Friday, 18 April 2025

৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা

নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা বাংলা সিরিয়াল নাম্বারসহ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করতে সাহায্য করবে — ১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। ২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা। ৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে। ৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে। ৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে। ৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে। ৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে। ৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়। ৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে। ১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে। ১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে। ১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে। ১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়। ১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে। ১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে। ১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে। ১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে। ১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে। ১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী। ২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে। ২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে। ২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়। ২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে। ২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে। ২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়। ২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়। ২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে। ২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে। ২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে। ৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে। ৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে। ৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়। ৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে। ৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়। ৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে। ৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে। ৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে। ৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়। ৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে। ৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে। ৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়। ৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে। ৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে। ৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য। ৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে। ৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে। ৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়। ৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে। ৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে। ৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে। এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন। এই রকম আরো ভাল ভাল পোষ্ট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ। #collected #BMW #Fact #AITools2025

Monday, 10 March 2025

নব্বই দশকের বিয়ে ‘তেলাই থেকে ঘুরানি

নব্বই দশক আমার কৈশোরের সোনালি আলো মাখা স্মৃতিতে ভেসে আছে। ওই সময়ের গ্রাম-গঞ্জের বিয়েতে যে রীতি ছিল তা আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানকে বলা হতো ‘তেলাই’। তখন বর-কনে উভয়কেই ‘তেলাই’ দেওয়া হতো। কিন্তু এখনকার দিনে বর কনে উভয়কে যেমন সমান গুরুত্ব দিয়ে গায়ে হলুদ দেওয়া হয়, এই আনুষ্ঠানিকতা তখনকার দিনে কম হতো। বরের ক্ষেত্রে বিয়ের দিন গোসলের সময় মা হয়তো একটু হলুদ বেটে ছেলের কপালে লাগিয়ে দিতেন। তারপর গোসল করিয়ে নতুন লুঙ্গি, পাঞ্জাবী পরিয়ে বরকে প্রস্তুত করা হতো। কনের গায়ে হলুদে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতো। গায়ে হলুদে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হতো, সেগুলোর বেশিরভাগই ব্যবহার করা হতো কনের গায়ের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য। কনের গায়ে ও মুখে দেওয়া হতো হলুদ ও গিলা বাটা (এক ধরনের গাছে বীজ)। কনেকে গোসল করিয়ে নতুন শাড়ি পরানো হতো। তবে সেটা হলুদ শাড়ি হতেই হবে তেমন চল ছিল না। সাধারণত তাঁতের শাড়ি পরানো হতো। এই শাড়ি স্থানীয় তাঁতিদের তৈরি শাড়িই হতো। বিয়ের আগের দিন কনেকে এক ধরনের খাবার খাওয়ানো হতো। যাকে আইবুড়ো ভাত বলা হতো। বিয়েতে গীত গাওয়ার রীতি ছিল। গ্রামের যেসব নারী গীত গাইতে পারতেন তারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে বিয়ে বাড়িতে আসতেন, গীত গাইতেন এরপর পান, সুপারি খেয়ে বিদায় নিতেন। হেঁটে, পালকি নিয়ে অথবা গরুর গাড়িতে বা ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রী যেত কনের বাড়িতে। বর্ষা ঋতুতে নৌকায় বরযাত্রী যাওয়ার দৃশ্য দেখা যেত। দেখা যেত যে বউকে নেওয়ার জন্য পালকি বা ডুলি আনা হতো। ডুলিতে শুধুমাত্র বউ বসতে পারতো। কারণ ডুলি আকারে ছোট। কিন্তু পালকি বড়-ছোট হতো। এমনও পালকি ছিল যে, চারজন বসতে পারতেন। সাধারণত ওই সময় কলা গাছ এবং দেবদারুর পাতা, রঙিন কাগজের ঝালর দিয়ে গেইট তৈরি করা হতো। এ ছাড়া রঙিন কাগজের ঝালর দিয়ে বর বসার জায়গা সাজানো হতো। যথারীতি বর আসার পরে ‘গেইট ধরা’ হতো। সেখানে দরদাম হতো। ইংরেজিতে বাকোয়াজ হতো। অনেক সময় পরবর্তীতে দেখা যেতো যে দুই পক্ষের মুরুব্বিরা কথা বলে টাকার মাধ্যমে সমঝোতায় আসতেন।। এরপর বর তার জন্য নির্ধারিত জায়গায় বসতো। আরেকটি বিষয় ছিল বরের জুতা চুরি করা। শালা, শালি এমন স্থানীয় লোকেরা বরের জুতা চুরি করার ধান্ধায় থাকতো আর বরপক্ষের এমন এক্সপার্ট লোক থাকতো যার কাজই ছিল বরের জুতা চোখে চোখে রাখা। কিন্তু যেকোন ভাবেই বরের জুতা চুরি হয়েই যেত। এরপরে আবার ধ্যান-দরবার হতো যে, বর এখন কি পরবে? তখন আবার বরের বোন জামাই যে থাকতো দেখা যেত যে টাকা পয়সা দিয়ে বরের জুতা উদ্ধার করতো। কনের ‘আয়ো সিঙ্গারীরা’ কনেকে বিয়ের আগের দিন থেকে সম্পূর্ন দেখভাল করে রাখতো এবং বিয়ের কনে হিসেবে সাজিয়ে দিত। আর কনেকে সাজানোর জন্য বরের বাড়ি থেকে যেসব জিনিসপত্র পাঠাতো তার নাম ছিল খঞ্চা। খঞ্চায় আয়ো সিঙ্গারীদের জন্য আলাদা উপহার থাকতো। আরও থাকতো দাদী, নানীর শাড়ি। দেখা যেত যে যদি আপন দাদী, নানী নাও থাকতো তাহলে পাড়া প্রতিবেশি দাদি, নানিকে ওই শাড়ি দেওয়া হতো। মুসলিম বিয়েতে বরযাত্রীদের জন্য গরুর মাংস, ভাত, সবজি, ডাল, দই, মিষ্টি দেওয়া হতো। তখন পোলাও তেমন দেওয়া হতো না। বর কনের বিয়ে পড়ানো হতো মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে। এরপর একটি গামলা পানিভর্তি করে তার মধ্যে কড়ি, আংটি কিংবা পয়সা দিয়ে দেওয়া হতো। একটা ওড়নায় বর-কনের মাথা ঢেকে তাদেরকে গামলা থেকে কড়ি খুঁজে বের করতে বলা হতো। দেখা যেত কড়ি বা পয়সা এক সময় বর পাচ্ছে, আরেকবার কনে পাচ্ছে। এই পর্ব শেষে মিষ্টি মুখের পালা—বর কনেকে মিষ্টি খাইয়ে দিত এবং কনে বরকে মিষ্টি খাইয়ে দিত। তারপর হতো মালা বদলের আনুষ্ঠানিকতা হতো। বিয়ে শেষে কনে বিদায়ের সময় কনে কান্নাকাটি করতে করতে অনেক সময় বেহুশ হয়ে যেতো। কনের সঙ্গে ছোট, ভাই বোন বা দাদি, নানি যেতেন। এই যাওয়াকে বলা হতো ‘কোল ধরা’। কনে শ্বশুরবাড়িতে চলে যেতো। এক বা দুইদিন পরে বউ ভাত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতো। ওই অনুষ্ঠানে কনেপক্ষের লোকজন মাছ, মিষ্টি, পান, সুপারি নিয়ে দাওয়াত খেতে যেতো। ফেরার সময় বর কনেকে নিয়ে আসা হতো মেয়ের বাবার বাড়িতে। যেটা ‘ফিরানি’ নামে পরিচিত। পরদিন নতুন জামাইকে বাজার করতে যেতো হতো। জামাই বাজারে গিয়ে ঝাঁকায় করে মাছ, মাংস, দুধ থেকে শুরু করে মসলা পর্যন্ত কিনে আনতো। অর্থাৎ যার যেমন সামর্থ্য। এই নিয়ে লোকজনেরা উৎসুক থাকতো। কার জামাই কত ভালো বাজার করলো এই দেখার জন্য পাড়াপরশিরা আসতো। তারা কিন্তু খেতে আসতেন না নতুন বর কি বাজার এনেছে তাই দেখতে আসতেন এবং এই নিয়ে চর্চা চলতো। নতুন বর শ্বশুরবাড়িতে দুই বা তিনদিন থেকে বউ নিয়ে নিজের বাড়ি ফিরতো। যাকে বলা হয় ‘ঘুরানি’। এই ঘুরানির মাধ্যমে শেষ হতো বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। Copied #viralpost2025シ2025 #viralpost2025シ #viralreelsシ #videoviralシ #viralreelsfb #viralvideoシ #viralreelsfacebook #viralreelschallenge #trendingreels #trendingreelsvideo