Wednesday, 4 March 2026
আওয়ামী ঘরানার কিছু মিডিয়া যে পরিমাণ দুর্নীতির গল্প বানিয়েছে
গত এক মাস ধরে তিনজন মানুষকে টার্গেট করে আওয়ামী ঘরানার কিছু মিডিয়া যে পরিমাণ দুর্নীতির গল্প বানিয়েছে, সেগুলো পড়লে রাগের চেয়ে বরং হাসিই বেশি পায়।
“ড. মুহাম্মদ ইউনূস”আহসান এইচ মনসুর"আসিফ মাহমুদ
বসুন্ধরা গ্রুপ–ঘনিষ্ঠ একটি মিডিয়ায় বলা হলো, আসিফ মাহমুদ নাকি ১৬ মাসে ১০ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতি করেছে।
একটু হিসাব করলেই বোঝা যায়—এই দাবি মানতে হলে দিনে প্রায় ২০ লাখ ডলার করে দুর্নীতি করতে হয়।
বাস্তবতা বাদ দিলাম, গল্প হিসেবেও কি এটা সম্ভব?
একইভাবে বলা হলো, ড. ইউনূস নাকি ১১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন।
যে মানুষ বেতন নেন না, প্রতিষ্ঠানের লাভ নিজের পকেটে তোলেন না, ব্যক্তিগত গাড়ি নেই, অথচ ৩০ মিনিটের বক্তৃতায় লাখ ডলার আয় করতে পারেন—তাঁকে নাকি দুর্নীতি করতে হবে!
এই পর্যায়ের গল্প লিখেও কেউ যদি সাংবাদিকতা দাবি করে, সেটাই আসল ট্র্যাজেডি।
এবার আসল কাহিনীটা।
৫ আগস্টের পর আসিফ মাহমুদের বাসায় বড় বড় কোম্পানির “বোয়াল মাছ” হাজির হয়েছিল—সব ক্লিয়ার করে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে। অর্থাৎ রাজনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা।
ছাত্র উপদেষ্টাদের তখন সরকারের ভেতরে বাস্তব প্রভাব ছিল।
কিন্তু ওই সব টাকার প্রস্তাব আটকানো হয়েছিল।
এই সিদ্ধান্তে ড. ইউনূস ও আহসান এইচ মনসুরের সমর্থনও ছিল—এ কথা অজানা নয়।
খেয়াল করলে দেখবেন, পুরো ইন্টেরিম সময়জুড়ে দেশে বড় কোনো ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।
বরং কোটি কোটি টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে।
অনেক লোভ, বড় অঙ্কের অফার দিয়েও যখন এই তিনজনকে কেনা যায়নি, তখনই শুরু হয়েছে পরিকল্পিত গল্প লেখা।
সমস্যা হলো—এই ধরনের মিডিয়া নাটক মানুষ আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে।তাই এসব কেউ খায়নি।
আজ তো আসিফ মাহমুদ নিজে এবং পুরো পরিবারের ব্যাংক স্টেটমেন্ট সামনে এনেছেন।
এখন প্রশ্ন একটাই—এই মিডিয়াগুলো কি ক্ষমা চাইবে?
সম্ভবত না।
অভিনন্দন ড. ইউনূস।
অভিনন্দন আহসান এইচ মনসুর।
অভিনন্দন আসিফ মাহমুদ।
আপনারা কতটুকু করতে পেরেছেন—সে হিসাব ইতিহাস করবে।কিন্তু এক মাস ধরে যেভাবে মাফিয়ারা আপনাদের নাম ধরে কান্নাকাটি করছে,
সেটাই প্রমাণ করে—আপনারা মাথা নত করেননি।
এটাই প্রমাণ করে, গত ১৬ মাসে কারা সত্যিকারের পেইনে ছিল।
#Shahriar #BDMediaMafia #dryounus
Sharier
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment