক্রিয় এই এজেন্টকে শনাক্ত করা সম্ভব হয় শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার ছবি ধারণ করা বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে ধরতে গিয়ে। বিমান বাহিনীর কুর্মিটোলা এয়ারবেইসের অফিসার্স মেসের জানালা থেকে ছবিটি তুলেছিলেন ফ্লাইট লে. রিফাত আশরাফী। আর ছবিটি নেটে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সুরি। তাদের দুজনকেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। শেখ হাসিনার পলায়ন দৃশ্য কেবল এক অ্যাঙ্গেলের ভিডিও থেকেই দেখা যায়। এই ছবির সূত্র ধরে শুরু হয় এয়ার ইন্টেলিজেন্সের গোপন তদন্ত। এতে পরিষ্কার হয়ে যায়, এই ভিডিও করেছেন মাত্র একজন এবং সেটা বেশ দূর থেকে। ভিডিও করার অ্যাঙ্গেল, অবস্থান ও ক্যামেরা প্যান করার পর্যবেক্ষণ করে এয়ার ইন্টেলিজেন্স কোন কক্ষ থেকে এবং কে এই ভিডিও দৃশ্য ধারণ করেন তা আইডেন্টিফাই করতে সক্ষম হয়। ফ্লাইট লে. রিফাত আশরাফীকে ধরা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তার অফিসের রুমের জানালা থেকে তিনি ছবিটি তুলেছেন। শেখ হাসিনা বিমান বাহিনীর সি-১৩০-জে বিমানে করে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে কলকাতা হয়ে দিল্লি যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তার পলায়নের এই রুট এবং বিমানে করে যাচ্ছেন সে কথা যাতে জানাজানি না হয়ে যায় সেজন্য ছবিটি তোলা ও ভাইরাল করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে ত্রিপুরা পালিয়ে যাচ্ছেন-আগেই এই ন্যারেটিভকে এস্টাবলিশড করা। ছবি ধারণকারী রিফাতের মোবাইল ফরেনসিক করার সময় তদন্তকারী এয়ার ইন্টেলিজেন্স আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফের যোগসূত্রতা আবিষ্কার করা হয়। জানা যায়, তিনি ‘র’-এর সক্রিয় এজেন্ট। এয়ার ইন্টেলিজেন্স প্রথমে আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের তদন্তে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে পড়ে। বড় ঘটনা বুঝতে পেরে এয়ার ইন্টেলিজেন্স বিষয়টি ডিজিএফআইর নজরে আনে। ডিজিএফআই ১৪ আগস্ট ২০২৪ তাকে আটক করে বিষয়টি সম্পর্কে অধিকতর তদন্ত শুরু করে। তদন্তে ‘র’-এর সঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফের জড়িত থাকা প্রমাণিত হয়। কোর্ট মার্শালে তার ১০ বছরের জেল হয়। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ‘র’-এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বিমান বাহিনীর এমন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের শনাক্ত করা হয়। ইতোমধ্যে ৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে শুধু এয়ার ফোর্সের ৬ জন অফিসারই নন, আরো ‘পারমানেন্টলি সাসপেন্ড’ দেখানো হয়েছে ৪ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে। এরা হলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর ডিভিশনের তৎকালীন ডেপুটি কমিশনার জসিম উদ্দিন মোল্লাহ, গুলশান ডিভিশনের অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার রফিকুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী জোনের ট্রাফিক অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার তানজিল আহমেদ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অ্যাসিসট্যান্ট সুপারিন্টেডেন্ট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এরা সবাই ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। এদের স্টেশন মাস্টার ছিলেন গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখার মাহমুদ (ডিবি)। এই পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন বিমান বাহিনীতে ‘র’-এর সক্রিয় এজেন্ট স্কোয়াড্রন লিডার আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর এদের মূল কমান্ডার ছিলেন বাংলাদেশে ‘র’ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান, যিনি জেনারেল মুজিব নামে পরিচিত। উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে উদঘাটিত হয়েছে- ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সের পক্ষে শ্যাডো এজেন্ট হিসেবে কাজ করায় ‘র’ স্কোয়াড্রন লিডার আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফকে একটি ব্র্যান্ড নিউ হুন্দাই গাড়ি উপহার দিয়েছে। তাছাড়া ‘র’-এর পক্ষ থেকে তার কাছে নিয়মিত সুন্দরী নারী পাঠানো হতো। ৫ আগস্ট ২০২৪ অস্ত্রসহ ইফতেখার আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফের সহায়তায় এয়ার ফোর্সের বাসভবন ফ্যালকন টাওয়ারে আশ্রয় নিয়ে লুকিয়ে ছিলেন। এদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফের ‘র’ কানেকশন ফাঁস হয়ে যায় এবং তিনি গ্রেপ্তার হন। একই কানেকশনে গ্রেপ্তার হন পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখার।

Saturday, 2 August 2025

আমার জন্ম কোলকাতা কিন্তু আমরা নোয়াখাইল্ল্যা

আমার জন্ম কোলকাতা কিন্তু আমরা নোয়াখাইল্ল্যা... দেশের বাড়ির জন্য সবসময় অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করে কারণ আমার বাবা,মা,জ্যাঠা,কাকাদের প্রায় সকলের জন্মস্থান নোয়াখালী বেগমগঞ্জে। আমার বয়স বর্তমান ৬৭ বছর।১৯৪৬ এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার অল্প কিছু দিন আগে আমার 'ন 'কাকা উপেন্দ্র কিশোর কর কলকাতায় চলে আসেন।আমার জ্যাঠামশাই নগেন্দ্র কিশোর কর অবিভক্ত বাংলাদেশের আমিন ছিলেন তিনি কর্ম সূত্রে দিনাজপুরের বাসিন্দা হয়েছিল বর্তমান এপার বাংলার রায়গঞ্জে।দাঙ্গা শুরু হওয়ায় আমার মা ঠাকুমা ছোট কাকা দ্বিজেন্দ্র কিশোর কে নিয়ে কলকাতার বাবা কাকার কাছে চলে আসন। শুধু সেজ কাকা হেমচন্দ্র কিশোর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে থেকে যায়,পরবর্তীকালে তার কোন খবর জানা নেই।আমাদের বাড়িটি বেগমগঞ্জে 'কর' বাড়ি নামে পরিচিত ছিল। মৃত্যুর শেষদিন অবধি বাবা মা নোয়াখালীর ভাষা ছাড়া কোলকাতার ভাষা রপ্ত করতে পারে নি।মায়ের উচ্চারণ ব্যায়াম গঞ্জের উত্তরে করে গো বাড়ী -----। বাবা মারা যান ১৯৮৭ সালে মা ১৯৯২ সালে কাকা জ্যাঠার তার আগেই মারা গিয়েছে।আমি যতটুকু জানি ব্যয়ামগঞ্জ বলে কোন জায়গা ছিল না বেগম গঞ্জে কথা জানি।নোয়াখালী হতে উদ্বাস্ত হয়ে কোলকাতা আসার পর আমার জন্মের পর থেকেই দেখেছি জীবন ধারনের জন্য বহুমূখি সংগ্রাম করেছে আমাদের পরিবার।পরবর্তীকালে সকলেই এপার বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন শুধু মনে চায় পূর্বপুরুষের ভিটের একমুঠো মাটি এনে আমার বাবা মায়ের চরণ মন্দিরে রেখে মাথা ঠেকাই।জানি খুঁজে পাওয়া দূরুহ।তবু বিফলতায় কখনও হয়তো জীবনের শেষে সফলতা আসবে। আবার ও আপনাদের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ করছি আর্তিটা। গোপাল কৃষ্ণ কর কোলকাতা +919830357133

Tuesday, 17 June 2025

যে কারণে আমি বহু টাকা বিনিয়োগে বাড়ি করার বিরোধী!

যে কারণে আমি বহু টাকা বিনিয়োগে বাড়ি করার বিরোধী! বাংলাদেশে এসেটের দামের তুলনায় ভাড়া নিতান্তই কম!! উদাহরণ স্বরূপ বলি। ধরেন আপনি উত্তরায় ২০০০ স্কয়ার ফিটের একটা বড়সড় ফ্ল্যাট কিনলেন, দাম নিল দুই কোটি টাকা। এই বাসার ভাড়া হবে বড়জোড় মাসিক পঞ্চাশ হাজার টাকা। ধরে নিলাম কেউ বাসাটা কিনে নিজেই থাকা শুরু করলেন। এটা না কিনে, পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে সে এই বাসাতেই এক বছরে মাত্র ছয় লাখ টাকা দিয়ে থাকতে পারে। মানে দশ বছর থাকতে পারে ষাট লাখ টাকায়। তিরিশ বছর থাকতে পারে এক কোটি আশি লাখ টাকায়! এই দুই কোটি টাকা হালাল এবং বিজনেস পন্থায় ইনভেস্ট করে প্রতি মাসে অন্ততঃ দুলক্ষ টাকা অনায়সে বানাতে পারে। তাহলে বৎসরে চব্বিশ লক্ষ টাকা। যদি আমরা এটা ত্রিশ বছর ধরি তাহলে (৩০×২৪=৭,২০,০০০০০) সাত কুটি বিশ লক্ষ টাকা! এটা কতটা সফলতা বিচার আপনার হাতে। কিন্তু যদি আপনি ফ্ল্যাট ই কিনতেন তাহলে এই তিরিশ বছরে আপনার ফ্ল্যাট এর চেহারার অবস্থা কি দাঁড়াবে একবার ভেবে দেখুন তো? ফ্ল্যাট তো জমি না, এর ডেপ্রিসিয়েশন আছে। এখনকার বাজারে তিরিশ বছরের পুরনো একটা ফ্ল্যাট বিক্রি করতে যান, বুঝবেন। ক্রেতা পান কিনা সন্দেহ! আর নিজেরা থাকলে প্রজন্মের রুচি ও দাবি অনুযায়ী বিল্ডিং ভেংগে আবার নতুন করে বাড়ি বানাতে কি পরিমাণ নতুন পুঁজি প্রয়োজন তার হিসেব মিলিয়ে নিন! কিন্তু যদি ভাড়া থাকেন পুরো তিরিশ বছরই নতুন ফ্ল্যাটে থাকতে পারবেন, সুবিধা অনুযায়ী এলাকায় শিফট করতে পারবেন, পরিবেশ ভাল না লাগলে বদলে ফেলতে পারবেন। অনেকে আবার লোন করে ফ্ল্যাট কিনে। বিশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে যে ফ্ল্যাটে থাকা যায়, সেই ফ্ল্যাটে ডাউন পেমেন্টের টাকা পকেট থেকে দিয়ে চল্লিশ হাজার টাকা প্রতি মাসে কিস্তি দেয়। এসেট হয়ে যায় লায়াবিলিটি, প্রতি মাসে যার খরচ অতিরিক্ত বিশ হাজার টাকা! "নিজের বাড়ি" একটা বিংশ শতকের এলিটিস্ট আবেগ। একে প্রশ্রয় নিতান্তই বড়সড় বোকামি! -সংগৃহীত।

Sunday, 25 May 2025

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে 🥰 পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো — ১) মৌজা: গ্রাম ২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর ৩) ফর্দ: দলিলের পাতা ৪) খং: খতিয়ান ৫) সাবেক: আগের/পূর্বের ৬) হাল: বর্তমান ৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন) ৮) নিং: নিরক্ষর ৯) গং: অন্যান্য অংশীদার ১০) সাং: সাকিন/গ্রাম ১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা ১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি ১৩) এজমালি: যৌথ ১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক ১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল ১৬) বাস্তু: বসতভিটা ১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন ১৮) বায়া: বিক্রেতা ১৯) মং: মোট ২০) মবলক: মোট পরিমাণ ২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময় ২২) হিস্যা: অংশ ২৩) একুনে: যোগফল ২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ ২৫) চৌহদ্দি: সীমানা ২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ ২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ ২৮) নক্সা: মানচিত্র ২৯) পিং: পিতা ৩০) জং: স্বামী ৩১) দাগ নং: জমির নম্বর ৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে ৩৩) সমুদয়: সব কিছু ৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু ৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে ৩৬) বিং: বিস্তারিত ৩৭) দং: দখলকারী ৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত ৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময় ৪০) মৌকুফ: মাফকৃত ৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা ৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান ৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ ৪৪) অধুনা: বর্তমান ৪৫) রোক: নগদ অর্থ ৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল ৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি ৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন ৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ ৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন ৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড ৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি ৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ ৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড ৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা ৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন ৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল ৫৮) আসলি: মূল ভূমি ৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ ৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত ৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র ৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি ৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি ৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড ৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ ৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা ৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল ৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি ৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ ৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি ৭১) খিরাজ: খাজনা ৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড ৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি ৭৪) গির্ব: বন্ধক ৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল ৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব ৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি ৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা ৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা ৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত ৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ ৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর ৮৩) নথি: রেকর্ড ৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত ৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা ৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত ৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর ৮৮) দরবস্ত: সব কিছু ৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী ৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র ৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ ৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ ৯৩) তরমিম: সংশোধন ৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড ৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর ৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ ৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি ৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি ৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা ১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি শেষ কথা: এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

Wednesday, 7 May 2025

Friday, 2 May 2025

Chat GPT tools

জেনে নিন! ১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। ২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা। ৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে। ৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে। ৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে। ৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে। ৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে। ৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়। ৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে। ১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে। ১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে। ১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে। ১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়। ১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে। ১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে। ১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে। ১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে। ১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে। ১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী। ২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে। ২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে। ২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়। ২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে। ২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে। ২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়। ২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়। ২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে। ২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে। ২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে। ৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে। ৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে। ৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়। ৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে। ৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়। ৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে। ৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে। ৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে। ৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়। ৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে। ৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে। ৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়। ৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে। ৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে। ৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য। ৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে। ৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে। ৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়। ৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে। ৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে। ৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে। এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন। #collected #follower #highlights2025 #StarSender #tranding