Monday, 9 February 2026
হাসিনার যে-কোন কথায় ‘জ্বি-হুজুর’
মিয়া হাসিনার একটি মেজর ‘সমস্যা’ ছিলো- তার সামনে দলের কোন নেতা তাকে কোন পরামর্শ দেবার সাহস করতো না।
আওয়ামী দলীয় নেতা বা উপদেষ্টাদের একমাত্র কাজ ছিলো- মিয়া হাসিনার যে-কোন কথায় ‘জ্বি-হুজুর’, ‘জ্বি-হুজুর’ বা ‘হুজুরের মত-ই চমৎকার’ বলে সহমত পোষন করা।
তারা হাসিনার ‘অপ্রিয়’ হবার কোন ঝুঁকিই নিতো না; যে-কারণে ব্যক্তিত্বহীনের মতো মেরুদন্ড সামনের দিকে কুঁজো রেখে কথা বলতো।
আর এই অবস্থায় মিয়া হাসিনা নিজেকে এই গ্রহের সবচে শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান প্রানী হিসাবে ভেবে নিতো। মিয়া হাসিনা ভাবতো, ১৮ কোটি মানুষই বুঝি বেকুব বা তার অনুগত কারণ মিয়া হাসিনা বেকুব আর অনুগত ছাড়া কোন মানুষ তার সামনে কখনওই দেখেনি।
সে যা মন চাইতো তাই-ই অবলীলায় বলে যেতো। বেগুনের পরিবর্তে কুমড়া, মাংসের পরিবর্তে কাঠাল বা পেয়াজ ছাড়া তরকারী ইত্যাদি বিষয়গুলো রসিয়ে রসিয়ে বলে সে ভাবতো নিজে একজন মহাজ্ঞানী; এবং নোবেল পাবার যোগ্য! অত্যন্ত নিম্নমানের বেকুব ছাড়া এভাবে ভাবা সম্ভব নয়।
তার মনে হতো সে যা বলছে বা ভাবছে - সবই দারুণ বিষয়; যেহেতু সকলে সহমত পোষন করে যাচ্ছে। একদল মেরুদন্ডহীনের সমর্থন তাকে মহাবেকুবে পরিণত করে ফেলেছিলো।
আর তার পরিণতিতে তাকে দিল্লী পালাতে হয়েছে। পালিয়েও মৃত্যুদন্ড থেকে সে রেহাই পায়নি; বাদবাকী বৃদ্ধ জীবনটা তাকে দিল্লী‘র চার-দেয়ালের অভ্যন্তরে ‘স্বেচ্ছাবন্দির মতো’ কাটিয়ে দিয়েই মরতে হবে।
যে জীবনটা যাবজ্জিবন কারাদন্ডের মতোই কস্টকর; একাকিত্বের জীবন।
ঠিক এই একই রোগে আক্রান্ত আজ বিএনপি প্রধান তারেক রহমান।
আপাতত অবস্থা দৃস্টে বোঝা যাচ্ছে তারেক রহমানের সামনে বিএনপির কোন নেতা বা উপদেষ্টা তার কোন ভুল তাকে ধরিয়ে দেবার সাহস রাখে না। তারেক যা-ই-বলে, সেটাকেই তারা সমর্থন দিয়ে যায়।
বিএনপি নেতারা যদি তাদের মেরুদন্ডহীনতা অব্যহত রাখে- তাহলে তারেক সাহেবের ভবিষ্যৎও মিয়া হাসিনার মতোই হবে।
কোনও সন্দেহ নেই।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment